০৮:৫২ পি.এম
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল এলাকা থেকে রোগী ও মরদেহ পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করে পুননির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত রোগী ও মরদেহ পরিবহনের নীতিমালায় বর্ণিত অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া পুনর্মূল্যায়ন ও যৌক্তিককরণ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আমান উল্লাহ চৌধুরী, পুলিশ এবং বিআরটিএর প্রতিনিধিরাও।
চসিক মেয়র বলেন, রোগী ও স্বজনদের হয়রানি রোধে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এক বছর আগে বিভিন্ন গন্তব্যে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নির্ধারণ করে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। তবে ৬ মাস পর অভিযোগ পাওয়া যায় যে, তাতে থেকে সরে এসে বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছিল। বর্তমানে তেলের দাম বাড়ার কারণে সমিতি এবং সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন করে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে ৩০ শতক ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৪৪ টাকা এবং লোহাগাড়া উপজেলায় নন এসি বড় অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৪০০ টাকা ও এসি অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৭৮৫ টাকা সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সরকারি নির্দেশনা ও হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষার অভিযোগ: মানিকগঞ্জ-টাঙ্গাইলে স্কুল-কলেজের মাঠে মেলা, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
তিনি আরও বলেন, এই নতুন ভাড়া মেনে চলতে হবে। যদি এর চেয়ে বেশি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে মালিক সমিতির কাছ থেকে জরিমানা করা হবে। হাসপাতাল ক্যাম্পাস এবং সামনের সড়কে অ্যাম্বুলেন্স রাখা যাবে না, এবং ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানোও নিষিদ্ধ। তিনি এ ব্যাপারে বিআরটিএকে সতর্ক করে বলেন যে, হাসপাতাল এলাকায় নির্ধারিত রেট চার্ট দৃশ্যমান স্থানে টাঙানো হবে এবং কোনো অ্যাম্বুলেন্স চালক নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে পারবেন না।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন মন্তব্য করেন, বাইরের অ্যাম্বুলেন্স যে ভাড়া নিয়ে আসে, তারা যাওয়ার সময় আরেকটি ভাড়া নিয়ে যায়, যা করা ঠিক নয়।
চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আমান উল্লাহ চৌধুরী জানান, সমিতির বাইরের অ্যাম্বুলেন্স এসে অনেক সময় ভাড়া নিয়ে যায়, যা বন্ধ করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন