এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৭:৫৩ পি.এম
ফরিদপুরে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে ‘নাগরিক আলোচনা ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে শহরের থানা মোড়ে ব্যাংক এশিয়ার সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ফরিদপুর নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. ইলিয়াস মোল্লা, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মুদাররেস আলী ঈসা, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এএফএম কাইয়ুম জঙ্গি, জমিয়তুল উলামা বাংলাদেশ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মুফতি কামরুজ্জামান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মিয়া, ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন বাবর, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. সালাম লাল, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন মিধা, অশোক সিংহ রায়, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক টুলু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী রিয়াজ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব ও রাজবাড়ী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শওকত আলী মোল্লা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দেশ নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এ পরিবর্তনে ছাত্র-জনতার অবদান গুরুত্বপূর্ণ এবং তাঁদের আত্মত্যাগ ও ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা উচিত। বক্তারা বলেন, তাঁদের অবদান না থাকলে এ পরিবর্তন সম্ভব হতো না।
বক্তারা গত ১৭ বছরে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, ওই সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং অনেককে দীর্ঘদিন কারাভোগ করতে হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। এ জন্য রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।
সভায় ফরিদপুরের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা, পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সব সম্প্রদায়ের মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
এর আগে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থলে এসে সমবেত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতিহাস তৈরি করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চে অভিষেক হয়েছে বৈভব সূর্যবংশীর। ১৫ বছর বয়সী এই কিশোর, যিনি টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করলেন।
সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটারদের তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন পাকিস্তানের হাসান রাজা। ১৯৯৬ সালে তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেছিলেন।
ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে ১৫ বছর ৯৯ দিনে অভিষিক্ত হয়েছেন সূর্যবংশী। ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে শচীনের টেস্ট অভিষেকের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর ২০৫ দিন। গত ৩৭ বছর ধরে পুরুষ ক্রিকেটে তা ছিল শচীনের দখলে। কিন্তু এবার সূর্যবংশী সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন।
আজ ৪ জুন, ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ড ও ভারতের সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছে সূর্যবংশীর। আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার কারণে এই ম্যাচে বাদ পড়েছেন সানজু স্যামসন। তাঁর পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন সূর্যবংশী।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের আগেই বৈভব বিশ্বক্রিকেটে অনেক বড় নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বিশেষ করে আইপিএলে গত দুই মৌসুমে একাধিক রেকর্ড গড়ে তিনি বিশ্বক্রিকেটে নিজের আগমন বার্তা আগে থেকেই দিয়ে রেখেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় অবহিত করা হয়, এসব কলকারখানায় বিনিয়োগে বহু বেসরকারি কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে। কোম্পানিগুলো যে ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই করা হবে।
হাসান শিপলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি অনাবশ্যক সময়ক্ষেপণ থেকে এড়িয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর উপস্থিত ছিলেন।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে কাজ করার জন্য পুলিশের বিশেষায়িত দুটি ইউনিট, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), এর নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এটিইউর নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ) করা হবে এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সিটিটিসির নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি (এসএসইউ-ডিএমপি) রাখা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে এটি বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে।
গত ৭ জুন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি প্রস্তাবে এটিইউর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ)’ করার অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। পরের দিন, ৮ জুন, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো এক পৃথক চিঠিতে সিটিটিসির নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি (এসএসইউ-ডিএমপি)’ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখার এএইচএম শাহাদাত হোসেন বলেন, ইউনিটগুলোর কার্যকারিতা আরও জোরদার করতে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা যে মূল নিরাপত্তা-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে আসছে, তা বহাল থাকবে।
তিনি আরও জানান, এটিইউ ও সিটিটিসির নতুন নামকরণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
আইজিপির পক্ষে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এডিশনাল আইজিপি) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেটের বিস্তার এবং তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকির ধরনগুলোর পরিবর্তন ঘটেছে। এজন্য প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও আধুনিক করার প্রয়োজন রয়েছে।
প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উগ্রবাদী ও জঙ্গি সংগঠনগুলো এখন হামলার পরিকল্পনা, অর্থায়ন এবং বাস্তবায়নে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তারা ধর্মের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল মাধ্যমে তরুণদের গোপন 'স্লিপার সেল'-এ যুক্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এসব পরিবর্তিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য এটিইউকে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট’ রূপান্তরের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ইউনিটটি শুধু জঙ্গিবাদ দমনেই নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, জাতীয় স্থিতিশীলতা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, আরও বিস্তৃত ভূমিকা পালন করবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, 'স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট' নামটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হওয়ায় বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সহজ হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ও আরও বাড়াতে সাহায্য করবে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে রাজধানীর হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট হিসেবে এটিইউ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে সংস্থাটি। এরপর থেকে সারা দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ইউনিটগুলোর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ভবঘুরে, ভিক্ষুক এবং মাদকাসক্তদের উৎপাত বন্ধ করার উদ্দেশ্যে পুলিশ গতকাল সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে ৮২ জনকে আটক করা হয়েছে বিমানবন্দর থানা পুলিশের মাধ্যমে।
শনিবার ভোর ৫টা থেকে শুরু হয়ে, বিমানবন্দর গোলচত্বর, বিআরটিএ স্টেশন, বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, পুলিশ বক্সের আশপাশ, বিমানবন্দরের প্রবেশপথ, ভিভিআইপি ও ভিআইপি রোডসহ সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে ৫৮ জন মাদকাসক্ত পথশিশুর পাশাপাশি অন্যান্য অপরাধে জড়িত ২৪ জনের সহযোগিতায় মোট ৮২ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত শিশুদের সুরক্ষার জন্য ‘শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তার’ মাধ্যমে শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর এলাকায় ভবঘুরে, ভিক্ষুক ও মাদকাসক্তদের কোনো অবস্থাতেই অবস্থান করতে দেওয়া হবে না। বর্তমানে পুলিশের টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবिक রয়েছে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ