ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শহীদ জিয়া মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


শহীদ জিয়া মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি থানার হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আধুনিকায়নে শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সিপিবি অফিসে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি সাইফুল হকের

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াই প্রথম রাষ্ট্রনায়ক যিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানা হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি ছিলেন এ দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত পথপ্রদর্শক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, শহীদ জিয়ার উন্নয়ন দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৩১ বা ৫০ শয্যার বিদ্যমান সব হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: টুপটুপ রিসোর্টের কার্নিশ থেকে ১০ দিন পর আরও একটি লাশ উদ্ধার

মন্ত্রী জানান, আমরা এরই মধ্যে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছি। শহীদ জিয়ার অন্যান্য কালজয়ী কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে শহীদ জিয়া যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, বর্তমান সরকারও পানি ধারণক্ষমতা বাড়াতে তা পুনরায় চালু করেছে।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান শিশুদের বিকাশের জন্য শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তার সততা ছিল প্রশ্নাতীত।

আলোচনা সভায় ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ও সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, সংগঠনটির মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: সৌদি বিমানবন্দরে বিধিনিষেধের প্রভাব, ১৪৬ ফ্লাইটে ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লন্ডনে স্বামীর ‘নির্যাতনের শিকার’ মেয়ে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


লন্ডনে স্বামীর ‘নির্যাতনের শিকার’ মেয়ে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান মা

লন্ডনে বসবাসরত একটি মেয়ের ওপর তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে এবং মেয়েকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইছেন একটি মা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে এই আকুতি জানিয়েছেন নির্যাতিতার মা রেখা খাতুন চৌধুরী। তিনি সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ থানার শাপলাবাগ এলাকার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রেখা খাতুন চৌধুরী জানান, তার মেয়ে আনিকা হক চৌধুরীর বিয়ে আফজালুর রহমান জুলুর ছেলে রোম্মান আলমের সঙ্গে ২০২৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। বিয়ের কিছুদিন পরে স্বামী রোম্মান আলম লন্ডনে চলে যান। তারপর থেকে দেশে স্বামীর বাসায় থাকার সময় আনিকার ওপর তার ভাসুর রুহুল আমিন এবং শাশুড়ি নাসিমা বেগম রিনু বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন।

বিয়ের পর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত শাশুড়ি তার মেয়েকে বাবার বাসায় আসতে দেননি। তখন আনিকা তার মাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, স্বামী তাকে লন্ডন নিয়ে গেলে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর আনিকাকে লন্ডন নিয়ে যান তার স্বামী রোম্মান আলম। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তার ওপর আরও নির্মম নির্যাতন শুরু হয়। রোম্মান আলম এবং তার পরিবারের লোকজনের হুমকি, নির্যাতন এবং আচরণ বোঝাচ্ছে, আনিকা বর্তমানে তাদের কাছে নিরাপদ নয় এবং যেকোনো সময় তারা পরিকল্পনা করে লন্ডনে তাকে হত্যা এবং লাশ গুম করতে পারে। মেয়ের ওপর অকথ্য নির্যাতনের খবর যাতে দেশে জানাতে না পারে, সেজন্য তার স্বামী তার মোবাইল ফোনটিও নিয়ে নিয়েছেন।

রেখা খাতুন চৌধুরী অভিযোগ করেন, তার মেয়ের স্বামী কোনো কাজ না করে ঘরে বসে থাকেন এবং আনিকাকে দিয়ে চাকরি করিয়ে সেই অর্থ দিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য করেন। প্রতি সপ্তাহের আয়ের পুরো টাকা রোম্মান নিয়ে নেন। আনিকা যদি টাকা দিতে না চান, তবে তার ওপর তীব্র নির্যাতন চালানো হয়। এ ব্যাপারে স্থানীয় শাহপরাণ থানা এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

নির্যাতিতার মা আরো অভিযোগ করেন, মেয়ের জামাই রোম্মান আলমের আপন চাচা বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান পাপলু দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বাংলাদেশে তার ভাইয়ের বউ (আনিকার শাশুড়ি) এবং ভাতিজার (ভাসুর রুহুল আমিন) সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন। তিনি লন্ডনে থাকা আনিকা এবং দেশে থাকা তার বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে গালিগালাজ এবং অশালীন আচরণ করতে সহায়তা করে আসছেন। এমনকি তিনি পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে মিলে পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তে বাধা দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে রেখা খাতুন চৌধুরী বলেন, ‘প্রায় এক মাস আগে সিদ্দিকুর রহমান পাপলু আমাকে ফোন করে বলেন, আপনি যা বলে বেড়াচ্ছেন এবং থানায় যে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি তার কোনো সত্যতা নেই। এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট, তাই আপনারা কোনো বিচার পাবেন না। আমি নাকি মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে তাদের সম্মান নষ্ট করছি। অথচ আমি তাকে মেয়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন, ভাইয়ের বউয়ের অকথ্য গালিগালাজ এবং তার দুই ভাতিজা রোম্মান ও রুহুলের আচরণের ভিডিও ফুটেজও দেখিয়েছিলাম।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার মেয়ের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি তার চাচা শ্বশুর সিদ্দিকুর রহমান পাপলুকে জানালে তিনি এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো আমাকে গালিগালাজ করেন এবং নির্যাতনের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।’

বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর মনে করে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধের স্বার্থে মেয়েকে দ্রুত উদ্ধার করে রোম্মান আলমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি করেছেন অসহায় এই মা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত এই দক্ষিণ সীমান্তের দেয়াল নির্মাণ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ আশা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) কমিশনার রডনি স্কট মঙ্গলবার এই তথ্য জানান। ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে নির্মাণাধীন শক্তিশালী ধাতব বিম দিয়ে তৈরি এ বাধ সান ডিয়েগো থেকে মেক্সিকো উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে যে সব স্থানে এর প্রয়োজন নেই বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এমন কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণ করা হবে না। এই খবর সরকারি সংবাদ সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে জানিয়েছে। স্কট বলেন, ‘মূল সীমান্ত দেয়ালের কাজ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ শেষ হবে।’ তিনি জানান, এখনও দেয়ালটির কিছু অংশে কাজ বাকি রয়েছে। স্কট আরও বলেন, ‘যেসব এলাকায় আমরা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দেয়ালের প্রয়োজন নেই, শুধু সে সব স্থানেই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে বিগ বেন্ড ন্যাশনাল পার্কের কথাও বলা যেতে পারে। এটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকা এবং সেখানে অনেক উঁচু খাড়া পাহাড় রয়েছে।’ তিনি উপকার করা অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম স্থাপন এবং ইলেকট্রনিক নজরদারি ব্যবস্থা বিষয়েও জানান। এসব কাজ ২০২৮ সালের জুলাই অথবা সর্বোচ্চ আগস্টের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্তঘেঁষা রিও গ্র্যান্ডে নদীর দীর্ঘ অংশে পৃথক ভৌত প্রতিবন্ধক ব্যবস্থা থাকবে। দুই দেশের মধ্যে নদীটির সীমান্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার। মেক্সিকো থেকে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। সরকারি সূচক অনুযায়ী, উভয় কার্যক্রমই কমেছে। তবে স্কটের মতে, শুধু ভৌত দেয়াল নির্মাণ করলেই গোপন তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালকের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালকের বৈঠক

বাংলাদেশ ও জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়গুলোতে গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক ফেডারেল ফরেন অফিসের মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যানও এই বিষয়গুলোতে আলোচনা করেন।

বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প। তবে বর্তমানে দেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। তরুণদের বিপুল সংখ্যা প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, তাই নতুন শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজ করছে। ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এখানে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে স্বাগত জানানো হবে।

জার্মানির মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, জ্বালানি বৈচিত্র্যকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে জার্মানির সরকার ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ পরও বাণিজ্যিক সুবিধা ও বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে জিএসপি প্লাস এবং সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ জ্বালানি রূপান্তর, সবুজ প্রযুক্তি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-জার্মানি সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় বাংলাদেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন

পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন স্বপন দাশগুপ্ত। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাপস রায়কে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। উচ্চশিক্ষা দফতর দেওয়া হয়েছে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে। স্কুল শিক্ষা, আবাসন এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক বর্মণকে।

বুধবার রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে রাজ্যের ৪১ জন মন্ত্রীর দায়িত্ব বন্টন করা হয়। এর মধ্যে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ১৯ জন, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ৩ জন এবং প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ১৯ জন।

গত ৯ মে ব্রিগেডের শপথ সমারোহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পাঁচ মন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। তাদের সকলেরই দফতর আগেই বণ্টন করা হয়েছিল।

পরে ১ জুন লোক ভবনে শপথ নেন শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার বাকি ৩৫ জন সদস্য। কিন্তু সেইসব মন্ত্রীদের কোন দায়িত্ব এতদিন বন্টন করা হয়নি। বুধবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নতুন মন্ত্রীদের যেমন দপ্তর বন্টন করা হয়েছে, তেমনি আগে শপথ নেওয়া ছয় মন্ত্রীদের দপ্তরও কিছুটা রদবদল করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুৎ। দিলীপ ঘোষের হাতে থাকছে পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ। অগ্নিমিত্রা পালের হাতে থাকছে পুর ও নগর উন্নয়ন, নিশীথ প্রামাণিকের হাতে থাকছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও অশোক কীর্তনিয়ার হাতে থাকছে খাদ্য ও সরবরাহ দফতর। ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে থাকছে আদিবাসী উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর।

মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দুধকুমার মন্ডল। সংসদীয় ও পর্যটন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শঙ্কর ঘোষকে। পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন অর্জুন সিং। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্যানবিদ্যা দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন কল্যান চক্রবর্তী। বন ও পরিবেশ দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন মনোজ কুমার ওরাও।

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন মন্ত্রীর মধ্যে মালতী রাভা রায় পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। পানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজেশ মাহাতো। ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যারা দায়িত্ব পেয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম জুয়েল মুর্মু (আদিবাসী উন্নয়ন), হরেকৃষ্ণ বেরা (উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা), আনন্দময় বর্মন (পরিবহন এবং অর্থ), অশোক দিন্দা (কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় শিল্প), পূর্ণিমা চক্রবর্তী (তথ্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক এবং পর্যটন)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%