০৪:৪৩ পি.এম
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এনআইসিইউতে শয্যা না পাওয়ার কারণে নবজাতককে চানখাঁরপুলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এনআইসিইউতে ভর্তি হওয়ার কিছু সময় পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। নবজাতকের বাবা অভিযোগ করেছেন যে, এতে শিশুটির মাথা, পিঠ ও পায়ের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে আবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশুটির বাবা গোলাম রাব্বানী জানান, শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোর চারটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার সন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর চিকিৎসকেরা নবজাতককে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু ঢামেক হাসপাতালে এনআইসিইউর কোনো শয্যা খালি না থাকায় হাসপাতালের মতিউর নামের এক ব্যক্তি তাদের চানখাঁরপুলের রয়েল কেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পরে নবজাতককে ওই হাসপাতালের এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে একজন চিকিৎসক শিশুটিকে ভর্তি করেন। কিছুক্ষণ পর হাসপাতালের ভেতর থেকে চিৎকার শুনতে পান তারা। এ সময় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়।
আরও পড়ুন: মিরপুর-১২ তে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, হতাহত নেই
গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘এনআইসিইউতে অতিরিক্ত তাপের কারণে আমার সন্তানের মাথা, পিঠ ও পায়ের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এরপর দেখি, হাসপাতালটি লোকজনশূন্য হয়ে গেছে। সবাই পালিয়ে গেছেন।’
তিনি জানান, পরে সন্তানকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখান থেকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আবার ঢামেকে নেওয়া হলে তাকে দ্রুত ভর্তি করা হয়। বর্তমানে এনআইসিইউতে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শিশুটির বাবা গোলাম রাব্বানীর বাড়ি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পলি বগুই গ্রামে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরে বসবাস করছেন। সেখানে তার বৈদ্যুতিক সামগ্রীর একটি দোকান রয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার রাতে শিশুটির মা স্বপ্নাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার ভোর ৪টার দিকে তিনি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকটি তাদের দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তাদের আরেকটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
আরও পড়ুন: মিরপুরে বিহঙ্গ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসে আগুনের ঘটনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন