প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দ্বিতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন।
পুনরায়, সোমবার ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে। তাছাড়া, গতকাল থেকে তাদের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বেসরকারি ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি শুরু করেছেন। যদিও ছয় দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনির্দিষ্টকালের এ কর্মসূচি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের দফতর সম্পাদক ইরফানুর রহমান বলেন, "আমরা যে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি শুরু করেছি, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।" দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় গেছে। তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে।
তিনি বলেন, "জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ এবং ওয়ার্ডগুলোতে সেবা চালু আছে। যেহেতু আমরা কর্মবিরতিতে আছি, তাই সেবায় বিঘ্ন ঘটা স্বাভাবিক।"
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ছয় দফাগুলো হলো- স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা দেওয়া, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতনকাঠামো প্রণয়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি অধ্যাদেশকে আইন রূপান্তর এবং ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং বিএমডিসি ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সব ভর্তি পরীক্ষার ফি এক হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা।
চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এসব দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন