ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে তাক লাগানো সাফল্য, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১০ জন


জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে তাক লাগানো সাফল্য, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১০ জন

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করেছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা। এ বছর প্রতিষ্ঠানটির মোট ৩২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৯.৬৯ শতাংশ। এর মধ্যে ১১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) অর্জন করেছে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দেওয়া ফলাফল অনুযায়ী, ৩২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
ঐতিহ্যের দীর্ঘ পথচলা
চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা একটি দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫৪ সালে কামিল সিদ্ধপুরুষ সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ.)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তি স্থাপন করা হয়। ১৯৫৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এর পাঠদান শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে এটি কামিল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত এবং চট্টগ্রামের সুপরিচিত সুন্নিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। প্রতিষ্ঠানটির নাম ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাতেও রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যেও জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিফলন পাওয়া যায়।

এবারের ফলাফলে উচ্ছ্বাস
২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় ৯৯.৬৯ শতাংশ পাসের পাশাপাশি ১১০ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায়ও তারা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে।
ফলাফল এক নজরে:
মোট পরীক্ষার্থী: ৩২১ জন
উত্তীর্ণ: ৩২০ জন
অকৃতকার্য: ১ জন
পাসের হার: ৯৯.৬৯%
জিপিএ-৫: ১১০ জন

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত, চালক আহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অষ্টম শ্রেণি পাসেই পুলিশ একাডেমিতে চাকরির সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪০ পি.এম


অষ্টম শ্রেণি পাসেই পুলিশ একাডেমিতে চাকরির সুযোগ

বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা রাজশাহী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি ‘অফিস সহায়ক (এমএলএসএস)’ পদে ১১ জনকে নিয়োগের জন্য আবেদন গ্রহণ করবে। নারী এবং পুরুষ প্রার্থীদের জন্য এই পদটি উন্মুক্ত আছে, এবং এটি অস্থায়ী ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের ডাকযোগে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ

বিভাগ: বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি

পদের নাম: অফিস সহায়ক (এমএলএসএস)

পদের সংখ্যা: ১১টি

বেতন স্কেল: (জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ মোতাবেক)

গ্রেড-২০: ৮,২৫০-২০,০১০/-

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের জন্য অষ্টম শ্রেণি পাশ হওয়া আবশ্যক।

কর্মস্থল: রাজশাহী

বয়স: ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রার্থীদের বয়স ১৮-৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোন ধরনের এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদন ফি: পরীক্ষার ফি বাবদ ১০০ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্র সংগ্রহ: আগ্রহী প্রার্থীরা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ওয়েবসাইট https://bpa.police.gov.bd/ এ গিয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: ‘প্রিন্সিপাল, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহী’ বরাবর ডাকযোগে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করা প্রয়োজন। খামের ওপর স্পষ্ট অক্ষরে পদের নাম লিখতে হবে এবং বাঁ পাঁশ্বে আবেদনকারীর পূর্ণ নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৮ আগস্ট, ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগেশ্বরীতে সরকারি ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকের তালিকায় হতদরিদ্র ও অকৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাইদুল ইসলাম মামুন, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম)

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


নাগেশ্বরীতে সরকারি ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকের তালিকায় হতদরিদ্র ও অকৃষক

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে হতদরিদ্র, ভূমিহীন, দিনমজুর ও অকৃষকদের নাম কৃষকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে তাদের নামে সরকারি গুদামে ধান সরবরাহের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে প্রকৃত কৃষকেরা সরকারি মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে নাগেশ্বরী উপজেলায় প্রায় ৮ কোটি ৭২ লাখ ২৮ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার ৪২৩ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। নির্ধারিত মূল্যে ৮০৭ জন কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কথা রয়েছে। এ জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পর লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, আবেদন প্রক্রিয়ায় একটি চক্র প্রকৃত কৃষকদের পরিবর্তে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের তথ্য ব্যবহার করে আবেদন করে। পরে লটারিতে তাঁদের নাম উঠে আসার পর ওই ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব খুলিয়ে তাঁদের নামে ধান সরবরাহ ও অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানে উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের একছাটবাড়ী এলাকায় এমন বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যাঁদের নিজেদের কোনো আবাদি জমি নেই। তাঁদের কেউ দিনমজুর, কেউ বিধবা বা হতদরিদ্র। অথচ সরকারি নথিতে তাঁরা কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় একটি চক্র সরকারি বিভিন্ন সুবিধা যেমন কৃষি কার্ড, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলে এসব মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি সংগ্রহ করে ব্যাংক হিসাব খুলতে সহায়তা করে। পরবর্তীতে তাঁদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া চেকের পাতা ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে। বিনিময়ে কাউকে এক হাজার, কাউকে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে বলে কয়েকজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, তাঁরা সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতেন না। তাঁদের নাম ব্যবহার করে কীভাবে ধান দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের নামে কত টাকা লেনদেন হয়েছে এসব বিষয়ও তাঁরা জানেন না।

কচাকাটা এলাকার এক দরিদ্র নারী জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিজের বসতভিটার বাইরে কোনো আবাদি জমি নেই। বিধবা ভাতা দেওয়ার কথা বলে তাঁকে ব্যাংকে নেওয়া হয় এবং সেখানে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে তাঁর নামে থাকা চেক ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে স্থানীয় কৃষক আব্দুর রহমানের অভিযোগ, তিনি প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন করলেও সরকারি খাদ্যগুদামে ধান দেওয়ার সুযোগ পাননি। তাঁর দাবি, প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে অকৃষকদের নাম ব্যবহার করে একটি চক্র সরকারি ধান সংগ্রহের সুবিধা নিচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়ভাবে নাম আসা দুলাল মিয়া বলেন, শুধু কচাকাটা নয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকেরাই গুদামে ধান না দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ধান বিক্রি করেন। তবে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নির্দেশেই তিনি এসব কাজে যুক্ত ছিলেন।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাউছার হাবিব অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, কৃষি বিভাগের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে আবেদনকারীদের প্রত্যেককে যাচাই করা কঠিন। তবে কৃষক নন এমন কারও নাম তালিকায় থাকলে তিনি ধান দিতে পারবেন না। প্রয়োজন হলে এসব নাম বাদ দিয়ে পুনরায় লটারি করার বিধান রয়েছে। খাদ্য বিভাগ কার কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে, সে বিষয়ে কৃষি বিভাগের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি বলেও তিনি জানান।

এদিকে স্থানীয় প্রকৃত কৃষকদের দাবি, সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তালিকাভুক্ত কৃষকদের মাঠপর্যায়ে যাচাই, জমির তথ্য পরীক্ষা এবং যাঁদের নামে ধান সরবরাহ দেখানো হয়েছে তাঁদের কাছ থেকে প্রকৃতপক্ষে ধান নেওয়া হয়েছে কি না তা তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনিয়ম প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান শাহকে হত্যায় ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তির দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


সালমান শাহকে হত্যায় ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তির দাবি

সালমান শাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করেছিলেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই। এই দাবি করেছেন ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।

রোববার (৯ আগস্ট) সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী শুনানিতে এ দাবি করেন। পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, অন্য একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় দেওয়া স্বীকারোক্তিতে মামলার আসামি রিজভী আহমেদ সালমান শাহ হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

তার দাবি, ওই স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সালমান শাহর স্ত্রী সামিরার সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের ফলস্বরূপ সালমান শাহকে হত্যার জন্য আজিজ মোহাম্মদ ভাই ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করেন।

তবে আদালতে ডনের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আশরাফুল হক ডন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন এবং তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে। জামিনে মুক্তি পেলে তদন্ত ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তার পুনরায় পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সালমান শাহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৮ নম্বর আসামি আশরাফুল হক ডন। রোববার ভোর ৫টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।

আরও পড়ুন

ডন গ্রেপ্তারের পর যা বললেন সালমান শাহর মা। প্রায় তিন দশক পর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত এগিয়ে চলার মধ্যে ডনের গ্রেপ্তার এবং আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন জন্মদিনের কেক উৎপাদনকারীকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন জন্মদিনের কেক উৎপাদনকারীকে জরিমানা

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগের রাজশাহী কার্যালয়ের উদ্যোগে, আজ সোমবার দুপুর ১২.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিএসটিআই’র মানসনদ গ্রহণ না করায় এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, নন-ফুডগ্রেড উপাদান ব্যবহার করে ‘ডেকোরেটেড কেক (জন্মদিনের কেক)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণের অভিযোগে বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অবস্থিত রোজা বেকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা: ফারহানা হোসেন এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।

এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%