ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন পে স্কেল: বর্ধিত মূল বেতন জুলাইয়ে, গেজেটের অপেক্ষা


নতুন পে স্কেল: বর্ধিত মূল বেতন জুলাইয়ে, গেজেটের অপেক্ষা

সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দুই ধাপে কার্যক্রম শুরু করতে পারে। জুলাই মাস থেকেই নতুন স্কেল অনুযায়ী সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে পে কমিশনের সুপারিশের মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। এটি করা হবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে।

বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে তিনটি পৃথক পে কমিশনের প্রতিবেদনের পরে এই কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হতে পারে। প্রাথমিকভাবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে দুইটি বিকল্প বিবেচনা করা হয়েছিল: তিন বছর এবং দুই বছর মেয়াদী।

যদি তিন বছরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়, তাহলে ধারাবাহিকভাবে আগামী দুই অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে এবং তৃতীয় বছরে ভাতাগুলো কার্যকর হবে।

তবে অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, দুই ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে (আইবিএএসপ্লাসপ্লাস) তদারকির জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

এ কারণে তারা একবারে পুরো মূল বেতন কার্যকর করার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে কমিটি দুই ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। আমরা আশা করি, জুলাইয়ের মাঝামাঝি কিংবা পরবর্তী সপ্তাহে গেজেট প্রকাশিত হবে।’

বর্তমান ২০টি গ্রেডের মধ্যে ১ থেকে ১০ নম্বর গ্রেডে ১০০ শতাংশ বা তার কিছুটা কম এবং ১১ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডে গড়ে ১৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করতে পারে কমিটি।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তব্যে ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিচ্ছি। গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই কাঠামোর আওতায় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, অথচ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।’

পে স্কেল সংশোধনের আগের উদাহরণগুলোর মতো এবার বাজেট নথিতে বেতন-ভাতা খাতে আলাদা করে কোনো বৃদ্ধি দেখানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বরাদ্দটি নেট পাবলিক সার্ভিস খাতে রাখা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় এ খাতে ব্যয় ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বেড়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে, অংশ নেবেন সরকারি কর্মসূচিতে

কর্মকর্তাদের মতে, বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে ৪৪ হাজার কোটি টাকার এই বরাদ্দ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যয় করা হবে।

এবার মূল বেতনে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুপারিশ করেছে নবম পে কমিশন।

২০১৫ সালে দুই ধাপে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই বছর সংশোধিত মূল বেতন এবং পরের বছর সংশোধিত ভাতা কার্যকর করা হয়। বর্তমান সরকার তার ১৪ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য বছরে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে।

আরও পড়ুন: ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতা কম: নিলোফার মনি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহতদের মধ্যে ৩৯ জন হাসপাতালে ভর্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহতদের মধ্যে ৩৯ জন হাসপাতালে ভর্তি

ময়মনসিংহ নগরীতে একটি পুরোনো গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণের কারণে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র গন্ধে অসুস্থ হয়ে ৩৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে পাওয়া গেছে যে, এ ঘটনায় কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি।

সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যার দিকে নগরীর গুলপুকুর পাড় এলাকার মৈত্রী টাওয়ারের পাশে এই ঘটনা ঘটে। হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর আশপাশে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে যায়।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জবায়দুল হক গণমাধ্যমকে জানান, গ্যাসের তীব্র গন্ধে অসুস্থ হয়ে ৩৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। তবে কয়েকজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. জানে আলম বলেন, একটি পুরোনো গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কোনো আগুন লাগার ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও জানান, গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে আশপাশের কয়েকটি ভবনের বাসিন্দারা শ্বাসকষ্ট ও অস্বস্তিতে ভুগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে জলবায়ু সচেতনতা বাড়াতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


ফরিদপুরে জলবায়ু সচেতনতা বাড়াতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ফরিদপুর, ৩০ জুন, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গতকাল সোমবার ফরিদপুরের আলিপুরে অবস্থিত সাজেদা কবির উদ্দিন পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, র‌্যালি ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. শওকত হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন আলিপুরের স্থানীয় বাসিন্দা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং ফরিদপুর জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক মো. আজম খান।

এ সময় প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়।

শওকত হোসেন বলেছেন, বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করা সম্ভব হতে পারে। কারণ, বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের বিকল্প নেই।

তিনি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যা করার অঙ্গীকার গ্রহণের আহ্বান জানান। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানি কমলেও দুর্ভোগে তিস্তাপাড়ের বানভাসী মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ এম


পানি কমলেও দুর্ভোগে তিস্তাপাড়ের বানভাসী মানুষ

ভারী বর্ষণ এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আগের থেকে তিস্তার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে তিস্তার পানি কমতে শুরু করলেও বন্যা কবলিত এলাকার তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কাটেনি।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে লোকজন তাদের গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন সরকারি রাস্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ওপর। শুকনো খাবার মিললেও তারা বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটের কথা জানিয়েছেন। কৃষক গফুর মিয়া (৬৫) জানিয়েছেন, চরে এখনও বানের পানি ফসলি জমি তলিয়ে রেখেছে। প্রতি বছর ভারত থেকে আসা ঢল এবং ভারি বর্ষণের কারণে তিস্তা নদীতে বন্যার সৃষ্টি হয় যা তীব্র নদী ভাঙনের সঙ্গে যুক্ত।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তিস্তা ব্যারেজ কন্ট্রোল রুম ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উজানের ঢল কম থাকায় মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমতে শুরু করলেও নদী পাড়ের নিম্নাঞ্চল এবং চরাঞ্চলের অনেক পরিবার এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি কারণ রাস্তাঘাট এবং ফসলি জমি পানির নিচে রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘উজানের পানির প্রবাহ কমে আসায় তিস্তার পানিও ধীরে ধীরে কমছে। ধীরে ধীরে নিম্নাঞ্চলের পানিবন্দিরাও মুক্তি পাচ্ছে।’

রোববার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছিল। রাতভর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর ফলে নদীর তীরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় এবং টানা বৃষ্টির কারণে চরাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি তৈরী করে। সোমবার সকালে তিস্তার পানি বিপৎসীমার সমান নেমে আসে এবং সকাল ৯টায় আরও কমে যায়, এবং মঙ্গলবার সকালে পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এর ফলে বন্যা পরিস্থিতি আরও উন্নতি হয়েছে।

আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস জানিয়েছেন, বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেই ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে বলা হয়েছে। তালিকা প্রাপ্তির পর ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুণীল কুমার জানিয়েছেন, সম্প্রতি দুই দফায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার, তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের ২২০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ সাড়ে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’, কুবির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’, কুবির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে দিনটি অন্তর্ভুক্ত করার এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ গুরুতর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিনটিকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন চলাকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল দেশের অন্যতম আলোচিত ক্যাম্পাস। ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির আওতায় ১১ জুলাই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করলে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। ওই ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন আবাসিক হল হতে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরবর্তী সময়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনে অংশ নেন এবং দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি পালন করেন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে ওঠে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ দিবস ১১ জুলাই’ শীর্ষক স্মরণসভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ জুলাইকে ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবছর এ উপলক্ষে কী ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%