মোঃ রাসেল সরকার (স্টাফ রিপোর্টার)
০৭:৪৭ পি.এম
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এম.পি এর সার্বিক দিক নির্দেশনার ফলস্বরূপ, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন এর তত্ত্বাবধানে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস কর্তৃক বাস্তবায়িত গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর বাজারের নিকটবর্তী ছোট ব্রীজ হতে লালপুর পর্যন্ত খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।
খাল পুনঃখনন করতে গিয়ে সরকারের কিছু খাস জমি উদ্ধারও করা হয়েছে। অবৈধভাবে দখল করে রাখা ১০টি বাড়ি এবং একটি দোতলা মার্কেটকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। খননকৃত খালটি করতোয়া নদীর সাথে সংযুক্ত হওয়ায় এতে প্রাণের স্রোতের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে। সুষ্ঠুভাবে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করে ২০ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে নজির স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
খাল পুনঃখননের নন ওয়েজ অংশের টাকা থেকে ৬ ফুট ডায়ার ১৬টি আর.সি.সি রিং পাইপ ২টি স্থানেও বসানো হয়েছে এবং ৭১৪টি ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। সরিষাকোল গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রবিউল ইসলাম (৩০) খাল খননের কারণে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। মাকড়কোলা গ্রামের বাসিন্দা আজিম (১৮) জানান, 'আমার জীবনে এই খালে প্রথমবারের মতো বর্ষার পানি দেখলাম। এর আগে খালটি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, সরকারের প্রধানের এই সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই।'
মশিপুর গ্রামের আব্দুল করিম (৩৫) বলেন, '২০ বছর আগে এইখালে বর্ষার পানি আসতো, তখন নৌকা যাতায়াত করত। কিন্তু দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে খালটি কিছু কিছু অংশ বিভিন্ন জনের দখলে থাকায়, এবং খাল খনন না হওয়ার কারণে বর্ষার পানি আসতে পারেনি।' বর্তমানে খাল পুনঃখনন হওয়ায় তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানান। খাল পুনঃখনন এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন করায় শাহজাদপুরবাসীর মধ্যে আনন্দ উল্লাস লক্ষ্য করা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ আগস্ট ২০২৬ : বাংলাদেশ দল নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের দশম আসর শুরু করবে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।
গতরাতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের দশম আসরের সূচি ও গ্রুপিং ঘোষণা করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই টুর্নামেন্ট চলবে। এটি ষষ্ঠবারের মতো হবে নারী এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে, যেখানে চারবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ানডে ফরম্যাটে।
আসন্ন টুর্নামেন্টে আটটি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়া আছে।
বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে আগামী ৩১ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলংকার বিপক্ষে এবং ৮ সেপ্টেম্বর গ্রুপের শেষ ম্যাচে আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ।
‘এ’ গ্রুপে ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং হংকং আছে।
গ্রুপের প্রত্যেকটি দল পরস্পরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে উঠবে। আগামী ১০ (এ১-বি২) ও ১১ (এ২-বি১) সেপ্টেম্বর সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাতবার শিরোপা জিতেছে ভারত। একবার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে শ্রীলংকা ও বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের টুর্নামেন্টে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথম ও শেষবারের মতো শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় দলে সাকিব আল হাসানকে আর দেখা যাবে না, এমনটাই মনে করছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ মন্তব্যটি এসেছে শনিবার, ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ১৯:৪৪ এ। এটি একটি ফাইল ছবি।সাকিব আল হাসান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক ‘সংবাদ সম্মেলনে’ ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ার ফলস্বরূপ আবারও আলোচনায় এসেছেন।যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলছেন যে, দেশে ফিরে সাকিব আর জাতীয় দলে খেলার সুযোগ দেখছেন না। তিনি বলেন, 'দেশে ফিরে জাতীয় দলের হয়ে তার আর খেলার সুযোগ নেই। একজন ক্রিকেটার হিসেবে যে অবস্থান ছিল, সেখান থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিক পরিচয় বেছে নিয়েছেন তিনি। আমার মনে হয় না তার দেশে ফেরার কোনো সুযোগ আছে। আর দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।'আমিনুল হক আরও জানান, 'একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি এবং অন্যান্যরা তার বিষয়ে অনেক সহনশীল ছিলাম। কিন্তু এখন তার ফেরার জন্য কোনো ব্যবস্থা করার সুযোগ নেই। তিনি স্বৈরাচারদের মঞ্চে উঠে দাঁড়িয়েছেন, তাই দেশে ফিরে তার জাতীয় দলের হয়ে খেলার আর কোনো সুযোগ নেই।'এছাড়া সাকিব আল হাসান আজ দেশে ফেরা নিয়ে রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন।তিনি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, যদি সরকার তাকে জানায় যে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, তাহলে তিনি দেশে ফিরতে ইচ্ছুক। বাংলাদেশি অলরাউন্ডার মন্তব্য করেন, 'সরকার যদি আমাকে জানায় যে আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, তাহলে আমি আনন্দের সঙ্গে দেশে ফিরব, আদালতের বিচারসহ যা যা প্রয়োজন, সব কিছুরই মুখোমুখি হব।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ৭ আগস্ট, ২০২৪ : পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, আঞ্চলিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে এবং দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদারে তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এর অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে।
তিনি বলেন, ‘তিস্তা মহাপ্রকল্পের প্রকল্পের পাশাপাশি আমরা পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আনুষ্ঠানিকভাবে এর কাজ শুরু হয়েছে এবং জনগণ খুব দ্রুতই কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবে।’
তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এটি তিস্তা মহাপরিকল্পনা হিসেবে পরিচিত, যদিও বর্তমান সরকার দায়িত্বে আসার আগে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে খুব কমই অগ্রগতি হয়েছিল।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাক্সক্ষা ও প্রতিশ্রুতির আলোকে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা প্রয়োজনীয় সমীক্ষামূলক কাজ শেষ করব। এরপর তিস্তা অববাহিকার মানুষের কল্যাণ, এ অঞ্চালের বিকাশ এবং দেশের অর্থনীতির রূপান্তরে প্রকল্পটির দৃশ্যমান বাস্তবায়নের দিকে আমরা এগিয়ে যাব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের জন্নাতুল ফেরদৌস সিনেট হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রো, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ক্ষমতার গুরুতর অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। এই অভিযোগ বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার কারণে উঠেছে।
ফিফপ্রো, যা বিশ্বব্যাপী ৭০টিরও বেশি খেলোয়াড় ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত, বলেছে ইনফান্তিনোর কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ খেলোয়াড়দের ফিফার প্রতি আস্থা মৌলিকভাবে ভেঙে পড়েছে। যদিও ফিফা বলে যে, তারা ভুল স্বীকার করে বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা থেকে সরে গেছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফিফপ্রো ওই বক্তব্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, ‘বেসরকারি পরিকল্পনা প্রত্যাহার করা অবশ্যম্ভাবী ছিল। কিন্তু প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করলেই এটি যা প্রকাশ করেছে, তা মুছে যায় না।’
এতে আরও বলা হয়, ‘এমন একটি পরিকল্পনা, যা ফিফা বিশ্বকাপের মালিকানা ও পরিচালনা কাঠামোকে স্থায়ীভাবে বদলে দিতে পারত এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম খেলোয়াড়দের গড়ে তোলা প্রতিযোগিতাগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি করত, সেটি গোপনে তৈরি করা হয়েছিল, বন্ধ দরজার আড়ালে আলোচনা করা হয়েছিল এবং ফিফা কাউন্সিল, সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংস্থা, খেলোয়াড় ও ফুটবলের স্বীকৃত অংশীজনরা বিষয়টি জানার আগেই চুক্তির একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল। এটি শুধুমাত্র প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়। এটি সভাপতির ক্ষমতার গুরুতর অপব্যবহার।’
ফিফা ও ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা ছিল একটি বাণিজ্যিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করার, যা ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতাগুলো, বিশেষ করে বিশ্বকাপ পরিচালনা করবে। এরপর বাইরের বিনিয়োগকারীরা সেই প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব কিনতে সক্ষম হবেন। ইউরোপ, এএফসি, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছে। উয়েফা ও কনকাকাফ উভয়েই এই পরিকল্পনার সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছে।
ফিফা যদিও এই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে, উয়েফা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। সংস্থাটি এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার পর বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ