০৪:৫৩ পি.এম
উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর জেলায় মসজিদের লাউডস্পিকার থেকে আজানের আওয়াজ শোনা যাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এক মুসলিম ধর্মগুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
একটি হিন্দি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উমেশ প্রতাপ সিং এবং পুলিশ সুপার (এসপি) কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই গত শনিবার ‘সমাধান দিবস’ নামক একটি গণ-অভিযোগ নিষ্পত্তি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় মকবরা এলাকার একটি মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি শোনেন।
এরপর পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশকে ঘটনাস্থলে তলব করেন। পুলিশ মসজিদে লাগানো লাউডস্পিকারটি বাজেয়াপ্ত করে এবং মুহাম্মদ ফাইজানকে হেফাজতে নেয়।
আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু
পুলিশের অভিযোগ, লাউডস্পিকারটির আওয়াজ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি ছিল। সাব-ইন্সপেক্টর সৌরভ কুমার একটি অভিযোগ দায়ের করেন এবং তার ভিত্তিতে মুহাম্মদ ফাইজানের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়।
স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ফাইজানকে শান্তিভঙ্গের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তীতে তাকে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে, মসজিদটিতে শব্দের ডেসিবেল মাত্রা কত ছিল বা কোনো কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার আগে তা মেপে দেখেছিল কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
লাউডস্পিকার ব্যবহারের নিয়ম কার্যকর করার ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগে এসপি বিট কনস্টেবল ললিত কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।
আরও পড়ুন: লুলার বিজয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা, ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ
এসপি বিষ্ণোই জানান, ধর্মীয় স্থানগুলোতে নির্ধারিত মাত্রার বেশি জোরে লাউডস্পিকার বাজাতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন যে, ধর্মীয় নেতাদের আগেই সতর্ক করা হয়েছে এবং নিজ নিজ এলাকায় শব্দবিধি মানা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করে বিট কনস্টেবলদের কাছ থেকে মুচলেকা বা হলফনামা নেওয়ার জন্য সব থানার ওসি-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, এর পরও যদি কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) এবং বিট কনস্টেবল উভয়ের বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন