প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ, বিশ্বসেরা বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে। জশ হ্যাজেলউড, নাথান লায়ন, মিচেল স্টার্ক এবং প্যাট কামিন্স, যারা সকলেই টেস্টে ৩০০-এর বেশি উইকেট নিয়েছে, তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪২৬ রান। ১৩৮ ওভার ব্যাট করার পর স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড হলো ২২৮ রান।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত সাত বছরের বেশি সময়ে কোনো সফরকারী দল এত দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারেনি। একই সময়ে ২২৮ রানের লিডও গত সাড়ে সাত বছরে অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে কোনো সফরকারীর সর্বোচ্চ।
এ দারুণ ব্যাটিংয়ের পেছনে তানজিদ তামিম এবং নাজমুল হোসেন শান্তদের পাশাপাশি বড় অবদান রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। যখন তিনি ক্রিজে আসেন, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৩০৬ রান। কিছুক্ষণের মধ্যেই মুশফিকুর রহিম ফিরে গেলে দলের স্কোর ৬ উইকেটে ৩০৮ রানে পরিণত হয়। এরপর শেষ দিকের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে মিরাজ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর আউট হওয়ার আগে তিনি ১৫৪ বলে ৬৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছেন। এই ইনিংসের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সাত নম্বর কিংবা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে সর্বোচ্চ রান করার কৃতিত্ব মিরাজ অর্জন করেছেন।
মিরাজ শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাত দিয়েও বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা। তিনি অভিষেকের পর থেকে ২১৯টি টেস্ট উইকেট নিয়ে বোলারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। ব্যাট হাতে ২ হাজার ২৯৬ রান করা মিরাজ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টেস্ট রান সংগ্রাহকদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন।
অভিষেকের পর বিশ্ব ক্রিকেটে ২ হাজারের বেশি রান ও ২০০-এর বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব শুধুমাত্র ভারতের রবীন্দ্র জাদেজার নামেই খুঁজে পাওয়া যায়।
অতএব, ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে অনন্য উচ্চতায় উঠে যাচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন