রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৩:২৭ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে সদরে অবস্থিত কাজী হারুন-অর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান। বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে তিনি এ পরিদর্শনে যান।
এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সবুজ কান্তি সিকদার।
পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে গিয়ে সরাসরি শিক্ষার্থীদের পাঠদানে অংশ নেন। তিনি সহজ উপায়ে সঠিক বাংলা উচ্চারণ, জটিল বাংলা ও ইংরেজি শব্দ সহজে উচ্চারণের কৌশল এবং সহজ নিয়মে অংক সমাধান ও নামতা মনে রাখার নিয়ম হাতে-কলমে শিখিয়ে দেন।
পাঠদান শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়ে ওয়াহিদুর রহমান বলেন, আপনারা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তান মনে করবেন। কোনো ভয়ভীতি না দেখিয়ে ওদের যেন সহজভাবে ও আনন্দমুখর পরিবেশে হাতে-কলমে শেখানো যায়, সে চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান বলেন,
"শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হলে শুধু ক্লাসরুমের পাঠদানই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ ও আনন্দদায়ক করে তুলতে হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য শিশুরা যেন ভয় না পেয়ে ভালোবাসার সাথে পড়ালেখা শেখে। শিক্ষকরা তাদের সন্তানের মতো করে যত্ন নিলে কোমলমতি এই শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত যেকোনো বিষয় আয়ত্ত করতে পারবে।
এছাড়া, কাজী হারুন-অর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও বাথরুমের সমস্যার বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ১৭৩ জন শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার স্বার্থে এসব অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অবগত করা হবে।
উল্লেখ্য, কাজী হারুন-অর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৭৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। জরাজীর্ণ ভবন ও বাথরুমের পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় শিক্ষকরা এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকি ও নানা ভোগান্তির মধ্য দিয়ে পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী আদালতে ধর্ষণ মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বাদীনীর কা/রা/দ/ণ্ড
ফেনী আদালতে দায়ের করা একটি ধ/র্ষ/ণ মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় মামলার বাদী নারীকে কা/রা/দ/ণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এই সা/জা দেওয়া হয়।
আদালত সূত্র জানায়, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। বিচার প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হয় যে, আসামিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওই মিথ্যা ধ/র্ষ/ণ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। আদালত আইন অনুযায়ী বাদীনীকে এই কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আইনজীবীরা বলছেন, এ ধরনের রায় ভুয়া বা মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা রোধে একটি দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসের জন্য নাশকতার কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে নাশকতার সুনির্দিষ্ট শঙ্কা নেই, তবে আইনবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ওষুধ তৈরির যন্ত্রও জব্দ করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা প্রধান জানান, আটককৃত এসব ওষুধের মধ্যে শিশুদের জন্য নির্ধারিত ওষুধও রয়েছে। কিছু চিকিৎসক এসব ওষুধ জেনেবুঝেই প্রেসক্রাইব করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৪। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১৩৭ কেজি গাঁজা। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৪, সিপিসি-২ এর কম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম রেজাউল হক।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের বগাবাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহিন আলম (২৩) ও মো. বাবুল (৩২)।
এসআরবি-৪ জানায়, কম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম রেজাউল হকের নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ সুপার ফয়েজ সারজিল এবং স্কোয়াড কমান্ডার হালিউজ্জামানসহ সিপিসি-২ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বগাবাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ওই এলাকায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে কয়েকজন মাদক কারবারি অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহিন আলম ও বাবুলকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ১৩৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-৪ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন স্বীকার করেছেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে আশুলিয়ায় এনে মজুদ করতেন। এরপর তারা আশুলিয়া, সাভার, ধামরাইসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে এসব গাঁজা সরবরাহ করতেন।
এসআরবি-৪, সিপিসি-২ এর কম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম রেজাউল হক বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৩৭ কেজি গাঁজাসহ দুই পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মাদকের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার শাহিন আলম ও বাবুলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন রাখিবন্ধনের একটি বিজ্ঞাপনে পোশাক নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবের বিজ্ঞাপনে তার পোশাক নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছিল। বিতর্কের মাত্রা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে বিজ্ঞাপনটি শেষ পর্যন্ত সরিয়ে নেওয়া হয়। কৃতি এবার সেই পুরনো ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলেছেন।
সম্প্রতি কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে কথোপকথনে রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনের প্রসঙ্গ উঠে আসে। কৃতি এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না, কিভাবে তার পরনের চোলি নিয়ে এত বড় আলোচনা হয়ে উঠেছিল। অভিনেত্রী বলেন, “আমি বিশ্বাস করতে পারি না, আমার পরনের চোলি নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলোচনাসভা বসেছিল।” কৃতির এই বক্তব্যে সম্মতি জানান কারিনা।
বিতর্কের শুরু হয়েছিল একটি গহনা সংস্থার রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে। বিজ্ঞাপনে কৃতিকে তার ভাইকে রাখি পরাতে দেখা যায় এবং তিনি তার পোষ্য কুকুরকেও রাখি পরিয়েছিলেন। এই বিষয় নিয়েও কিছু নিন্দুক আপত্তি জানিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে কৃতির পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। তাদের অভিযোগ ছিল, ঐতিহ্যবাহী রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনে কৃতির পোশাক যথাযথ নয়।
কিন্তু কৃতি সমালোচনার জবাব দিতে পিছপা হননি। তিনি সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন এখনও একজন নারীর পোশাক নিয়ে এত আলোচনা হয়। তার বক্তব্য ছিল, ভারতীয় পোশাকের ধরন ও উপস্থাপনায় সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে। তাই কারও পোশাক দেখে তার সংস্কৃতি বিচার করা উচিত নয়।
কৃতি আরও জানান, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য শুধুমাত্র পোশাকে প্রকাশ পায় না, বরং তা মানুষের চিন্তা ও মানসিকতার মধ্যেও বিদ্যমান।
এছাড়া কৃতি নারীর পোশাক, সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা নিয়ে একাধিক পোস্ট করেছেন। যদিও এসব পোস্টে সরাসরি রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেননি তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ