প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এম.পি এর সার্বিক দিক নির্দেশনার ফলস্বরূপ, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন এর তত্ত্বাবধানে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস কর্তৃক বাস্তবায়িত গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর বাজারের নিকটবর্তী ছোট ব্রীজ হতে লালপুর পর্যন্ত খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।
খাল পুনঃখনন করতে গিয়ে সরকারের কিছু খাস জমি উদ্ধারও করা হয়েছে। অবৈধভাবে দখল করে রাখা ১০টি বাড়ি এবং একটি দোতলা মার্কেটকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। খননকৃত খালটি করতোয়া নদীর সাথে সংযুক্ত হওয়ায় এতে প্রাণের স্রোতের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে। সুষ্ঠুভাবে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করে ২০ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে নজির স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
খাল পুনঃখননের নন ওয়েজ অংশের টাকা থেকে ৬ ফুট ডায়ার ১৬টি আর.সি.সি রিং পাইপ ২টি স্থানেও বসানো হয়েছে এবং ৭১৪টি ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। সরিষাকোল গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রবিউল ইসলাম (৩০) খাল খননের কারণে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। মাকড়কোলা গ্রামের বাসিন্দা আজিম (১৮) জানান, 'আমার জীবনে এই খালে প্রথমবারের মতো বর্ষার পানি দেখলাম। এর আগে খালটি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, সরকারের প্রধানের এই সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই।'
মশিপুর গ্রামের আব্দুল করিম (৩৫) বলেন, '২০ বছর আগে এইখালে বর্ষার পানি আসতো, তখন নৌকা যাতায়াত করত। কিন্তু দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে খালটি কিছু কিছু অংশ বিভিন্ন জনের দখলে থাকায়, এবং খাল খনন না হওয়ার কারণে বর্ষার পানি আসতে পারেনি।' বর্তমানে খাল পুনঃখনন হওয়ায় তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানান। খাল পুনঃখনন এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন করায় শাহজাদপুরবাসীর মধ্যে আনন্দ উল্লাস লক্ষ্য করা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন