ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে মিরাজের অনন্য কীর্তি অর্জন


বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে মিরাজের অনন্য কীর্তি অর্জন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ, বিশ্বসেরা বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে। জশ হ্যাজেলউড, নাথান লায়ন, মিচেল স্টার্ক এবং প্যাট কামিন্স, যারা সকলেই টেস্টে ৩০০-এর বেশি উইকেট নিয়েছে, তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪২৬ রান। ১৩৮ ওভার ব্যাট করার পর স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড হলো ২২৮ রান।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত সাত বছরের বেশি সময়ে কোনো সফরকারী দল এত দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারেনি। একই সময়ে ২২৮ রানের লিডও গত সাড়ে সাত বছরে অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে কোনো সফরকারীর সর্বোচ্চ।

এ দারুণ ব্যাটিংয়ের পেছনে তানজিদ তামিম এবং নাজমুল হোসেন শান্তদের পাশাপাশি বড় অবদান রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। যখন তিনি ক্রিজে আসেন, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৩০৬ রান। কিছুক্ষণের মধ্যেই মুশফিকুর রহিম ফিরে গেলে দলের স্কোর ৬ উইকেটে ৩০৮ রানে পরিণত হয়। এরপর শেষ দিকের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে মিরাজ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী তিন বিভাগ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন

মধ্যাহ্ন বিরতির পর আউট হওয়ার আগে তিনি ১৫৪ বলে ৬৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছেন। এই ইনিংসের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সাত নম্বর কিংবা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে সর্বোচ্চ রান করার কৃতিত্ব মিরাজ অর্জন করেছেন।

মিরাজ শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাত দিয়েও বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা। তিনি অভিষেকের পর থেকে ২১৯টি টেস্ট উইকেট নিয়ে বোলারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। ব্যাট হাতে ২ হাজার ২৯৬ রান করা মিরাজ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টেস্ট রান সংগ্রাহকদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন।

অভিষেকের পর বিশ্ব ক্রিকেটে ২ হাজারের বেশি রান ও ২০০-এর বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব শুধুমাত্র ভারতের রবীন্দ্র জাদেজার নামেই খুঁজে পাওয়া যায়।

অতএব, ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে অনন্য উচ্চতায় উঠে যাচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আরও পড়ুন: শেরপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি লাভলু মিয়া গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঘটেছে একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনা। মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আজিজুল হক (৮৫) নামের সোনালী ব্যাংকের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল বেলায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার জালকুড়ি তালতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত আজিজুল হক, ওই এলাকার মৃত হোসেন আলী শেখের সন্তান ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে নাস্তা করে বাড়ি থেকে পাশের একটি দোকানে চা পান করতে যাচ্ছিলেন আজিজুল হক। এসময় একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা মেরে সড়কে ছিটকে ফেলে। এই ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন।

আহত হওয়ার পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ছেলে মো. আমিনুল হক এই ঘটনার বিষয়ে জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে নাস্তা করার পর তার বাবা চা পান করার জন্য দোকানে বের হয়েছিলেন। কিন্তু পথিমধ্যে একটি মোটরসাইকেল এসে তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতরভাবে আহত হয়ে প্রথমে খানপুর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক এ বিষয়ে জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তরের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি যাচাই-বাছাই করার পর আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে এবং মোটরসাইকেল চালককে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আখাউড়া স্থলবন্দরে দুই দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


আখাউড়া স্থলবন্দরে দুই দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দুই দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।শনিবার (১৫ আগস্ট) ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির ব্যবসায়ীরা পণ্য গ্রহণ না করায় এদিন বন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া রোববার ভারতে সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি থাকায় ওইদিনও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আখাউড়া স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নেসার উদ্দিন ভূইয়া জানিয়েছেন, ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আগেই জানিয়েছেন।এ কারণে ব্যবসায়িক ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে শুক্রবার অতিরিক্ত পণ্য পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রোববার ভারতে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেদিনও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।তবে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।

আখাউড়া স্থলবন্দর দেশের অন্যতম রপ্তানিমুখী স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত। তবে সম্প্রতি ভারত কিছু বাংলাদেশি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় বন্দরটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত এসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

দুইদিনের ছুটি শেষে সোমবার থেকে স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে শিঙাড়া বিতরণ, বেধড়ক পিটুনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে শিঙাড়া বিতরণ, বেধড়ক পিটুনি

ঢাকার ধানমন্ডি-৩২ নম্বর এলাকায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে গিয়ে, মোবাইলে ভিডিও ধারণের অপরাধে এবং শিঙাড়া বিতরণকে কেন্দ্র করে তিন জনকে মারধরের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে সড়কের প্রবেশমুখে এই মারধরের ঘটনা ঘটল। মারধরের শিকার ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় এ মুহূর্তে জানা যায়নি।

‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ (এসডিএফ) নামে একটি সংগঠনের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে তারা পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তি এ মারধর করেছে। তারা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ করেছে।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জানা যায়, ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে প্রবেশ সড়কের মুখে একজন রিকশাচালক তার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। একপর্যায় আয়াস ওই রিকশাচালকের কাছে যান এবং তার ফোনটি চেক করেন। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই ভিডিও যুবলীগের একজনকে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জেরে সেখানে মব তৈরি হয়। এই সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা ওই রিকশাচালককে বেধড়ক মারধর করেন। পরে পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।

মারধরের সময় সেখানে উপস্থিত আরেকজন ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। তাকে মারধর করার পর তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। অপরদিকে, দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিঙাড়া বিতরণ করার অভিযোগে আরেক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। সেই ব্যক্তির হাতে একটি ব্যাগ ছিল, যার ভেতরে শিঙাড়া পাওয়া যায়। মারধরের এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তিও পালিয়ে যান।

আ ন ম আয়াস সাংবাদিকদের জানান, নিষিদ্ধ (কার্যক্রম) সংগঠন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা–কর্মীদের অপতৎপরতা রোধ করতে তারা অবস্থান করছেন। কাউকে পেলে তারা পুলিশকে জানাচ্ছেন।

যদি মব সৃষ্টি করে কাউকে মারধর করতে পারা যায়? এই প্রশ্নের জবাবে আয়াস বলেন, তিনি মব সৃষ্টি করছেন না। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ পেলে তাদের ধরে শুধু পুলিশের কাছে সোপর্দ করছেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সম্মুখীন আয়াস সেখান থেকে চলে যান।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের সহকারী কমিশনার সাদ্দাম হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তারা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে আসা একজন অর্ণব দাস নামের ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক আটক হন। তিনি ফুল দিতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অর্ণব দাসের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত পথে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা দিলেন মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


সাত পথে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা দিলেন মোদি

৮০তম স্বাধীনতা দিবসে পুরানো দিল্লির লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 'বিকশিত ভারতের' স্বপ্নের বীজ বপন করেছেন। দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে তুলে ধরেছেন এবং সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পথ দেখাবে ‘সপ্তধারা’।

যেমন বলা হয়েছে, 'সপ্তধারা' শব্দের অর্থ হচ্ছে সাতটি ধারা বা স্রোত। ভারতীয় সংস্কৃতিতে সাত সংখ্যার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যেমন, সপ্তর্ষি, সপ্তসিন্ধু বা সাতটি পবিত্র নদী। মোদী তাঁর বক্তব্যে 'সপ্তসিন্ধু' প্রসঙ্গ টেনে বর্তমানে ভারতের উন্নয়ন এবং 'সপ্তধারা'-র সঙ্গে যোগ স্থাপন করেছেন।

মোদীর বক্তব্যের মূল ভাবনা হচ্ছে, এক সময়ে ভারতের শক্তির প্রতীক ছিল সাত নদী। এখন দেশের শক্তি বাড়াতে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সেই সাতটি ক্ষেত্র হলো— উৎপাদন, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, গতি শক্তি, প্রতিরক্ষা শক্তি, সবুজ ও নীল অর্থনীতি এবং ভারতের সফট পাওয়ার।

প্রথমেই মোদী উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং-এর দিকে ইঙ্গিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ভারতকে শুধু বিদেশি পণ্যের বড় বাজার হিসেবে নয় বরং বিশ্বের অন্যতম বড় উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তাঁর মতে, বিশ্ববাজারে স্থান করে নিতে ভারতীয় পণ্যের দাম কমাতে এবং গুণমান উন্নত করতে হবে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য পর্যন্ত পুরো উৎপাদন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় ক্ষেত্র হল কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ। এখানে মোদী বলেছেন, শুধু ফসল ফলানোই যথেষ্ট নয়, সেই পণ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে বিশ্বের বাজারে পৌঁছাতে হবে। বাজরা, মশলা, ফল, সব্জি-সহ ভারতীয় কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এর উপর জোর দিয়েছেন মোদী। কৃষকদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মূল্য বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তৃতীয় ক্ষেত্রে মোদী প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবনের কথা বলেছেন। ইউপিআই এবং ডিজিটাল পরিষেবার সাফল্যের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, 'এবার আরও উন্নত প্রযুক্তির দিকে এগোতে হবে।' ডেটা সেন্টার, রোবোটিক্স, নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি এবং দেশের তৈরি ৬জি-র মতো ক্ষেত্রে কাজ বাড়ানো জরুরি বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

চতুর্থ দিক গতি শক্তির দিকে। এর মূল কথা হচ্ছে দ্রুত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন। হাইস্পিড রেল, রাস্তা, বিমানবন্দর, বন্দর, জলপথ এবং মাল্টিমোডাল পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষ এবং পণ্য দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব করতে চাইছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, দেশের বন্দরগুলিকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

পঞ্চম ক্ষেত্র হল প্রতিরক্ষা। সরকার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অস্ত্রশস্ত্রে বিদেশের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি তৈরির উপর জোর দিচ্ছে। ড্রোন, ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তি এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির মাধ্যমে ভারতকে বিশ্বের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা সরবরাহকারী দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছে।

ষষ্ঠ ক্ষেত্র হল সবুজ ও নীল অর্থনীতি। পরিবেশ রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মোদী। পুনর্নবীকরণীয় শক্তি, গ্রিন হাইড্রোজেন এবং বিদ্যুৎ সংরক্ষণে দৃষ্টি দেওয়ার কথাও এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। মৎস্য, সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং উপকূলীয় পর্যটনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শেষত ভারতের সফট পাওয়ারের প্রসঙ্গটি আসছে। অর্থাৎ ভারতের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সৃজনশীলতাকেও দেশের শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চান মোদী। যোগ, হস্তশিল্প, সিনেমা, অ্যানিমেশন, ভিএফএক্স, গেমিং, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং পর্যটনের মত ক্ষেত্রে ভারতের সাংস্কৃতিক প্রভাব বাড়ানোর পরিকল্পনা জানিয়েছেন তিনি। এ থেকে নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে বলেও আশাবাদী তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%