০৮:১৮ এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজারের বেশি ভোটারের ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট গণনা বন্ধ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে। প্রশাসনের দাবি, এই ভোটাররা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন।
জরুরি ভিত্তিতে সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক দিন আগে এই আবেদনটি করা হয়।
ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের আইনি লড়াইয়ে এটি সর্বশেষ ঘটনা।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে ২৫টি পোশাক কারখানা আজও বন্ধ
ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার যোগ্য ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছে। তারা চায়, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) কর্তৃক তৈরি করা একটি তালিকায় থাকা ভোটারদের ব্যালট আলাদা করে রাখতে ক্যালিফোর্নিয়াকে নির্দেশ দেওয়া হোক। এই ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ব্যালটগুলো আলাদা রাখার দাবি করেছে বিভাগটি।
বিচার বিভাগের যুক্তি হলো, অন্য ব্যালটের সঙ্গে মিশে গেলে, পরে ওই ভোটারদের অযোগ্য প্রমাণিত হলে তাদের ব্যালট শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলার কোনো উপায় থাকবে না।
কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া বলছে, তালিকাটি নির্ভরযোগ্য নয় এবং এতে হাজার হাজার মার্কিন নাগরিকের নাম থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: বেলজিয়াম ও সুইডেনের সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা
অক্টোবরের শুরু থেকেই সেখানে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক লাখ ব্যালট প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয়েছে। রাজ্য কর্মকর্তারা বলছেন, বিতর্কিত তালিকায় থাকা ভোটারদের ব্যালট আলাদা করা প্রায় অসম্ভব।
গত সপ্তাহে এক ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন খারিজ করে দেন। তিনি তালিকায় থাকা তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিচারক ডেভিড কার্টার লিখেছেন, ‘নির্বাহী বিভাগ যদি অপ্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে ভোট বাতিল করতে পারে এবং চলমান নির্বাচনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে, তাহলে আমাদের গণতন্ত্র বিপদে পড়বে।’
শুক্রবার একটি ফেডারেল আপিল আদালতও প্রশাসনের আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন