১০:৪৫ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইরানের কেশম দ্বীপে নতুন করে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছেন।
শুক্রবার তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী দ্বীপটিতে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সীমিত হামলা করেছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘অনেক অগ্রগতি’ হয়েছে।
ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, “আমরা ছোটখাটো হামলা চালাই। তারা একটি ছোট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছিল। আমরা সেটি প্রায় ১৫ মিনিটে, হয়তো পাঁচ মিনিটেই ধ্বংস করে দিয়েছি।”
হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর প্রকাশের পর ট্রাম্প এ কথা বলেন। এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি, যেখানে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দেশটির সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন শনাক্ত করে তা প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
দ্বীপটিতে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, কেশম দ্বীপের আশপাশের পরিস্থিতি ‘মোটামুটি শান্ত’। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই কমান্ডের এক কর্মকর্তা আলজাজিরাকে বলেন, তারা বিস্ফোরণের খবর সম্পর্কে অবগত আছেন। তবে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম আরো জানায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তথ্যদাতাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচির স্থাপনা, সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্যের পাশাপাশি এসবের যেকোনো একটির স্থানান্তর সম্পর্কেও তথ্য চেয়েছে। বিজ্ঞানীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্যও এর আওতায় রয়েছে।
এর আগে সোমবার কেশম দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের খবর দিয়েছিল ইরানের সংবাদমাধ্যম। একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকবার দাবি করেন, তার প্রশাসন তেহরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা এখন তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তারা একটি চুক্তি করতে চায়।”
ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে কী বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে—এমন খবর প্রত্যাখ্যান করেছে কাতার। শনিবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার বিষয়ে প্রচারিত খবর ভিত্তিহীন। এ ধরনের দাবি শুধু তাদেরই লাভবান করে, যারা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে এবং অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করতে চায়।
যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা খাওয়ার পর শুক্রবারই ইরানে প্রথম হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেল। নির্বাচনের ফলাফলের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর থেকে ইরান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে একধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কখনো তিনি তেহরানকে নতুন করে হামলার হুমকি দিচ্ছেন, আবার কখনো যুদ্ধের অবসান কাছাকাছি বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বাকি অংশ ‘ধ্বংস’ করতে হতে পারে। এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা ‘শিগগিরই’ জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে বুধবার নাম প্রকাশ না করা পেন্টাগনের কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডাররা নিউইয়র্ক টাইমসকে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার জন্য মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি এবং এক ডজনের বেশি যুদ্ধজাহাজে হাজার হাজার মার্কিন সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্য প্রস্তুত আছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দেশ দিলেই তাঁরা বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারবেন।
ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানে পূর্ণমাত্রার হামলা আবার শুরুর সম্ভাবনার ইঙ্গিত আসার পর তেহরানও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে টোলমুক্ত থাকবে ছয় ঘণ্টার জন্য। অনুমোদিত সব যানবাহন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টোল ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। এরপর পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী টোল আদায় শুরু হবে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনের কাছ থেকে কোনো টোল নেওয়া হবে না।
বর্তমানে এক্সপ্রেসওয়ের টোল যানবাহনের শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে কার, ট্যাক্সি, এসইউভি, ১৬ আসনের কম মাইক্রোবাস ও তিন টনের কম ওজনের হালকা ট্রাকের জন্য টোল ৮০ টাকা। ১৬ আসন বা তার বেশি আসনের বাসের জন্য ১৬০ টাকা, ছয় চাকার মাঝারি ট্রাকের জন্য ৩২০ টাকা এবং ছয় চাকার বেশি ভারী ট্রাকের জন্য ৪০০ টাকা টোল দিতে হয়।
তবে, রিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ দুই ও তিন চাকার যানবাহন এক্সপ্রেসওয়ে চলাচলের জন্য নিষিদ্ধ। টোলমুক্ত সুবিধার সময়েও এসব যানবাহনের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মাণাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরসংলগ্ন কাওলা থেকে ফার্মগেটের তেজগাঁও পর্যন্ত অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে ওই অংশে যানবাহন চলাচল করছে।
প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কাওলা থেকে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কথা রয়েছে। তবে পুরো প্রকল্পের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে মন্তব্য করেছেন যে, শুধু পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর নয়, বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দরও ‘পুনরুদ্ধার’ করা উচিত। তার দাবি, দেশভাগের সময় ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নীতির কারণে এসব অঞ্চল পাকিস্তানের হাতে চলে যায়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঝাড়খন্ডের গোড্ডা আসনের এই লোকসভা সদস্য এসব বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
নিশিকান্ত দুবে বলেন, নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর একসময় ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল। তিনি দাবি করেন, দেশভাগের সময় তৎকালীন রাজা বীর বিক্রম সিংয়ের আপত্তি উপেক্ষা করে নেহরু এসব অঞ্চল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, তৎকালীন ত্রিপুরার রাজা নেহরুকে প্রশ্ন করেছিলেন, কোন অধিকারে তিনি তার রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। রাজা বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, পাকিস্তানে যাওয়া কিংবা স্বাধীন থাকার সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নেবেন।
বিজেপির এই নেতা বলেন, ‘নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর তিনটিই ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ। নেহরুকে রাজা প্রশ্ন করেছিলেন, কীভাবে তিনি নোয়াখালী পাকিস্তানকে দিতে পারেন কিংবা সিলেট ও চট্টগ্রামে গণভোট করাতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, এটা আমার রাজ্য। আমিই ঠিক করব ভারতের সঙ্গে থাকব, পাকিস্তানে যাব নাকি স্বাধীন থাকব।’
নিশিকান্ত আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে সরদার বল্লভভাই প্যাটেল সেনা পাঠানোর পর ১৯৪৮ সালের অক্টোবরে ত্রিপুরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মহারানি কাঞ্চনপ্রভা দেবী ভারত অন্তর্ভুক্তির চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
১৯৪৬ সালের নোয়াখালীর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রসঙ্গ টেনে নিশিকান্ত দুবে অভিযোগ করেন, ওই সময় নেহরু নোয়াখালীর পরিস্থিতির দিকে যথাযথ নজর না দিয়ে মুসলিম লীগকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন। তার দাবি, ১৫ অক্টোবর এক দিনেই নোয়াখালীতে ১০ হাজার হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও নেহরু সেখানে যাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পেছনেও চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রণ না থাকাকে দায়ী করেন নিশিকান্ত। তার মতে, বন্দরটি ভারতের হাতে থাকলে ওই অঞ্চলের খনিজ ও গ্যাসসম্পদ ব্যবহারের পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থারও উন্নয়ন সম্ভব হতো।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজ উত্তর-পূর্বাঞ্চল যে পিছিয়ে রয়েছে, সেখানকার খনিজ সম্পদ এবং মজুত গ্যাসের সদ্ব্যবহার করা যাচ্ছে না, ওই তল্লাটে এখনো যদি বিচ্ছিন্নতাবোধ টিকে থাকে, তাহলে তার একমাত্র কারণ হলো চট্টগ্রাম বন্দর হাতে না থাকা। তাই সময় এসেছে নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার করার।’
সিলেটের গণভোট পরিচালনাকারী বাহারুল ইসলামকে নিয়েও অভিযোগ করেন বিজেপির এই সংসদ সদস্য। তার দাবি, বাহারুল ইসলাম মুসলিম লীগ রেড আর্মির সদস্য ছিলেন এবং নোয়াখালীর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে কংগ্রেস তাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য এবং হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বানিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিশিকান্ত দুবের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ত্রিপুরার রাজপরিবারের বংশধর ও তিপ্রা মথা দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোৎ বিক্রম মাণিক্য দেববর্মা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, দেশভাগের সময় তার দাদিকে অন্ধকারে রেখে ত্রিপুরার একটি বিশাল অংশ পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল ঐতিহাসিক ভুল।
প্রদ্যোৎ আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকলে শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে ভারতকে এতটা দুশ্চিন্তায় থাকতে হতো না।
উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন নিশিকান্ত দুবে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং বিহারের কাটিহার ও কিষানগঞ্জ নিয়ে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের দাবি জানিয়েও বিতর্কের জন্ম দেন তিনি। এ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগের ক্ষেত্রেও অভিযোগকারী হিসেবে তাঁর নাম সামনে এসেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এসআরবি-৬-এর স্পেশাল কম্পানির একটি আভিযানিক দল সুন্দরবনের বনদস্যু ‘জোনাব’ বাহিনীর প্রধান জোনাব আলীকে আটক করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ১১টার সময় খুলনা মহানগরীর হরিণটানা থানার কৈয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটক হওয়া জোনাব আলী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর গ্রামের মৃত কেরামত আলীর পুত্র।
এসআরবি-৬-এর সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে জোনাব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিয়মিত মামলার আসামি, বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি এবং চাঞ্চল্যকর হত্যা ও ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে এসআরবি-৬ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ