ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেসরকারিভাবে জ্বালানি আমদানিতে আপত্তি নেই, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন


বেসরকারিভাবে জ্বালানি আমদানিতে আপত্তি নেই, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন

বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের মহাসচিব ও জেওসিএল লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এয়াকুব জানিয়েছেন, "সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানও বর্তমানে তেল আমদানি করছে।" তিনি বলেন, "তারেক রহমানের সরকার, জনগণের সরকার। জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটার সঙ্গে আমরা একমত।"

মুহাম্মদ এয়াকুব আরও বলেন, "বাংলাদেশের অনেক ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি করে। সেই তেল তারা পরিশোধন করেন। সেই তেলও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মাধ্যমে আমরা বিক্রি করি। অর্থাৎ ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তেল আমদানি এখন চলমান রয়েছে।"

তিনি বলেন, "সরকার যদি বেসরকারিভাবে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করার উদ্যোগ নেয়, তাহলে তাদের আপত্তি নেই। আমাদের মতামত হচ্ছে—আমরা প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন তার সঙ্গে একমত।" কারণ, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "উন্নয়নের জন্য, দেশকে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছেন। তার কথার ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে।"

আরও পড়ুন: পিরোজপুরের কৃষকরা ভাসমান কৃষির মাধ্যমে বদলে দিচ্ছেন দৃশ্যপট

রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে যমুনা অয়েল কম্পানি লিমিটেড (জেওসিএল) কার্যালয়ে 'যমুনা ভবনে'র অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের হয়রানি, অস্থায়ী শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণসহ বিভিন্ন দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে জেওসিলসহ জ্বালানি খাতের সর্বস্তরের শ্রমিক-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

ফেডারেশনের মহাসচিব বলেন, "দেশের আয়তনের চাইতে জনসংখ্যা অনেক বেশি। তাই এই জনসংখ্যার মৌলিক অধিকার পূরণ করতে গিয়ে সরকারকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনের জন্য দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করে যে ধরনের সিদ্ধান্ত নেবে সেটার সঙ্গে আমরা একমত পোষণ করি।"

তিনি বলেন, "যেহেতু তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার, শ্রমিকবান্ধব সরকার। আমরা মনে করি, এমন কোনো কিছু তিনি চাপিয়ে দেবেন না, যেটায় এই সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হবে, দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"

আরও পড়ুন: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২৮৮ প্রাণ

জেওসিএল-এর এই নেতা অভিযোগ করেন, "সরকারে ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল শ্রমিক অধিকার খর্ব করে জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে।

সেই লক্ষ্যে, অযাচিত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শ্রমিকদের বিদ্যমান ২২টি সুনির্দিষ্ট সুবিধা কর্তনের পাঁয়তারা, দ্বিপক্ষীয় চুক্তিনামার মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা যুগোপযোগী করায় গড়িমসি, জ্বালানি খাতে শ্রম আইনকে শ্রমিকবান্ধবের পরিবর্তে শ্রমিকবিরোধী আইনে পরিণত করার তোড়জোড় চলছে।"

শ্রমিক নেতা এয়াকুব বলেন, ‘সরকার শ্রমিকদের নায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলছে। এ জন্য নানামুখী উদ্যোগও গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু জ্বালানি খাতে এর উল্টোটাই ঘটছে। বিপিসির আওতাধীন পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, এসএওসিএল, এলপিজিসহ বিভিন্ন কম্পানিতে শ্রমিকদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিবর্তে কমানোর পাঁয়তারা চলছে।’

তিনি যোগ করেন, "শ্রমিক নেতাদের নানাভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের নায্য অধিকার আদায়ের পথ রুদ্ধ করার অপচেষ্টাও হচ্ছে। শ্রমিক-কর্মচারীরা জ্বালানি খাতে শান্তি চায়।"

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৩৫৪ জন গ্রেফতার

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "আমরা জানিয়ে দিতে চাই, জ্বালানি খাতে কাউকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। শ্রমিক-কর্মচারীরা কেবল তাদের নায্য অধিকার চায়। হয়রানি বন্ধ চায়। অযাচিত হস্তক্ষেপমুক্ত পরিবেশ চায়।"

সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি থেকে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। সেগুলো হলো- দুই বছর পর পর দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে বিপিসির তেল বিপণন কম্পানিগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা যুগোপযোগী করা হয়। কিন্তু সর্বশেষ চুক্তির মেয়াদ ১৯ মাস পার হতে চললেও কম্পানিসমূহের অবহেলা ও গড়িমসির কারণে নতুন চুক্তি করা যাচ্ছে না।

এ ছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে গত ১৭ জুন বিপিসির আওতাধীন কম্পানিগুলোর প্রান্তিক সুবিধা নীতিমালা-২০২৬ (খসড়া) প্রণয়ণের নামে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিদ্যমান ২২টি সুবিধা কাটছাঁট করতে চাইছে।

একইভাবে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) এর ২ (৬২) ধারায় সংজ্ঞায়িত ‘শিল্প বিরোধ এবং শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তি’ সংক্রান্ত ধারা- ২০৯, ২১০ ও ২১১ রহিতকরণের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা সিবিএ নেতাদের ক্ষমতা খর্ব করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সাজেকে দুই ঘণ্টা গোলাগুলিতে সেনা সদস্যসহ আহত ৬

আবার খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকেই গত ২৬ জুলাই জারি করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিপিসির পরিচালককে (অপারেশন) আহ্বায়ক করে আট সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে তেল বিপণন কম্পানিগুলোতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম মনিটরিং এবং জবাবদিহির সুপারিশ চাওয়া স্পর্শকাতর এই খাতের শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন কম্পানিতে বেশকিছু সংখ্যক শ্রমিক কম্পানি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার শ্রমিক হিসেবে ‘নো ওয়ার্ক, নো পে’ ভিত্তিতে খুবই অল্প বেতনে চাকরি করে আসলেও লোকবল নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে না।

যমুনা অয়েল কম্পানি লেবার ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পদ্মা অয়েল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি জসিম উদ্দিন, এলপিজি শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি মনির হোসেন, বিপিসির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পদ্মা অয়েল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সেলিম কবির চৌধুরী, যমুনা অয়েল লেবার ইউনিয়নের সহসাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ মন্নান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন হচ্ছে জ্বালানি তেল ও গ্যাস খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের শীর্ষ সংগঠন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পদ্মা অয়েল কম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেড, যমুনা অয়েল কম্পানি লিমিটেড, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কম্পানি লিমিটেড ও এলপি গ্যাস লিমিটেডের সিবিএ সংগঠনগুলো নিয়ে সম্মিলিত সংগঠন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ট্রেন লাইচ্যুত, ২৪ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রফতানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রফতানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য নতুন বাজার খুঁজে বের করার লক্ষ্যে দেশের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশে বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর ও হাওর অলস অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে এসব জলাশয় সংস্কার করে মৎস্য পোনা ছাড়ার একটি উদ্যোগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বেকার তরুণদের মধ্যে এসব জলাশয় ব্যবহারের সুযোগ বণ্টন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেন তাদের কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।’

রবিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের এই অনুষ্ঠানে ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণ পদক) প্রদানের সম্মান দেয়া হয়েছে।

এবারের জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘রুপালী মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার লক্ষ্যে হাওর ও জলাশয়ের পরিবেশ রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষ হয়তো মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত। মাছকে যদি রক্ষা করতে চাই, তাহলে আমাদের পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘যদি আমরা পরিবেশকে রক্ষা করতে পারি, তাহলে যেমন একটি সুস্থ পরিবেশে বসবাস করতে পারব, তেমনি আমাদের সন্তানরাও আগামীতে সুস্থ পরিবেশে জীবনযাপন করতে সক্ষম হবে। একইভাবে আমাদের মৎস্য, পশু-সম্পদসহ সবকিছু একটি সুস্থ পরিবেশে গড়ে তুলতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন আবর্জনা, টিস্যু পেপার এবং প্লাস্টিকের পানির বোতল ফেলার কারণে ধীরে ধীরে আমাদের খাল-বিল, নদী-নালা ও হাওর-জলাশয়ের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা যদি পরিবার, পরিবেশ, মাছ ও পানি রক্ষা করতে চাই এবং পরিবেশ দূষণ রোধে সচেতন হতে চাই, তাহলে সকলের উচিত সচেতন হওয়া।’

মৎস্য খাতের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্বের ৫২টি দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট জলজ প্রাণী উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৫ম এবং অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আহরণে ২য় স্থান অর্জন করেছে।’

মৎস্য খাতে বিভিন্ন আধুনিক পদক্ষেপের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুলনা অঞ্চলে ৩০০টি ক্লাস্টার গঠনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০টি ঘেরে উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে। চকরিয়ায় ৭ হাজার একর জমিতে ‘শ্রিম্প সিটি’ বাস্তবায়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান ও অবকাঠামো উন্নয়ন চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান প্রায় ১০ শতাংশ, যা জাতীয় জিডিপির ১ শতাংশের বেশি। বিগত বিএনপি সরকারের সময় প্রবর্তিত ‘ইলিশ ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান’-এর ধারাবাহিকতায় দেশে ইলিশ উৎপাদন অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

মৎস্যজীবী ও জেলেদের সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘দেশে বর্তমানে প্রায় ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই খাতের উপর নির্ভরশীল। মৎস্য চাষীদের কৃষক কার্ড প্রদান, জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম চলছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো সুন্দরবন ও হাওর অঞ্চলে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের জন্য ভিজিএফ সহায়তা প্রদান করা হবে।’

প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার ‘স্টার্টআপ ফান্ড’ প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’

তিনি জানান, ‘এই ফান্ড থেকে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপের জন্য ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুদান (গ্রান্ট) প্রদান করা হবে। সুতরাং আমি নতুন উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, এই সুযোগ গ্রহণ করে এগিয়ে আসুন।’

বাংলাদেশের ভাগ্যোন্নয়নে মৎস্য ও পশুসম্পদ যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গত জুন মাসে নাইজেরিয়াতে হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করা হয়েছে। বিদেশে নিত্যনতুন পণ্যের বাজার খুঁজে বের করার জন্য আমি উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ীদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই। সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব দেলোয়ার হোসেন এবং মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. খালেদ কনক বক্তব্য রাখেন।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী শোলাকিয়া মাঠে বৃক্ষরোপণ এবং কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধানমণ্ডিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গ্রেপ্তার দুই নারী কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


ধানমণ্ডিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গ্রেপ্তার দুই নারী কারাগারে

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরূপ প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া দুই নারীকে, যাদের নাম সুমা বড়াল ওরফে ডলি এবং জান্নাতুল ফেরদৌস ওরফে জান্নাত, ছয় মাস আগে দায়ের হওয়া এক সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট), ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামিদের জামিনের জন্য আবেদনটি নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২৫ আগস্টের জন্য ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তারা। শনিবার রাতে সেখানে যাওয়ার পর পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

রবিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সোলায়মান সুমন আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

আসামি সুমা বড়ালের পক্ষে আইনজীবী লিটন মিয়া এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের পক্ষে আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আবুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডি থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোডে মহিলা আওয়ামী লীগের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সমবেত হন।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে। এ সময় কিছু ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে আটক হওয়া ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িততার কথা স্বীকার করেন। এরপর ওই ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। আজ দুই নারীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‌্যালি ও পোনা অবমুক্তকরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


সাতক্ষীরায় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‌্যালি ও পোনা অবমুক্তকরণ

সাতক্ষীরা, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলায় আজ ‘রুপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন উপলক্ষে একটি র‌্যালি, আলোচনা সভা, মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে আজ রোববার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। সেই র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে সদরের উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপত্বি করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি এম সেলিম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহিনুর রহমান চৌধুরী, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু এবং সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, সাতক্ষীরা জেলা পোনা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা, সদর উপজেলা সহকারী সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে মৎস্য চাষীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নে আসছে ই-জিপি ২.০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নে আসছে ই-জিপি ২.০

ঢাকা, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও নাগরিকবান্ধব করতে সরকার ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ২.০ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। দেশজুড়ে এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের জন্য একটি রোডম্যাপও তৈরি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন এবং বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান বাসস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন।

কামরুজ্জামান বলেছেন, ২০০১ সালে সংস্কার কার্যক্রম হিসেবে শুরু করা সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা বর্তমানে দেশের ডিজিটাল সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত হয়েছে। এই খাতে সংস্কার কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

তিনি জানিয়েছিলেন, ২০০৩ সালের সরকারি ক্রয় প্রবিধানের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার সংস্কার শুরু হয়। পরে ২০০৬ সালে সরকারি ক্রয় আইন এবং ২০০৮ সালে সরকারি ক্রয় বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। সর্বশেষ, ২০২৫ সালের সরকারি ক্রয় বিধিমালা এবং সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার আরও অগ্রগতি ঘটানো হয়েছে।

২০২৩ সালে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটকে (সিপিটিইউ) একটি স্বায়ত্তশাসিত নিয়ন্ত্রক সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। এতে করে সংস্থাটির দায়িত্ব ও কার্যপরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিপিপিএ প্রধান বলেন, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা, নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আরো আধুনিকীকরণে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি সরকারি ক্রয় আইন ও সরকারি ক্রয় বিধিমালা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুপারিশ করবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব সংস্কার বাস্তবায়নে চেষ্টা করা হচ্ছে।

সরকারি ক্রয়ের পরিধি গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্যরূপে বেড়েছে বলেও কামরুজ্জামান জানান। তিনি বলেন, ২০০৩ সালে সরকারি ক্রয়ের বার্ষিক বাজার ছিল প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার কোটি ডলারে। বর্তমানে এর পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় বাজেট ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এর আকার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সরকারি ক্রয়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে। তাই এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনবল তৈরি করাটা খুবই প্রয়োজন।

এই লক্ষ্যে সামনে রেখে সম্প্রতি বিপিপিএ তিনটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালার আয়োজন করেছে। এসব কর্মশালায় ই-জিপি ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও বিপিপিএ’র প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ ও ক্রয় বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ পাওয়া গেছে বলে জানান বিপিপিএ প্রধান।

টেকসই ক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, সরকারি ক্রয়কে শুধুমাত্র ব্যয় সাশ্রয়, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারবে না। এটিকে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি করার একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তার মতে, সরকারি ক্রয়ব্যস্থায় টেকসই উন্নয়নের নীতি অন্তর্ভুক্ত করা, পরিবেশবান্ধব এবং জলবায়ুসহনশীল ক্রয়ব্যবস্থার প্রসার, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, স্থানীয় শিল্পকে সহায়তা দেওয়া, ডিজিটাল ক্রয়ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং পুরো প্রক্রিয়ায় অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিপিপিএ সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি তুলে ধরে কামরুজ্জামান জানিয়েছেন যে, ২০১০ সালে একটি সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গড়ে প্রায় ১০০ দিন সময় লাগত। বর্তমানে তা কমে ৫৪ দিনে নেমে এসেছে।

ই-জিপি চালুর আগে মূল দরপত্রের মেয়াদের মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতো। বর্তমানে এই হার ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

এছাড়া, চুক্তি প্রদানসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের হার ১৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে শতভাগে পৌঁছেছে। একইভাবে, দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে শতভাগে উন্নীত হয়েছে।

বিপিপিএ প্রধান বলেন, এসব পরিবর্তনের ফলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা, জবাবদিহি ও প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%