০১:১১ এম
অর্থ আত্মসাতের মামলায় ৩ বছরের সাজা এড়াতে মুর্শেদ খাদেম (৪০) নামের একজন ব্যক্তি ১২ বছর পালিয়ে থাকার পর গত বুধবার রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা হরলাল দেবনাথ। মুর্শেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর গ্রামের কোনাপাড়ার প্রয়াত ফরিদ মিয়ার সন্তান। সরাইল থানার এ.এস.আই আমান উল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ, মামলা এবং বাদী সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে ইট দেওয়ার শর্তে হরলাল দেবনাথে কাছ থেকে ষ্ট্যাম্পে লিখিত দিয়ে মুর্শেদ খাদিম সাড়ে ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেছিলেন। টাকা গ্রহণ করার পর মুর্শেদ রূপ বদলে ফেলেন। ইট না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হরলালকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নানা তালবাহানা করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে মুর্শেদ লাপাত্তা হয়ে যান। মুর্শেদের অবস্থান জানার জন্য হরলালকে বিভিন্ন জায়গায় ধরণা দিতে হয়। বাধ্য হয়ে হরলাল দেবনাথ ২০১৩ সালে মুর্শেদের স্বাক্ষর করা ষ্ট্যাম্প দিয়ে তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা করেন। ২০১৪ সালে এই মামলায় বিজ্ঞ আদালত মুর্শেদ খাদেমকে ৩ বছরের সাজা প্রদান করেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সাজাকে এড়াতে মুর্শেদ পালিয়ে থাকেন। ৩ বছরের সাজা থেকে নিজেকে বাঁচাতে মুর্শেদ ১২ বছর ধরে পালিয়ে ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার রাত ১০টার দিকে সরাইল থানার এ.এস.আই আমান উল্লাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শাহজাদাপুর গ্রামে অভিযান চালান। অভিযানকালে তারা সাজাপ্রাপ্ত আসামী মুর্শেদকে গ্রেপ্তার করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, মুর্শেদ উল্লেখযোগ্য কোন কর্ম না করলেও খুব দাপুটে চলাফেরা করেন। তাঁর কাছে অনেক লোকজন টাকা পাবেন এবং পাওনাদাররা তাকে খুঁজে গ্রামে আসেন। তার শ্বশুড়বাড়ি দেওড়ায় গিয়েও মুর্শেদকে খুঁজছিলেন। এ.এস.আই আমান উল্লাহ মুর্শেদকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ১২ বছর আগে তিনি একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। উনার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিলেন। বুধবার রাতে কৌশলে মুর্শেদকে গ্রেপ্তার করে গতকাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: দিরাই থানা রোডের বর্তমান অবস্থা বেশ ভালো, সামান্য যানজটেই মানুষের ভিড়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
’ ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ৮ গোল করেছেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে জয়ের পথে সহযোগিতা করেছেন। তবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে, স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে মেসি অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে পরিশেষে ১-০ ব্যবধানে আর্জেন্টিনা হেরে যায়। ম্যাচ শেষে আবেগঘন মুহূর্তে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি মেসি। তার সেই মুহূর্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনা তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মাঝেই গত ৩০ জুন মেসি ও আন্তোনেল্লা তাদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। ২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির সংসারে রয়েছে তিন সন্তান- থিয়াগো, মাতেও ও সিরো। বিশ্বকাপজুড়েই তিন সন্তানকে নিয়ে গ্যালারিতে বসে আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচে মেসিকে সমর্থন করেছেন আন্তোনেলা। মেসি ও আন্তোনেল্লার পরিচয় শৈশবে ঘটে, আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। আন্তোনেল্লার চাচাতো ভাই এবং মেসির বন্ধু লুকাস স্কালিয়ার মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়তে বার্সেলোনায় চলে যাওয়ায় তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, তবে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি। ২০০৫ সালে, আন্তোনেল্লার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী উরসুলা নটজ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে, সমবেদনা জানাতে রোজারিওতে থাকা আন্তোনেল্লার পাশে দাঁড়ান মেসি। সেই সময় থেকেই তাদের সম্পর্ক নতুন মোড় নেয়। কয়েক বছর পর তারা প্রকাশ্যে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানান এবং পরে একসঙ্গে সংসার শুরু করেন। যদিও বিশ্বকাপের ট্রফি হাতছাড়া হয়েছে, তবুও আন্তোনেল্লার বার্তা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মাঠের সাফল্য এবং ব্যর্থতার বাইরে মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তার পরিবার। কোটি সমর্থকের মতোই তার স্ত্রীও বিশ্বাস করেন, একটি ম্যাচ বা একটি ফাইনালের ফলাফল লিওনেল মেসির কিংবদন্তি মর্যাদাকে একটুও কমাতে পারে না। তার কাছে মেসি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন- সবসময়ই সেরা।