মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৫ পি.এম
গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকে ইউসুফ পাঠানকে একটি বিতর্কিত জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠান, যিনি ভারতের সাবেক ক্রিকেটার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য, বরোদা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (ভিএমসি) অধীনে থাকা জমিটি পাবেন। জমির আয়তন ৯৭৮ বর্গমিটার, যা তান্দালজা এলাকায় অবস্থিত।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫০০ বর্গমিটার জমি পাঠানকে উপহার হিসেবে দেওয়া হবে, যা তিনি থাকার কাজে ব্যবহার করবেন। বাকি ৪৭৮ বর্গমিটার জমি তিনি কিনবেন, যার দাম হবে মূল্যায়ন করা দামের ৫৫ শতাংশ। ভিএমসির কমিশনার অরুণ মহেশ বাবু নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারের অনুমোদন এসেছে পাঠানের চাওয়া জমির বিষয়ে। তিনি উল্লেখ করেন, "তবে খুঁটিনাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবটিকে ভিএমসির স্থায়ী কমিটি ও সাধারণ বোর্ডের অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।" প্রথমে স্থায়ী কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করবে এবং পরে সাধারণ বোর্ডে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর, ২০২৬ সালের ১৪ জুন ইউসুফ পাঠান এবং তৃণমূলের আরও কয়েকজন বিদ্রোহী লোকসভা সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। সংক্ষেপে দলটির নাম এনসিপিআই। পাঠান এই দলের জাতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।
ভিএমসির ভূমি ও সম্পত্তি বিভাগ জমির প্রস্তাবটি তৈরি করেছে। জমিটি তান্দালজার টাউন প্ল্যানিং স্কিম ২২-এর ৯০ নম্বর চূড়ান্ত প্লট। ভিএমসির অনুমোদিত হিসাবে প্রতি বর্গমিটারের দাম ২ লাখ ১০ হাজার রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, জমির আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ কোটি ৫৩ লাখ রুপি।
সরকারের আদেশ আগস্টের শেষের দিকে ভিএমসির কাছে পৌঁছায়। এরপর ইউসুফ পাঠান হাইকোর্টে করা তার আপিল তুলে নেন, যা তার আগের দাবি খারিজের বিরুদ্ধে ছিল।
আদেশ অনুযায়ী, ৪৭৮ বর্গমিটারের দাম নির্ধারণ করা হবে ২০২৬ সালের ১৭ মার্চের মূল্যায়নে, যা বরোদা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মূল্যায়ন কমিটি দ্বারা মূল্যায়িত হয়েছে। এতে পাঠান ৪৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ভবিষ্যতে একই ধরনের মামলার জন্য নজির হবে না। রাজস্ব বিভাগ ভিএমসিকে সমান মূল্যের অন্য জমি প্রদান করবে।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে ২০১২ সালে, যখন পাঠান তার পরিবারের বাড়ির পাশের জমিটি ৯৯ বছরের ইজারায় চান। আবেদনে তিনি নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করেন এবং জানান যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে তার পরিচয়ের কারণে ঝুঁকি রয়েছে। তিনি দাবি করেন, পাশের জমি থাকার ফলে সুবিধা হবে।
স্থায়ী কমিটি ও সাধারণ বোর্ড নিলাম ছাড়াই সরাসরি তাকে জমি দিতে রাজি হয়। প্রস্তাবটি রাজ্য সরকারের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের জুনে নগর উন্নয়ন বিভাগ প্রস্তাবটি নাকচ করে, কারণ হিসেবে বলা হয়, দামি জমির জন্য প্রকাশ্য নিলাম বা খোলা দরপত্র প্রয়োজন।
ভিএমসির অভিযোগ, প্রস্তাব নাকচের পরও পাঠান জমিতে বেড়া দিয়ে দখল করেন। ২০২৪ সালের জুনে বিষয়টি আবার সামনে আসে, যখন তিনি লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হন। তখন ভিএমসি তাকে নোটিশ দেয় এবং কথিত দখল সরাতে বলা হয়।
পাঠান এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান। তার আইনজীবীরা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের জমি দেওয়ার সরকারি নীতির কথা উল্লেখ করেন। ভিএমসির যুক্তি ছিল, জমিটি পৌরসভার। নিয়ম অনুযায়ী এটি কাউকে দেওয়া যায় না।
২০২৫ সালের আগস্টে হাইকোর্ট সরকারের নাকশের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখে। আদালত বলে, বরাদ্দের আদেশ ও টাকা ছাড়া দীর্ঘদিন জমি দখলে রাখলে তাতে আইনি অধিকার জন্মায় না।
এরপর পাঠান আপিল করেন। ২০২৬ সালের জুনে শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে। আদালত জানতে চায়, বরাদ্দের নিয়ম শেষ না করে ও টাকা না দিয়ে তিনি সরকারি জমি কীভাবে দখলে নিলেন। আদালত সতর্ক করে দেয় যে, দখল চালিয়ে গেলে তার আর্থিক দায় বাড়তে পারে। ৩১ আগস্ট পাঠান শর্ত ছাড়াই আপিল তুলে নেন। এরপর তিনি জমিটি নিয়ে সুখবর পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ফরিদপুরে মাকে জবাই করে হত্যা করার অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে উদ্দিন সরদার (৩৫) কে পুলিশ আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বিএলবাড়ি ইউনিয়নের লক্ষীকোল জোলাপাড়া গ্রামে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
নিহত সূর্য খাতুন (৫০) ওই গ্রামের মো. লোকমান সরদারের স্ত্রী ছিলেন। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্দিন সরদার মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করতেন। মঙ্গলবার সকালে সূর্য খাতুন রান্না করছিলেন। এ সময় উদ্দিন তার কাছে নেশার টাকা চান। টাকা না দেওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে রান্নাঘরে থাকা কাস্তে দিয়ে মাকে জবাই করে হত্যা করে উদ্দিন পালিয়ে যান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বেলা ১১টার দিকে পাশের একটি বাড়ি থেকে উদ্দিনকে আটক করে। পুলিশ জানায়, বাড়িটির গ্রিল কেটে সেখানে প্রবেশ করে তাকে আটক করা হয়। উদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বাড়ি থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাস্তে জব্দ করা হয়েছে।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীতে মো. শাহাবাজ নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লকের ৯/৫ নম্বর সড়কের ৩৮ নম্বর বাসার নিচতলা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খিলগাঁও থানার এসআই জুবায়ের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, সকালে ভবনের দারোয়ান বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় শাহাবাজকে (২৬) উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাবাজ পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। তার বাবার নাম নাজির আহমেদ এবং তার বাড়ি পাকিস্তানের মুলতান জেলার জালালপুর থানার চাহ গোলাম মোহাম্মদ গ্রামে।
এসআই জুবায়ের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফুল হাসান মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই আবেদনটি করেন।
এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলামের আদালতে বিকেল তিনটায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিআইডির করা মামলায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টার সময় রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত বছরের নভেম্বরে রাজধানীর গুলশান থানায় সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের শোরুম ও কার্যালয়ে এই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সিআইডির অনুসন্ধানে প্রাপ্ত ব্যাংক হিসাব, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়—দিলীপ কুমার আগরওয়ালার প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড বৈধভাবে এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাত্র ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকা ৫২ পয়সার স্বর্ণবার, স্বর্ণালংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অলংকার আমদানি করেছে। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়—একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে মোট ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও ডায়মন্ড ক্রয়, বিনিময় বা রূপান্তর করেছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজার থেকে কেনা বিপুল অঙ্কের এই স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কার কাছ থেকে বা কোন উৎস থেকে কেনা হয়েছে, এ বিষয়ে বৈধ কোনো নথিপত্র সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে সিআইডি নিশ্চিত করে—ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডকে ব্যবহার করে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা দীর্ঘদিন ধরে চোরাকারবারের মাধ্যমে অবৈধ স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কেনা-বেচা করে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা উপার্জন করেছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। পরদিন তাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর তাকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই দিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় নিম্ন ও উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আইন ও বিচার বিভাগের ১১ জন শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভিসির রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিনন্দন বার্তা প্রকাশ করা হয়।
অভিনন্দন বার্তায় প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম মন্তব্য করেন, বিজেএস পরীক্ষায় আইন ও বিচার বিভাগের ১১ শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক সাফল্য তাঁদের অসাধারণ মেধা, কঠোর অধ্যবসায় ও যোগ্যতার প্রমাণ। শিক্ষার্থীদের এই অর্জন পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য একটি বিশাল গৌরবের বিষয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সুপারিশপ্রাপ্তরা তাঁদের কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবেন এবং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি, প্রো-ভিসি তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সার্বিক সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ