মাইদুল ইসলাম মামুন, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম)
০২:৪১ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে হতদরিদ্র, ভূমিহীন, দিনমজুর ও অকৃষকদের নাম কৃষকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে তাদের নামে সরকারি গুদামে ধান সরবরাহের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে প্রকৃত কৃষকেরা সরকারি মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে নাগেশ্বরী উপজেলায় প্রায় ৮ কোটি ৭২ লাখ ২৮ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার ৪২৩ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। নির্ধারিত মূল্যে ৮০৭ জন কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কথা রয়েছে। এ জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পর লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, আবেদন প্রক্রিয়ায় একটি চক্র প্রকৃত কৃষকদের পরিবর্তে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের তথ্য ব্যবহার করে আবেদন করে। পরে লটারিতে তাঁদের নাম উঠে আসার পর ওই ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব খুলিয়ে তাঁদের নামে ধান সরবরাহ ও অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুসন্ধানে উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের একছাটবাড়ী এলাকায় এমন বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যাঁদের নিজেদের কোনো আবাদি জমি নেই। তাঁদের কেউ দিনমজুর, কেউ বিধবা বা হতদরিদ্র। অথচ সরকারি নথিতে তাঁরা কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় একটি চক্র সরকারি বিভিন্ন সুবিধা যেমন কৃষি কার্ড, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলে এসব মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি সংগ্রহ করে ব্যাংক হিসাব খুলতে সহায়তা করে। পরবর্তীতে তাঁদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া চেকের পাতা ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে। বিনিময়ে কাউকে এক হাজার, কাউকে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে বলে কয়েকজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, তাঁরা সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতেন না। তাঁদের নাম ব্যবহার করে কীভাবে ধান দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের নামে কত টাকা লেনদেন হয়েছে এসব বিষয়ও তাঁরা জানেন না।
কচাকাটা এলাকার এক দরিদ্র নারী জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নিজের বসতভিটার বাইরে কোনো আবাদি জমি নেই। বিধবা ভাতা দেওয়ার কথা বলে তাঁকে ব্যাংকে নেওয়া হয় এবং সেখানে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে তাঁর নামে থাকা চেক ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় কৃষক আব্দুর রহমানের অভিযোগ, তিনি প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন করলেও সরকারি খাদ্যগুদামে ধান দেওয়ার সুযোগ পাননি। তাঁর দাবি, প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে অকৃষকদের নাম ব্যবহার করে একটি চক্র সরকারি ধান সংগ্রহের সুবিধা নিচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়ভাবে নাম আসা দুলাল মিয়া বলেন, শুধু কচাকাটা নয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকেরাই গুদামে ধান না দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ধান বিক্রি করেন। তবে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নির্দেশেই তিনি এসব কাজে যুক্ত ছিলেন।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাউছার হাবিব অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, কৃষি বিভাগের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে আবেদনকারীদের প্রত্যেককে যাচাই করা কঠিন। তবে কৃষক নন এমন কারও নাম তালিকায় থাকলে তিনি ধান দিতে পারবেন না। প্রয়োজন হলে এসব নাম বাদ দিয়ে পুনরায় লটারি করার বিধান রয়েছে। খাদ্য বিভাগ কার কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে, সে বিষয়ে কৃষি বিভাগের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি বলেও তিনি জানান।
এদিকে স্থানীয় প্রকৃত কৃষকদের দাবি, সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তালিকাভুক্ত কৃষকদের মাঠপর্যায়ে যাচাই, জমির তথ্য পরীক্ষা এবং যাঁদের নামে ধান সরবরাহ দেখানো হয়েছে তাঁদের কাছ থেকে প্রকৃতপক্ষে ধান নেওয়া হয়েছে কি না তা তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনিয়ম প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সালমান শাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করেছিলেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই। এই দাবি করেছেন ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
রোববার (৯ আগস্ট) সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী শুনানিতে এ দাবি করেন। পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, অন্য একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় দেওয়া স্বীকারোক্তিতে মামলার আসামি রিজভী আহমেদ সালমান শাহ হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
তার দাবি, ওই স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সালমান শাহর স্ত্রী সামিরার সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের ফলস্বরূপ সালমান শাহকে হত্যার জন্য আজিজ মোহাম্মদ ভাই ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করেন।
তবে আদালতে ডনের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আশরাফুল হক ডন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন এবং তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে। জামিনে মুক্তি পেলে তদন্ত ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তার পুনরায় পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সালমান শাহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৮ নম্বর আসামি আশরাফুল হক ডন। রোববার ভোর ৫টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
আরও পড়ুন
ডন গ্রেপ্তারের পর যা বললেন সালমান শাহর মা। প্রায় তিন দশক পর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত এগিয়ে চলার মধ্যে ডনের গ্রেপ্তার এবং আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগের রাজশাহী কার্যালয়ের উদ্যোগে, আজ সোমবার দুপুর ১২.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিএসটিআই’র মানসনদ গ্রহণ না করায় এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, নন-ফুডগ্রেড উপাদান ব্যবহার করে ‘ডেকোরেটেড কেক (জন্মদিনের কেক)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণের অভিযোগে বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অবস্থিত রোজা বেকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা: ফারহানা হোসেন এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আখতারুজ্জামানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম সোমবার (১০ অগাস্ট) দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. মাসুদুর রহমান।
কিন্তু ওইদিন রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গত ৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।
দিনটি সাবেক এ এমপিকে পুলিশি পাহাড়ায় আদালতে হাজির করা হয়। পরে তার আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবীরা তার রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত থেকে রিমান্ডের আদেশ আসে।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আছে মর্মে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত সহযোগী অন্যান্য পলাতক আসামিদের নাম ঠিকানা সংগ্রহপূর্বক গ্রেপ্তার এবং তাদের রাষ্ট্রবিরোধী অবৈধ পরিকল্পনার তথ্য সংগ্রহ, হেফাজতে থাকা অবৈধ ককটেল বোমার উৎসসহ মামলার ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনের জন্য নিবীড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫-৪০ জন নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। মিছিলে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি সহ রাষ্ট্রবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড চালান। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানার পুলিশ মামলাটি দায়ের করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভান্ডারিয়া বিহারী লাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে মোঃ আবসার রাফি।
মোঃ আবসার রাফি ঝালকাঠি জেলা হাসপাতালের অ্যাকাউন্টেন্ট মোঃ আল মামুনের ছেলে। তিনি কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াদ মাহমুদ সিকদারের ভাগিনা (ছোট বোনের ছেলে)।
এসএসসি পরীক্ষায় তার এ সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার এই ফলাফলের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে আবসার রাফি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মোঃ আবসার রাফি জানায়, “এইচএসসিতে ভালোভাবে লেখাপড়া করে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে চাই। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ অথবা সমমানের কোনো সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে চিকিৎসক হতে চাই। চিকিৎসক হয়ে নিজেকে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত করতে চাই। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার ভবিষ্যতের অন্যতম লক্ষ্য।
আবসার রাফির পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই সে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী এবং নিয়মিত পড়াশোনা করে আসছে। তার এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা ও পরিবারের সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আবসার রাফি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে—এমন প্রত্যাশা শিক্ষক, পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ