প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফেনী এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুইটি পৃথক অভিযানে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা, বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭-এর আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে ফেনী সদর উপজেলার ফতেহপুর এলাকায় মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে চট্টগ্রামগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান পরিচালনা করে।
এই সময় ১৩ কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার গোমারবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে র্যাব-৭-এর মিডিয়া বিভাগের সহকারী পরিচালক এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনীর ফতেহপুর এলাকার স্টার লাইন ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন মহাসড়কে চট্টগ্রামগামী 'নিউ দাউদকান্দি এক্সপ্রেস' বাসে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় আটক দুই নারীর মধ্যে একজন হলেন সিনথিয়া ইসলাম (২৭) যিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার দীপ চরুতি গ্রামের অধ inhabitant। অপরজন হচ্ছেন রাবিয়া (৪৫) যিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার নুনিয়াছড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের লাগেজ থেকে স্কচটেপে মোড়ানো ১৩ কেজি গাঁজা, এক বোতল বিদেশি মদ ও ছয় বোতল বিয়ার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুই নারী জানান, তাঁরা চৌদ্দগ্রামের গোমারবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করেছেন। এরপর ওই তথ্য অনুযায়ী গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে মৃত ইসমাইল মিয়াজীর ছেলে মজিবুল হক (২৯) এবং শফিকুর রহমানের ছেলে মো. সিয়ামকে (২৫) আটক করা হয়।
এই সময় তাঁদের গরুর ঘর থেকে ২৮৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আটক চারজনের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনীর ফতেহপুর ও চৌদ্দগ্রামের গোমারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরো বলেন, মাদক নির্মূলে র্যাব 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে।
মাদক একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ; তাই এটি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন