ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি মহল: আমান উল্লাহ আমান


সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি মহল: আমান উল্লাহ আমান

বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান অভিযোগ করেছেন যে, একটি মহল সারা দেশে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ডিলাররা কোথায় সার সংরক্ষণ করছে এবং কাকে বিতরণ করছে, এ বিষয়ে সর্বদা মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কেরানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।

আমান আরও বলেন, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টদের ফিরে আসার কোনো নজির পৃথিবীতে নেই। বর্তমানে ফ্যাসিস্টরা বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থেকে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। এজন্য সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। সামনে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা আসছে। এই পূজা উপলক্ষে ফ্যাসিস্টরা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাদক নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জের রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ কারিজ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তাইবুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুন্নাহার, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বেদৌরা আলী শিমুল, সিরাজনগর মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল হোসেন, জিনজিরা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাতুল বারী, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভার অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা। এর আগে সকালে ঢাকা-৩ আসনের আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংসদেও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে সমুদ্র ও উপকূলীয় শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


কক্সবাজারে সমুদ্র ও উপকূলীয় শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারে সমুদ্র ও উপকূলকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে ‘University of Blue Economy Sciences and Technology (UBEST)’ নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এ বিষয়ে একটি আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) প্রেরণ করেন। চিঠিতে কক্সবাজারে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিওআরআই) বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব রাখা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুল সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য সমুদ্রবিজ্ঞান, মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার, সামুদ্রিক পরিবেশ, উপকূলীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ব্লু ইকোনমি, পর্যটন ও হসপিটালিটি বিষয়ে বিশেষায়িত শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো শূন্য থেকে গড়ে তুলতে সময় এবং বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। তাই কক্সবাজারে অবস্থিত বিওআরআইয়ের বিদ্যমান অবকাঠামো, গবেষণাগার, বৈজ্ঞানিক জনবল ও গবেষণা সুবিধা কাজে লাগিয়ে UBEST-এর প্রাথমিক কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টির নিজস্ব অবকাঠামো ও অ্যাকাডেমিক কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠিতে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি ও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র জানিয়েছে।

কক্সবাজারে প্রস্তাবিত এ বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়িত হলে বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলের সামুদ্রিক সম্পদ, পরিবেশ ও অর্থনীতিকে ঘিরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সৌদীর প্রধান তেল পাইপলাইন বন্ধ থাকবে ৩-৫ সপ্তাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সৌদীর প্রধান তেল পাইপলাইন বন্ধ থাকবে ৩-৫ সপ্তাহ

সউদী আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ (পূর্ব-পশ্চিম) তেল পাইপলাইনটি ড্রোন হামলার ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এই তথ্যটি দুই সউদী কর্মকর্তার মাধ্যমে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) নিশ্চিত করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেল পাইপলাইনের একটি প্রধান পাম্পিং সুবিধাসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মেরামত করতে প্রায় ৩ থেকে ৫ সপ্তাহ সময় লাগবে। তবে, মেরামতের কাজ চলাকালীন সীমিত পরিসরে অথবা আংশিকভাবে পাইপলাইনটি সচল রাখার চেষ্টা করা হতে পারে।

এই পাইপলাইনটির গুরুত্ব কেন এত বেশি? ১,২০০ কিলোমিটার (৭৪৫ মাইল) দীর্ঘ এই ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইন প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল পরিবহনে সক্ষম।

এটি একটি কৌশলগত রুট হিসেবে কাজ করে, যেখানে হরমুজ প্রণালীতে ইরানি আক্রমণের কারণে জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলে সউদী আরব লাল সাগরের মাধ্যমে তেল রপ্তানির বিকল্প পথ হিসেবে এটি ব্যবহার করে থাকে।

হামলার ধরন সম্পর্কে বলা হচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন ব্যবহার করে এই পাইপলাইনে হামলা চালিয়েছে। হামলার পর নিরাপত্তার স্বার্থে পাইপলাইনটির কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই দীর্ঘমেয়াদী অচলাবস্থা জ্বালানি তেলের সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলনগরের উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বিনষ্ট করে প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


কমলনগরের উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বিনষ্ট করে প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে একজন শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ধ্বংস করে প্রশংসার পাত্র হয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান।

এটি ঘটেছে (আজ) সোমবার সকাল ১০ টায় কমলগরের তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, সম্প্রতি বিদ্যালয়টি মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য একটি নোটিশ জারি করে। নোটিশ অমান্য করে অষ্টম শ্রেণির মিহাদ নামে এক শিক্ষার্থী গোপনে শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে আসে, যা শিক্ষক রায়হানের দৃষ্টিতে পড়ে। শিক্ষক রায়হান তাৎক্ষণিকভাবে আইফোন মডেল -৬ টি উদ্ধার করে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামনে বিদ্যালয় মাঠে ভেঙে ফেলেন। এই ঘটনায় সহকারী শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান প্রশংসিত হচ্ছেন।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জারি করা নোটিশে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে আসা নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, 'কোনো শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তা বিনষ্ট করে দেওয়া হবে।' উল্লেখযোগ্য যে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের নোটিশে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও সু-শৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে সকল শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত পোশাক পরিধান করে এবং নিয়ম অনুযায়ী পরিপাটি ও ছোট চুল রেখে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। একই নোটিশে আবারও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তা বিনষ্ট করে দেওয়া হবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থীর টিকটক আইডি থাকে বা টিকটকে ভিডিও কনটেন্ট তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

আজ ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার, নোটিশ জারির পর অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর কাছে আইফোন পাওয়া যায়। পরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান ওই ফোনটি ভেঙে দেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পূর্বেই শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করায়, ঘটনাটিকে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় অভিভাবক এবং সচেতন মহল।

বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ এবং মোবাইল ফোনের অপব্যবহার রোধে কর্তৃপক্ষের এই কঠোর অবস্থানকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অনেকেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে প্রশংসামূলক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সমর্থকদের মতে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যখন আগে থেকেই লিখিত নোটিশের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করেছে, তখন নিয়ম অমান্যের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

সহকারী শিক্ষক নেওয়াজ শরীফ রায়হান জানিয়েছেন, শৃঙ্খলা রক্ষার্থে একটি ফোন ভেঙে দিয়ে অন্যান্য সকল শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেছি। তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন আহমেদ বাহার জানান, আমরা আগে নোটিশ দিয়ে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক সকলকে সতর্ক করেছি। বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমাদের এই উদ্যোগ। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর ভূঁইয়া বলেন, খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারবো। এটা আমার জানা নাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবি কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শ‌হিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবি কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান
কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত ও দৃশ্যমানভাবে শুরুর দাবিতে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এবং মহাসচিব আবু তাহের চৌধুরী স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটিতে নির্দিষ্ট সময়ে এর নির্মাণকাজ শুরুর সরকারি প্রতিশ্রুতি ও ঘোষণার বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবং দীর্ঘসূত্রিতায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ র‌বিবার, স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মনোয়ারা বেগম। এটি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ, মহাসচিব আবু তাহের চৌধুরী, যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ কামরুল ইসলাম, বিশিষ্ট রাজনীতিক মিতুল দাশ গুপ্ত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম একরাম হোসেন, সার্ক মানবাধিকারের বিভাগীয় মহাসচিব জাফর ইকবাল, শিশুসাহিত্যিক কবি তসলিম খাঁ, ফোরামের বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি আক্তার হোসেন নিজামী, পরিবেশ কর্মী মাসুদ রানা, বিশিষ্ট সংস্কৃতি কর্মী জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মী রোজী চৌধুরী, সাংবাদিক আবছার উদ্দিন অলি, নারীনেত্রী আফরোজা সুলতানা পুর্নিমা, তাহেরা শারমিন, সাবরিনা আফরোজা, লায়ন অলি আহমদ পিন্টু, সাংবাদিক ইলিয়াছ রিপন, জসিম উদ্দিন, এ কে আজাদ, সমাজসেবী মাঈনুদ্দিন, বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ মিসেস আজমেরী প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, একনেক অনুমোদনের প্রায় দুই বছর পরও কালুরঘাট নতুন সেতু প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ ও মূল নির্মাণকাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এতে চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। ১৪ মে ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন ও নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ ২০২৫ এর ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ১৬ নভেম্বর ২০২৪ সালে এক মতবিনিময় সভায়। বিগত ২৬ নভেম্বর ২০২৪ সালের একটি সংবাদমাধ্যমে, কালুরঘাট সেতু নির্মাণ সংক্রান্ত ফোকাল পার্সন ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) মো.  গোলাম মোস্তফা বলেছিলেন, ২০২৫ সালের মে-জুনে প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগ হয়ে যাবে, একইসঙ্গে ভূমি অধিগ্রহণের কাজও মে-জুন থেকে শুরু হবে, ডিটেইল ডিজাইন করতে এক বছর লাগবে, এরপর টেন্ডার আহ্বান করা হবে এবং এরপর সেতুর কাজ শুরু হবে। এসব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। দেশের বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্প একনেকের অনুমোদনের পর তুলনামূলকভাবে অনেক স্বল্প সময়ে নির্মাণকাজ শুরু ও সম্পন্ন করার উদাহরণ টেনে এতে বলা হয়, আন্তরিকতা, সদিচ্ছা ও যথাযথ তদারকি থাকলে এটা সম্ভব হয়।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম প্রকল্পটিকে অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা, বিলম্বের কারণ প্রকাশ, নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা, আগামী তিন মাসের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ শুরু এবং ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। স্মারকলিপিতে বলা হয়, কালুরঘাট নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর, শিল্পাঞ্চল, কক্সবাজার রেল যোগাযোগ ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সম্পর্কিত। দীর্ঘ বিলম্বে প্রকল্পের ব্যয় বাড়বে, জনদুর্ভোগ ও যানজট বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি তদারকি, বিলম্বের কারণ প্রকাশ ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে স্মারকলিপিতে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ শুরু করে ২০২৯ সালের মধ্যে সেতুটি সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দরা বলেন, চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের জনগণকে সাথে নিয়ে কালুরঘাট নতুন সেতু বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে।  চট্টগ্রামের জনগণের এই দাবি কোনো আঞ্চলিক দাবি নয়, নাগরিক ফোরামের উদ্যোগের কারণে এটি একটি জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। আমরা প্রতিটি পর্যায়ে স্মারকলিপি প্রদান করে বিভিন্ন গাফিলতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছি, কিন্তু বারবার চট্টগ্রামবাসী তাদের এই স্বপ্ন পূরণে হতাশ হয়েছে। বক্তারা আরও বলেন, অতীতে বিগত সরকারের সময় এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও একনেকে অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে বারবার স্মারকলিপি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম। এছাড়া বর্তমান নতুন সরকারের কাছেও স্মারকলিপি দিয়ে যথাসময়ে কাজ শুরু করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখনো দৃশ্যমান কাজ শুরু না হওয়ায় আবার স্মারকলিপি প্রদান করতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন স্মারকলিপি প্রদান উপলক্ষে বলেন, "কালুরঘাট নতুন সেতুর স্বপ্নটি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো অবস্থাতেই নিরব হব না। আমাদের দাবি অরাজনৈতিক এবং সামাজিক, চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা পূরণের জন্য গঠনমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ব্যানারে চট্টগ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। আমাদের সচেতন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, যতদিন না এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।”
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%