০৮:৪৫ এম
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে যে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষায় বড় ধরনের করছাড় ও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার। এর ফলে দেশে উৎপাদিত বহু পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে কিছু আমদানি নির্ভর পণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কাও দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে কর অব্যাহতি ও শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
প্রস্তাবিত এই সুবিধার আওতায় দেশের উৎপাদিত টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্রিজ, কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও মনিটরের দাম কমতে পারে। একই সঙ্গে সৌর বিদ্যুৎ, ইলেকট্রিক গাড়ি এবং ই বাইক খাতেও কর রেয়াত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত
এছাড়া ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, হৃদরোগের রিং, চোখের লেন্স, শিশুখাদ্য ও চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কিছুটা কমানোর সুযোগ দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সুখবর আসতে পারে। তাদের ওপর বর্তমানে থাকা মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।
তবে দেশীয় শিল্প সুরক্ষার অংশ হিসেবে কিছু আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক ও কর বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কাজুবাদাম, ল্যাপটপ, কম্পিউটার সামগ্রী, সিগারেটের কাগজ, বিদেশি মদ, প্রসাধনী, দামি মাছ এবং নিকোটিনজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত। ফলে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
এছাড়া সিগারেটের দামও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি করা বিলাসী পণ্য ও উচ্চমূল্যের খাদ্যপণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের পরিকল্পনা আছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, দেশীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে এবং বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমানো লক্ষ্যেই এবারের বাজেটে এই ধরনের কর ও শুল্ক নীতির পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন