ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ডলার ফি আরোপ অবৈধ, রায় মার্কিন আদালতের


এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ডলার ফি আরোপ অবৈধ, রায় মার্কিন আদালতের

যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার জন্য প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত ১ লাখ ডলারের আবেদন ফি সোমবার (৮ জুন) বাতিল করেছেন দেশটির এক ফেডারেল বিচারক।

রায়ে বিচারক বলেছেন, বিশেষায়িত ক্ষেত্রে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের জন্য কোম্পানিগুলির ব্যবহৃত এই কর্মসূচির ওপর নতুন নীতি আরোপ করার কোনো এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের নেই।

তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, এটি একটি বেআইনি কর ছিল, যার অনুমোদন কংগ্রেস কখনো দেয়নি।

আরও পড়ুন: কের বাংলাদেশ ২ লাখ ৪৫ হাজার যুবকের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ শুরু

বোস্টনের মার্কিন জেলা জজ লিও সোরোকিন এই রায়টি দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ২০ জন ডেমোক্র্যাটিক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়ের করা একটি মামলার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এই মামলায় ট্রাম্পের সেপ্টেম্বরে ঘোষিত একটি ফি-কে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল, যা এইচ-১বি ভিসা পাওয়ার খরচ নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিয়েছিল। বিশেষ করে প্রযুক্তি সংস্থাগুলো বিদেশি কর্মী আনার জন্য এই ভিসার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

লিও সোরোকিন বলেন, ফেডারেল অভিবাসন নীতিতে এই ধরনের বাধ্যবাধকতা যুক্ত করার ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের রয়েছে, যা ট্রাম্পের দৃষ্টিতে কেবল এক ধরনের কর। আইনপ্রণেতারা এই পরিবর্তন একতরফাভাবে করার জন্য নির্বাহী বিভাগকে কোনো অনুমতি দেননি।

বোস্টনে কর্মরত এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে নিয়োগ পাওয়া বিচারক সোরোকিন নতুন নীতি বাতিল করে তার ৪২ পৃষ্ঠা উচ্চারণে লিখেছেন, ‘এইচ-১বি আবেদনের ওপর কর আরোপ করার কোনো ক্ষমতা বা অর্পিত এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের ছিল না।’

এই ভিসা কর্মসূচিটির অতিরিক্ত ব্যবহার হচ্ছে উল্লেখ করে এর লাগাম টানার প্রচেষ্টায় ট্রাম্প ১ লাখ ডলারের এই বাধ্যবাধকতা আরোপ করেন। এর কয়েক মাস পর গত ডিসেম্বরে ‘ডেমোক্রেটিক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলদের’ একটি জোট এই মামলাটি দায়ের করেছিল।

আরও পড়ুন: ৩ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন সিপিসি আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং

এইচ-১বি ভিসা বিদেশি পেশাজীবীদের এমন সব পেশায় কাজ করার সুযোগ দেয়, যেগুলোকে আরও বেশি বিশেষায়িত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই ভিসার আবেদনকারীদের অবশ্যই একটি স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের যোগ্যতা থাকতে হয়।

এই ভিসার মেয়াদ সাধারণত তিন বছর হয়ে থাকে এবং এটি আরও তিন বছরের জন্য নবায়ন করা যায়। অর্থনীতিবিদরা যুক্তি দিয়ে আসছেন, এই কর্মসূচিটি মার্কিন কোম্পানিগুলোকে তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে এবং ব্যবসার প্রসারে সাহায্য করে, যা যুক্তরাষ্ট্রে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।

সূত্র: রয়টার্স

আরও পড়ুন: ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলছে, তবে উদ্বেগ রয়ে গেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বাজেটে দেশীয় ইলেকট্রিক গাড়ি ও ই-বাইকে কর ছাড়, কমতে পারে বিভিন্ন পণ্যের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ এম


নতুন বাজেটে দেশীয় ইলেকট্রিক গাড়ি ও ই-বাইকে কর ছাড়, কমতে পারে বিভিন্ন পণ্যের দাম

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে যে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষায় বড় ধরনের করছাড় ও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার। এর ফলে দেশে উৎপাদিত বহু পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে কিছু আমদানি নির্ভর পণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কাও দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে কর অব্যাহতি ও শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাবিত এই সুবিধার আওতায় দেশের উৎপাদিত টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্রিজ, কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও মনিটরের দাম কমতে পারে। একই সঙ্গে সৌর বিদ্যুৎ, ইলেকট্রিক গাড়ি এবং ই বাইক খাতেও কর রেয়াত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, হৃদরোগের রিং, চোখের লেন্স, শিশুখাদ্য ও চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কিছুটা কমানোর সুযোগ দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সুখবর আসতে পারে। তাদের ওপর বর্তমানে থাকা মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

তবে দেশীয় শিল্প সুরক্ষার অংশ হিসেবে কিছু আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক ও কর বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কাজুবাদাম, ল্যাপটপ, কম্পিউটার সামগ্রী, সিগারেটের কাগজ, বিদেশি মদ, প্রসাধনী, দামি মাছ এবং নিকোটিনজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত। ফলে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

এছাড়া সিগারেটের দামও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি করা বিলাসী পণ্য ও উচ্চমূল্যের খাদ্যপণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের পরিকল্পনা আছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, দেশীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে এবং বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমানো লক্ষ্যেই এবারের বাজেটে এই ধরনের কর ও শুল্ক নীতির পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে সোমবার (৮ জুন) ভোরে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানা করেছে, যার ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ। এই দেশের সকসারজেন অঞ্চলে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের কাজ চলতে থাকা অবস্থায় ৩১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি।

দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ এই হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। এছাড়া জানা গেছে যে, ১০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা তাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে ফেলেছেন।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সারঙ্গানি প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ছিল। এই ভূমিকম্পের কম্পন মিন্দানাওজুড়ে ভিতরে প্রবলভাবে অনুভূত হয়েছে এবং প্রায় ৪২০ কিলোমিটার দূরে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের মানাদো শহরেও কাঁপুনি অনুভূত হয়েছে।

এ ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ ফিলিপাইন, উত্তর ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের সাবাহ রাজ্যে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। উপকূলীয় বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় পর এই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এটি ১২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের আট মাস পর আঘাত হানল। গত বছর মধ্যাঞ্চলীয় সেবু দ্বীপের উপকূলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৯ জন নিহত হয়েছিল এবং এর দুই সপ্তাহ পর মিন্দানাওয়ে ৭ দশমিক ৪ মাত্রাসহ আরও দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সূত্র: ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ সম্ভব বলে দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ এম


দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ সম্ভব বলে দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত সাময়িকভাবে থেমে যাওয়ার পর ট্রাম্পের দাবি, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ ঘোষণা করবে।

এই মন্তব্য ট্রাম্পের এমন সময়ে এসেছে যখন ইরান হামলা স্থগিত করার ঘোষণা দিলেও নতুন কোনো আক্রমণের ঘটনায় কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেই সঙ্গে ইসরায়েলও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর খবরে জানা গেছে, রিপাবলিকান দলের ঘনিষ্ঠ মিত্র সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের সমর্থনে আয়োজিত এক টেলির‌্যালিতে ট্রাম্প বলেন, আমরা খুবই কঠোর একটি দল হিসেবে কাজ করেছি এবং আমার মনে হয় আমরা এই লড়াইয়ে এগিয়ে আছি। তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যখন আমরা পূর্ণ বিজয় ঘোষণা করব, তখনই প্রকৃত অর্থে জয় হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, এটি হবে (ইরানের বিরুদ্ধে) সম্পূর্ণ বিজয়। খুব শিগগিরই তা ঘটবে এবং তখন তেলের দামও দ্রুত কমে আসবে।

এর আগে সোমবার, ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের হামলা বন্ধের ঘোষণা দেয়। কিন্তু তারা একই সঙ্গে সতর্ক করে জানায়, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে ‘বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়া হবে।

ইরানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তেহরানের জবাব থেকে ইসরায়েল ও তার মিত্রদের শিক্ষা নেওয়া উচিত ছিল। চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের বোমা হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। এর প্রতিক্রিয়ায় উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। পরে ইসরায়েলও ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক বিমান হামলা শুরু করে।

এ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সোমবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়ে ইসরায়েল ও ইরানকে ‘অবিলম্বে’ যুদ্ধ বন্ধ করতে আহ্বান জানান।

একই দিন সন্ধ্যায় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের সঙ্গে লড়াই ‘এ মুহূর্তের জন্য’ বন্ধ রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের ওপর আবার হামলা হলে তারাও জবাব দেবে।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুতে ইরান-ওমান, টোল আরোপের পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০১ এম


হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুতে ইরান-ওমান, টোল আরোপের পরিকল্পনা

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রণালিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ট্রানজিট ফিসহ বিভিন্ন শর্ত ইরান ও ওমান যৌথভাবে নির্ধারণ করবে। তার মতে, এসব ফি মূলত জাহাজ চলাচলের জন্য দেওয়া সেবার বিনিময়ে নেওয়া হবে।

রুশ সংবাদমাধ্যম ইজভেস্তিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, জালালি বলেছেন, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে ইরান ও ওমান একসঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চিমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর এ পথে জাহাজ চলাচল ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এই নৌপথে টোল বা ফি আরোপের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশগুলো এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো আপত্তি জানিয়েছে। একই সময়ে, ইসরায়েলি বিমান হামলাসহ সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

অন্যদিকে, ইরানের বার্তাসংস্থা তাসনিমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাজেম জালালি বলেছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার আলোচনায় ইউরোপের কোনো ভূমিকা নেই। মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে যে আলোচনা চলছে, সেখানে ইউরোপ অংশীদার নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত তালাল বিন সুলাইমান আল-রাহবি সম্প্রতি ওয়াশিংটনকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ওমান হরমুজ প্রণালিতে টোল ব্যবস্থা চালুর পক্ষে নয় এবং নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার নীতিকে সমর্থন করে। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

ওমানের অবস্থান হলো, তারা ইরানের সঙ্গে শুধুমাত্র একটি ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সঙ্গে পরামর্শ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

দীর্ঘদিনের মার্কিন মিত্র ওমান ঐতিহ্যগতভাবে হরমুজ প্রণালির যৌথ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করে আসছে এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করে।

ওমান ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করার প্রবণতার সমালোচনা করেছে এবং পাশাপাশি বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলারও নিন্দা জানিয়েছে দেশটি।

সূত্র : গালফ নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%