ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন


নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৬ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন-ফেস্টুন উড়ানো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোঃ ফরিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং আগামী দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশ ও জাতির কল্যাণে জ্ঞানচর্চা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতি বর্ষায় ভাঙনের ক্ষত, স্থায়ী বাঁধের অপেক্ষায় খুনের চরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


প্রতি বর্ষায় ভাঙনের ক্ষত, স্থায়ী বাঁধের অপেক্ষায় খুনের চরবাসী

বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই আবারও ভয়াল রূপ ধারণ করেছে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদ। নদীর তীব্র স্রোতে উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের খুনের চর, সাহেবরামপুর, কয়ারিয়া, মোল্লারহাটসহ নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক নদীভাঙন। প্রতিবছরের মতো এবারও বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটছে শত শত পরিবারের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীভাঙন দেখা দেয়। এতে গড়ে ১০০ থেকে ২০০ পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়। অনেক পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। কেউ স্বজনের বাড়িতে, আবার কেউ ভাড়া বাসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের খুনের চর এলাকায়। এছাড়া মাদারীপুর সদর উপজেলার মহিষের চর এলাকাতেও নদীভাঙন শুরু হয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা বিলীন হওয়ায় চরম উদ্বেগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা রহিম আলী বলেন, “প্রতি বছর বর্ষা এলেই আমাদের আতঙ্ক শুরু হয়। কখন ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই ভয় নিয়ে দিন কাটাতে হয়। অনেকেই সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।”

আরেক বাসিন্দা করিম মোল্লা বলেন, “প্রতিবছর জিও ব্যাগ ফেলা হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো নদীর স্রোতে কার্যকারিতা হারায়। স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ছাড়া এই সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না।”

স্থানীয় গৃহিণী ফুলমতি বেগম বলেন, “আমাদের রাতের ঘুম নেই। নদী একটু একটু করে এগিয়ে আসছে। সন্তানদের নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। সরকার যেন দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়, এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হচ্ছে না। তাই আড়িয়াল খাঁ নদে দ্রুত একটি স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফীন বলেন, নদীভাঙন রোধে সরকারের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রতিবছরের নদীভাঙনের অভিশাপ থেকে রক্ষা পাবে হাজারো মানুষ। সেই সঙ্গে টিকে থাকবে তাদের বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে হামের মৃত্যুর হার, হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট প্রতিনিধি

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে হামের মৃত্যুর হার, হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ জন

সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে হামের মৃত্যুর হার, এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৭৯ জন। বিশেষ করে সিলেটে হামে মৃত্যুর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সিলেটে নতুন করে হাম উপসর্গে আরো ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ৫ বছর বয়সী শিশু আবু হুরাইরা হবিগঞ্জ  জেলার বানিয়চং উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ জনে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় কারো হাম শনাক্ত হয়নি। এই সময়ে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ৭৯ জন। রোববার (৫ জুলাই) এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ মাহবুবুল আলম।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৭৫ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারী থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে একজন ২২ বছর বয়সী নার্স এবং বাকী ৮৬ জন শিশু। এর মধ্যে ৪ জনের হাম নিশ্চিত হলেও বাকীরা উপসর্গে মারা গেছেন।
মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৭ জন সুনামগঞ্জ জেলার, এরপর ৩১ জন সিলেটের, মৌলভীবাজারের ১১ ও হবিগঞ্জের ৮ জন রয়েছেন।
এদিকে সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত ৪১৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩৪ জন সুনামগঞ্জ  জেলার, সিলেটের ১৩১, হবিগঞ্জের ৩৭ ও মৌলভীবাজারের ১৬ জন রয়েছেন।
বর্তমানে সিলেট বিভাগে হাসপাতালে ভর্তিকৃত সন্দেহজনক ২৭৫ জন রোগীর মধ্যে- সর্বোচ্চ ১১২ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৪, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ৪, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ১, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৪, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ১, সিলেট লায়ন্স হাসপাতালে ৩, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩০, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৮ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন ভর্তি রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিএনজিকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে চালক নিহত, ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভোলা

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


সিএনজিকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে চালক নিহত, ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের কুঞ্জেরহাট-মনিরাম সড়কের মাঝামাঝি বটতলা এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। সোমবার এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী একটি ট্রাক বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সামনে থাকা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে রক্ষা করতে গিয়ে চালক হঠাৎ ট্রাকটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। পরে ট্রাকটি সড়কের পাশে উল্টে গেলে চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত ট্রাকচালকের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এতে অন্য কোনো যানবাহনের সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের ওই অংশে অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চলাচল এবং অসতর্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা ওই এলাকায় কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেহরানের হস্তক্ষেপ ছাড়া লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


তেহরানের হস্তক্ষেপ ছাড়া লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়

ইরানের ভূমিকা ছাড়া লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়, বলেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্দ বাকের কালিবাফ। রবিবার স্থানীয় সময় (৫ জুলাই) লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ সদস্য মুহাম্মদ ফনিশের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই কথা বলেন।

কালিবাফ মন্তব্য করেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের ফলে লেবাননসহ বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছিল। এমন অবস্থায় এই অঞ্চলে শান্তি ইরানের মাধ্যমেই অর্জন সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে হিজবুল্লাহসহ ওই অঞ্চলের ইরানের মিত্র প্রতিরোধ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধের বিষয়ে স্পষ্ট শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। তেহরান লেবাননের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় বৈঠকে স্পিকার ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার সময় তেহরানের সমর্থনে ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর সাহসী লড়াইয়ের প্রশংসা করেন। তিনি এ লড়াইকে ‘ইতিহাসের একটি সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে উল্লিখিত করেন, যা প্রতিরোধ গোষ্ঠী এবং ইরানের মধ্যে ‘অটুট বন্ধনকে তুলে ধরেছে।’

জুনের মাঝামাঝি সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। এই সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, লেবাননসহ সব রণাঙ্গণে শত্রুতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে, ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক চলাচল পুনর্বহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় পক্ষ একটি পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনা প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করছে। লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মার্চ মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েল লেবাননে সর্বশেষ দফা হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৪,৩০০ জন নিহত এবং ১২,৫০০ জন আহত হয়েছেন।

ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, তেহরান সক্রিয়ভাবে লেবানন যুদ্ধের অবসান এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটি ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অন্যতম প্রধান বিষয়।

হিজবুল্লাহর কেন্দ্রীয় সদস্য মুহাম্মদ ফনিশ বৈঠকে বলেন, হিজবুল্লাহ নিজেদের ইরানের ইসলামি বিপ্লবের একটি অংশ মনে করে। তিনি জানান, লেবাননের এই গোষ্ঠী এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে সম্পর্ক সর্বদা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ এবং ধর্মীয় ও বৈপ্লবিক বন্ধনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

তিনি আরও বলেন, ইরানের হস্তক্ষেপই লেবাননের সাম্প্রতিক যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করেছিল। ফনিশ মন্তব্য করেন, তারা বিশ্বাস করেন যে তেহরানের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমঝোতার শর্তাবলী মানতে বাধ্য হয়েছে এবং এই মাধ্যমেই যুদ্ধের চূড়ান্ত সমাপ্তিও অর্জন করা যাবে।

সূত্র: ডন, ফার্স নিউজ এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%