ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩০০ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করল র‌্যাব


৩০০ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করল র‌্যাব

 

ফেনী এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুইটি পৃথক অভিযানে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা, বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭-এর আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে ফেনী সদর উপজেলার ফতেহপুর এলাকায় মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে চট্টগ্রামগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন: নলছিটি ফেরিঘাটের রাস্তা মেরামত, যাত্রীদের স্বস্তি ফিরেছে

এই সময় ১৩ কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার গোমারবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে র‍্যাব-৭-এর মিডিয়া বিভাগের সহকারী পরিচালক এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনীর ফতেহপুর এলাকার স্টার লাইন ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন মহাসড়কে চট্টগ্রামগামী 'নিউ দাউদকান্দি এক্সপ্রেস' বাসে তল্লাশি চালানো হয়।

এ সময় আটক দুই নারীর মধ্যে একজন হলেন সিনথিয়া ইসলাম (২৭) যিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার দীপ চরুতি গ্রামের অধ inhabitant। অপরজন হচ্ছেন রাবিয়া (৪৫) যিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার নুনিয়াছড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের লাগেজ থেকে স্কচটেপে মোড়ানো ১৩ কেজি গাঁজা, এক বোতল বিদেশি মদ ও ছয় বোতল বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুই নারী জানান, তাঁরা চৌদ্দগ্রামের গোমারবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করেছেন। এরপর ওই তথ্য অনুযায়ী গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে মৃত ইসমাইল মিয়াজীর ছেলে মজিবুল হক (২৯) এবং শফিকুর রহমানের ছেলে মো. সিয়ামকে (২৫) আটক করা হয়।

এই সময় তাঁদের গরুর ঘর থেকে ২৮৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, আটক চারজনের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনীর ফতেহপুর ও চৌদ্দগ্রামের গোমারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তিনি আরো বলেন, মাদক নির্মূলে র‍্যাব 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে।

মাদক একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ; তাই এটি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার সীমান্তে পাচার রোধে ড্রোন-অ্যান্টি ড্রোন প্রযুক্তি মোতায়েন বিজিবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


কক্সবাজার সীমান্তে পাচার রোধে ড্রোন-অ্যান্টি ড্রোন প্রযুক্তি মোতায়েন বিজিবির

বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের মাধ্যমে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে কক্সবাজার সীমান্তে ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তজুড়ে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি সম্ভাব্য ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে চোরাচালান ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বাহিনীটি জানিয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে অবস্থিত লাবনী পয়েন্টে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসের উপলক্ষে আয়োজিত মাদকবিরোধী র‍্যালিতে অংশ নিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার বিজিবির ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ারুল আলম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে ইয়াবার চাহিদা থাকায় বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এসব পাচার ঠেকাতে বিজিবি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ আরো জোরদার করেছে।

কর্নেল আনোয়ারুল আলম বলেন, সম্প্রতি ড্রোন ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের বিষয়টি আলোচনায় আসে এরপর সীমান্ত পরিস্থিতির উপর আরো নিবিড় নজরদারি শুরু হয়েছে।

যদিও এখন পর্যন্ত ড্রোনের মাধ্যমে ইয়াবা পাচারের সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ লাভ হয়নি, তথাপি সম্ভাব্য অেলোন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে কক্সবাজার সীমান্তে চারটি ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে যা সার্বক্ষণিক নজরদারি কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ ছাড়া অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে সীমান্ত এলাকায় কোন সন্দেহজনক ড্রোন শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। দুর্গম সীমান্ত এলাকায় প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারির পাশাপাশি স্থল টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনা হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন কালের কণ্ঠে ‘মায়ানমার সীমান্তে ইয়াবা পাচারে ড্রোন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করে মাদক পাচারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এরপর বিজিবি সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে কার্যক্রম জোরদার করেছে।

বাহিনীটির দাবি, বর্তমানে ড্রোন ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না মিললেও সম্ভাব্য এই ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াটারগেট নয় নিক্সন ‘ডিপ স্টেটের শিকার’: ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


ওয়াটারগেট নয় নিক্সন ‘ডিপ স্টেটের শিকার’: ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারিকে গুরুত্বহীন হিসেবেই উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে ‘ডিপ স্টেট’ অন্যায়ভাবে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। ভ্যান্স একই সঙ্গে নিক্সনের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিজ্ঞতার মধ্যে মিল খুঁজে দেখান।

ক্যালিফোর্নিয়ার রিচার্ড নিক্সন প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি অ্যান্ড মিউজিয়ামের বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেওয়া বক্তব্যে ভ্যান্স বলেছেন, ‘ওয়াটারগেট যদি আজ ঘটত, তাহলে এটি হয়তো ১২ ঘণ্টার একটি সংবাদে সীমাবদ্ধ থাকত। একটি প্রেসিডেন্টের পতনের কারণ হতে পারত—এমন ধারণা অবিশ্বাস্য।’

তবে তার এ মন্তব্যের পর সমালোচনা শুরু হয়। ভ্যান্সের কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ১৯৭২ সালে ওয়াশিংটনের ওয়াটারগেট ভবনে ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির কার্যালয়ে আড়িপাতার ব্যর্থ চেষ্টার মাধ্যমে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয়। পরবর্তী তদন্তে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট নিক্সন ঘটনাটি সম্পর্কে জানতেন এবং তা গোপন করতে হোয়াইট হাউস থেকে গোপনে অর্থ প্রদানের নির্দেশ দেন। কেলেঙ্কারি প্রকাশের দুই বছর পর, ১৯৭৪ সালে তিনি পদত্যাগ করেন।

ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করার ও সরকারি নজরদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা জোরদারের জন্য একাধিক সংস্কার আনা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এসব ব্যবস্থার কিছু অংশ দুর্বল করেছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ রয়েছে।

ভ্যান্সের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইতিহাসবিদ ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টিমোথি নাফতালি বলেন, নিক্সনের ওভাল অফিসে রেকর্ড হওয়া অডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, তিনি সাক্ষীদের মিথ্যা বলতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। নাফতালি বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক ব্যাখ্যার বিষয় নয়। নিক্সনের ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ অত্যন্ত শক্তিশালী।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রক্ষণশীল মহল দাবি করে আসছে, সরকারি আমলাতন্ত্র এবং মূলধারার গণমাধ্যম নিক্সনকে অন্যায়ভাবে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। বক্তৃতায় ভ্যান্স নিক্সনের সঙ্গে ট্রাম্পেরও তুলনা করেন। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে নিক্সন যেমন যুক্তরাষ্ট্রকে শক্ত অবস্থান থেকে বের করে এনেছিলেন, তেমনি ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে সংঘাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করেছিলেন, যা অপ্রয়োজনীয়ভাবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে দেননি।

ভ্যান্স আরও বলেন, ‘ডিপ স্টেট যেভাবে রিচার্ড নিক্সনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল, একই গোষ্ঠী ও একই প্রতিষ্ঠান ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রথম প্রশাসনের বিরুদ্ধেও একই ধরনের চেষ্টা চালিয়েছিল। এখানে স্পষ্ট মিল রয়েছে।’

তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের তদন্ত এবং নিক্সনের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়ারও তুলনা করেন। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে দুবার অভিশংসিত হলেও সিনেটে দোষী সাব্যস্ত হননি। অন্যদিকে, নিক্সন অভিশংসন প্রক্রিয়া চলাকালেই পদত্যাগ করেন। পরে তার উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড তাকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদান করেন। ৪১ বছর বয়সি ভ্যান্স নিজের সঙ্গেও নিক্সনের কিছু মিল টানেন। তিনি বলেন, ‘তরুণ সিনেটর, পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট, বেস্টসেলার বইয়ের লেখক, আর গণমাধ্যমের অপছন্দের ব্যক্তি—শুনতে অনেকটাই জেডি ভ্যান্সের মতো। আমি সবসময়ই রিচার্ড নিক্সনকে পছন্দ করেছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুবাইতে আসছে ‘মিসাইল অ্যালার্ট’!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


দুবাইতে আসছে ‘মিসাইল অ্যালার্ট’!

দুবাইয়ের বাসিন্দারা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কবার্তা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এই সতর্কবার্তা কেন দেয়া হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাত দিয়ে এনডিটিভি এই খবর জানিয়েছে।

বিস্তারিত আসছে…

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোসল করতে নেমে টাঙ্গন নদীতে শিশুর মৃত্যু, কিশোরী এখনো নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


গোসল করতে নেমে টাঙ্গন নদীতে শিশুর মৃত্যু, কিশোরী এখনো নিখোঁজ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে নেমে নাঈম (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে নাফিসা (১৬) নামের এক কিশোরী।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের মানিকপীর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশু নাঈম জাবরহাট ইউনিয়নের মানিকপীর গ্রামের সুয়েলের ছেলে। অপরদিকে নিখোঁজ কিশোরী নাফিসা দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার জুলফিকার আলীর মেয়ে।

পারিবারের সদস্যরা জানায়, শুক্রবার দুপুরে নাঈম এবং নাফিসা তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাড়ির পাশে টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যান। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয়রা তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে নাঈমকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, নিখোঁজ কিশোরী নাফিসাকে উদ্ধারের জন্য রংপুর থেকে ডুবুরি দলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রামাণিক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধারে রংপুর থেকে ডুবুরি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%