শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৩ পি.এম
কুড়িগ্রামে ধরলা সেতুর ওপর যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী সড়কের ধরলা সেতুতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাচিচর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে খালিদ (২১) এবং একই এলাকার আফছারের ছেলে ফারুক (২৫)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খালিদ ও ফারুক মোটরসাইকেলে করে শহর থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। তারা ধরলা সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি নৈশকোচ মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তারা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে রংপুর নিয়ে যাওয়ার পথেই তাদের মৃত্যু হয়।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়। বাসটি শনাক্ত ও চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আল মামুন (২৮) নামে এক প্রবাসী যুবককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মামলার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে শুনানি শেষে তাকে জেলা হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আল মামুন নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম রায়গঞ্জ গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। গত ৬ সেপ্টেম্বর নাগেশ্বরী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী আরিফা খাতুন (২৫) কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ ভরতেরছড়া (মুভিঘর) এলাকার বাসিন্দা। আল মামুন বিদেশে থাকাকালে ওই নারীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে তার সংসার নষ্ট ও সন্তানকে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হলে স্বামীকে তালাক দেওয়ার জন্য ওই নারীকে চাপ দেন আল মামুন এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রায় তিন মাস আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর বিয়ের কথা বলে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৩ আগস্ট রাতে আল মামুন ওই নারীকে নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের আসকরনগর নিউ মার্কেট এলাকার আনিসুর রহমান (৫০) নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে তিন থেকে চার দিন আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে ১৮ আগস্ট ভোরে আল মামুন ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। এরপর ওই নারী যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দিয়ে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ওই নারী নাগেশ্বরী থানায় মামলা করেন। পরে আল মামুন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে শুনানি শেষে তাকে জেলা হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগেশ্বরী থানার এসআই (নিঃ) এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত আল মামুনকে জেলা হাজতে পাঠিয়েছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় হামলার দাবি, মাথায় ৪–৫ সেলাই; থানায় অভিযোগের পরও তদন্তে অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিমলাপাড়া এলাকায় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিমের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। একই সঙ্গে মাদক বিক্রিতে সহযোগিতা করতে রাজি না হওয়ায় এক ব্যক্তিকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীর দাবি, গত কয়েকদিন ধরে সেলিম তাকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও চাপ প্রয়োগ করে মাদক বিক্রির কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তিনি এতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর ক্ষুব্ধ হন সেলিম।
ভুক্তভোগী গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, পরবর্তীতে বাংলাবাজার এলাকায় তাকে একা পেয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে গোপালপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মাথায় চার থেকে পাঁচটি সেলাই দিতে হয় বলে জানান তিনি।
ঘটনার পর তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও দাবি করেন। তবে অভিযোগ করার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা কার্যকর অগ্রগতি তার চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এখানেই শেষ নয়—ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, হামলার ঘটনার পর তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন বলে দাবি করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিমলাপাড়া এলাকায় মাদক কেনাবেচা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবের কারণে কেউ যদি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তাহলে সেই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
প্রশ্ন উঠছে—একজন ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও যদি তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকে, তাহলে একজন ভুক্তভোগী নিরাপত্তা চাইবে কার কাছে?
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযোগটি কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, বরং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্য-মিথ্যা যাচাই করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কারণ মাদকের অভিযোগ হোক কিংবা হামলার অভিযোগ—অভিযুক্তের পরিচয় নয়, প্রমাণই হওয়া উচিত আইনি ব্যবস্থার ভিত্তি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গতকাল ১৭ ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪, নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া শহীদ মিনারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাখাওয়াত ইসলাম রানার বিরুদ্ধে, যে চাঁদাবাজির অপবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তাহার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, যাহা ভিত্তিহীন এবং তাকে হে পণ্য করার লক্ষ্যে এ কাজ করার হয়েছে বলে জানিয়েছেন,
নারায়ণগঞ্জে যেখানে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ফুটপাত থেকে সকল প্রকার দোকানপাট উঠিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার প্রদান করেছেন, সেখানে তো আর নতুন করে দোকান বসিয়ে, চাঁদাবাজির প্রশ্নই উঠে না, শহীদ মিনারের যারা ব্যবসা করে আসছেন পূর্বে থেকেই তারা এখানে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করে আসছেন পুনরায় বসার কোন সুযোগই নেই ,কারণ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক সকল ফুটপাতের দোকানদারদের জন্য নির্দিষ্ট একটি জায়গা করার চেষ্টা করছেন ওখানে সকল উঠিয়ে নেওয়া হবে, তারপর স্বেচ্ছাসেবক দলের শাখাওয়াত ইসলাম রানা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের সাথে হাত মিলিয়ে এ কাজ করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত, তাই এটি একটি ভিত্তিহীন অপপ্রচার এ বিষয়ে নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাখাওয়াত ইসলাম রানা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুরাতন ব্রিজের লোহার পাইলিং বিক্রি করে ৮০ শতাংশ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
পটুয়াখালী সদর থানার ১৪ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শাহিন তালুকদারের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাদের শিকদার বাড়ির দরজার পুরাতন ব্রিজ সংস্কারের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ১৪ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৬০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ব্রিজটির পুরাতন লোহার পাইলিং বিক্রি করে সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থের প্রায় ৮০ শতাংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী ব্রিজটির সংস্কারকাজ যথাযথভাবে করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বরাদ্দের অর্থ দিয়ে যে ধরনের সংস্কারকাজ করার কথা ছিল, বাস্তবে তা করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় একটি করাতকল থেকে কিছু কাঠ এনে তা দিয়ে দায়সারাভাবে ব্রিজটি সংস্কার করা হয়েছে। ফলে সংস্কারের পর এক বছর না যেতেই ব্রিজটির স্থায়িত্ব ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থ ও পুরাতন ব্রিজের মালামাল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন।
এ ঘটনায় ১৪ নম্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ ইদ্রিস বেপারী পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে ব্রিজ সংস্কারের বরাদ্দ, পুরাতন লোহার পাইলিং বিক্রির অর্থ এবং বাস্তবায়িত কাজের মান ও ব্যয়ের হিসাব তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
তবে ইউপি সদস্য মোঃ শাহিন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং সরকারি বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ