০২:৪৫ পি.এম
বৃষ্টি কমে যাওয়ায় রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হতে শুরু করেছে। তবে জনভোগান্তি এখনও কমেনি। রোববার সকালে বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষ এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। বিশেষ করে জেলার বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র ত্যাগ করতে শুরু করেছে। বাঘাইছড়ির বাসিন্দা জমির জানান, ‘চলমান বন্যায় আমার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় সব মাছ চলে গেছে। দুই বছর ধরে এই মাছগুলো লালন-পালন করেছি। প্রতিটি মাছে ওজন ছিল ৩ থেকে ৪ কেজি। আশা করেছিলাম কিছু দিনের মধ্যে মাছগুলো বিক্রয় করবো। তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। এতে আমার প্রায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি কিভাবে কাটিয়ে উঠবো জানি না।’ একই উপজেলার সাধন চাকমা জানান, ‘আমার জমির প্রায় কয়েক লাখ টাকার সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। সাথে ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। পানি নামার পর কীভাবে ধানের চাষ করবো জানি না। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’ অন্যদিকে বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। বন্যাকবলিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কমতে থাকায় উপজেলা বন্যা পরিস্থিতি এখন উন্নতি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে দুই এক দিনের মধ্যে সব মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবেন। তারা আরও জানিয়েছেন যতদিন এ অবস্থা থাকবে ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন