বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৩২ এম
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার কারণে ইরানের ওপর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে নতুন আকার নিয়েছে। এই জটিলতার ফলে হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আরেকটি জলপথ বাব আল-মান্দেব বন্ধ করারও হুমকি দিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা।
এ পরিস্থিতিতে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম টানা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দাম চতুর্থ দিনের মতো বেড়ে প্রতি ব্যারেল তেল ৯৫ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ মূল্য। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে, যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনায় জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে।
বাজারসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং ইকোনমিকস জানাচ্ছে, গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৩.৫৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮৭.৩৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একইসাথে ব্রেন্ট অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৩.৪৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৪.৪৭ ডলারে উঠেছে। গত মঙ্গলবার জ্বালানি তেলের দাম ২ শতাংশ বেড়েছিল এবং এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে ১১ শতাংশ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনী টানা ১১তম দিনেও ইরানের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রেখেছে। তাদের বক্তব্য, এই হামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে তেহরানের সেই সক্ষমতা দুর্বল করা, যার মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে কোন আলোচনার সুযোগ নেই। তিনি সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করারও সতর্কবার্তা দেন, যেখানে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে অবস্থিত সন্দেহভাজন পারমাণবিক স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলার কথাও উল্লেখ করেন। একইসাথে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা যদি লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে তার কঠোর জবাব দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন।
তেলের বাজার নিয়ে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের জে হ্যাটফিল্ড বলেন, ‘আমাদের ধারণা, খবরের প্রবাহ এবং পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৮০ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি সত্যিই লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে। আমরা এখনো এমন পরিস্থিতি দেখিনি। তবে যদি তা ঘটে, তাহলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে চলে যেতে পারে।’
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থেকেও সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। রাশিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে অবস্থিত কাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম টার্মিনালে নতুন করে হামলাও সংঘটিত হয়েছে। এটি কাজাখস্তানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ রুটের মধ্যে একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেট্রোরেল ডিপোর সংরক্ষিত এলাকার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে এমআরটি লাইন-৫ (নর্দার্ন রুট) প্রকল্পের একটি আউটসোর্সিং কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমটিসিএল কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কেপিআইভুক্ত ডিপোর অভ্যন্তরীণ সংরক্ষিত এলাকার গোপনীয়তা ভঙ্গ করা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং এসব বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অভিযোগে ওই কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) একটি হলের ছাত্রীদের টয়লেটে গোপনে মোবাইল ফোন রাখার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনকর্মীকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বিজয় ২৪ হলে এ ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, টয়লেটে একটি সন্দেহজনক মোবাইল ফোন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পরে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত ইমাম হাসান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন তারা। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে বিজয় ২৪ হলের ক্যান্টিনে কর্মরত রয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হলের বিভিন্ন ব্লকের শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন। পরে অভিযুক্তকে হলের ভেতরে আটকে রাখা হয় এবং বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। ঘটনার পর থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে, কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক ভিডিও পাওয়া গেছে। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে হলের টয়লেটের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করতেন এবং সেসব ভিডিও বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে পাঠাতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, নারী আবাসিক হলের মতো একটি সংরক্ষিত স্থানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেন, নারী আবাসিক হলে বহিরাগত ও বিভিন্ন সেবাদানকারী কর্মীদের প্রবেশে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট বলেন, ঘটনাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় রেকর্ডীয় ভূমির মালিকদের শান্তিপূর্ণ চাষাবাদে বাধা, ভয়ভীতি, হামলা ও হয়রানির অভিযোগে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধনের পর তারা সংশ্লিষ্ট এবং স্থানীয় মন্ত্রী ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এই মানববন্ধন বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার জে.এল. নং-৯৬ চরভূপেন্দ্র, জে.এল. নং-৯৭ ভোলাইশিংয়ের চর ত্রৈলোক্য এবং জে.এল. নং-৯৮ পাঁচখালী মৌজার রেকর্ডীয় ভূমির মালিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সবাই ধানের অঙ্কুরিত বীজভর্তি ঝুড়ি প্রদর্শন করে জানান যে, ভূমিদস্যুদের বাধার কারণে সময়মতো বীজ রোপণ করতে না পারায় তাদের প্রায় ৪০ মণ ধানের বীজ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগীরা উল্লেখ করেন, নদীভাঙনের পর পুনরায় চর জেগে উঠলে তারা আইন অনুযায়ী নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেন এবং ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ ও কৃষিকাজ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী ভূমিদস্যু, দালাল ও সন্ত্রাসীচক্র অবৈধভাবে জমি দখল করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে তাদের বৈধ চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করছে। প্রতিবাদ করলে তারা মারধর, প্রাণনাশের হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের জমিতে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং হাজারো পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দশমিনা সদরের মোল্লা পরিবারের রুহুল মোল্লার নেতৃত্বে সৈয়দ জাফর, আরজবেগী এলাকার জাহিদ শিকদার, তহিদ শিকদার, এনায়েত গাজী ও সাকুসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলের জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা এবং শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, "আমরা রেকর্ডীয় ও প্রকৃত ভূমির মালিক। অথচ আজ নিজেদের জমিতে ধানের বীজ রোপণ করতে পারছি না। প্রায় ৪০ মণ ধানের বীজ নষ্ট হওয়ার পথে। ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্যে হাজারো পরিবার আজ নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপদে চাষাবাদের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।"
তারা অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে প্রতিপক্ষের একটি মানববন্ধনের পর থেকে তাদের ওপর হুমকি-ধমকি আরও বেড়েছে। অনেকেই ভয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা এবং বাজারে যেতেও সাহস পাচ্ছেন না। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা "সন্ত্রাসের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও, অবৈধভাবে জমি বিক্রি করে তরমুজ চাষ করতে দেওয়া যাবে না, আমরা আমাদের জমিতে ধানের বীজ রোপণ করতে চাই" এসব স্লোগান দেন। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, রেকর্ডীয় মালিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বৈধ মালিকদের শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগদখল ও কৃষিকাজের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুধবার বিকালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাডাং, ইন্দোনেশিয়া এর সাথে গড়ট ও "উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও সম্ভাবনা" শীর্ষক সেমিনার ভাইস চ্যান্সেলর কার্যালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব দি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এফেয়ার্স এর পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস - চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাডাং ইন্দোনেশিয়া এর ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়ন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ইউকিফলি, এগ্রোইন্ডাস্ট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. রেস্টি ফেবরিয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এর পরিচালক প্রফেসর ড. খোকন হোসেন। অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট, প্রক্টর, অধ্যাপক, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, ছাত্র-ছাত্রী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন যে, এই এমওইউ এর মাধ্যমে দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। আশা করি ভবিষ্যতে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক শিক্ষার্থী বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় উপকৃত হবে।
ইউনিভার্সিটি নেগেরি পাডাং এর ডিন ড. ইউকিফলি বলেন যে, ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ছাত্রছাত্রী বিনিময় প্রোগ্রামের মাধ্যমে গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে। অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি নেগেরি পাডাং এর গবেষক রনি জারলিস, শান্তি ডিয়ানাও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ