ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান


নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে 'শাহজাদপুর-সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ' খনন সম্পন্ন হওয়ার পর গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে ডিএসটি টেস্টের কাজ চলছে। ডিএসটি পরীক্ষা শেষ হলে কূপটিতে মোট মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই কূপ থেকে জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) কূপটিতে গ্যাসের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত করেছে। এর আগে, গত ২৮ জুলাই কূপটির খনন কাজ শুরু হয়েছিল।

বাপেক্সের সূত্রে জানা যায়, কূপটিতে ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিওডি ম্যাথড ব্যবহার করে ১৫৭৮ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪২০ মিটার থেকে ১৪৬০ মিটার পর্যন্ত জোনে গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: পিরোজপুর মাদকমুক্ত জেলা গড়তে জনপ্রতিনিধি-রাজনীতিক-সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

শাহজাদপুর-সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ডিএসটি পরীক্ষার পর আরও ২-৩ দিনের মধ্যে মোট মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপকর্মের অভিযুক্ত দিল্লি পুলিশ সাংবাদিকদের শেখাচ্ছে বিপজ্জনক 'নীতিশাস্ত্র'

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


অপকর্মের অভিযুক্ত দিল্লি পুলিশ সাংবাদিকদের শেখাচ্ছে বিপজ্জনক

একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়; বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেখার কোনো সুযোগ নেই। দিল্লি পুলিশ, যা দেশের রাজধানী হলেও, একটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা হিসেবেই পরিচিত। সাংবাদিকদের জন্য কোনো আচরণবিধি, পরিচালন নীতি বা প্রেস নির্দেশিকা জারি করার মতো তাদের কোনো আইনি বা সংবিধিবদ্ধ অধিকার নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) দিল্লি পুলিশের একটি পোস্টে, যেখানে একজন রিপোটারকে পুলিশ কর্মকর্তার মুখের সামনে মাইক ধরে রাখার একটি ছবি এঁকে (সাংবাদিকতার নীতিশাস্ত্র) নিয়ে উপদেশ দেওয়া হয়েছে, তা বিভিন্ন দিক থেকেই সমস্যা তৈরি করেছে। এটি সাধারণ কোনো 'নিরাপত্তা বিষয়ক সতর্কতা' নয়। যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের সময় দিল্লি পুলিশের সদস্যরা নারী সাংবাদিকদের শ্লীলতাহানি ও শারীরিক নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ তোলার পর এই পোস্টটি প্রকাশিত হয়।

অভিযোগ অনুসন্ধানের পরিবর্তে, এটি মূলত অভিযোগকারী সাংবাদিক ও তাঁদের পেশার ওপর উল্টো নিয়ম চাপিয়ে পুলিশের নিজেদের অপরাধ ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা। পুলিশ পোস্টটিকে "নির্দেশিকা" এবং "পরামর্শ" হিসেবে উপস্থাপন করলেও, এর মূল উদ্দেশ্য হলো মূল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে পরিস্থিতির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া, ব্যঙ্গাত্মক পাল্টা 'পুলিশের নির্দেশিকা' এবং পুলিশের অপকর্মকে সুরক্ষা দেওয়ার নানা অভিযোগে এটি স্পষ্ট যে, তাদের এই কৌশল ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। দিল্লি পুলিশের সেই 'এক্স' পোস্টে যেসব মারাত্মক গলদ রয়েছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

এক পোস্টে সংবাদ সেন্সরশিপ প্রতিষ্ঠা করতে পারে না দিল্লি পুলিশ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোয় পুলিশ বাহিনী গণমাধ্যমের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। ভারতের সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদ বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে, যার মধ্যে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। কোনো জনবিক্ষোভের ঘটনা কভার করা, ছবি বা ভিডিও রেকর্ড করা, কিংবা তা প্রচার করার জন্য সাংবাদিককে অবশ্যই পিআইবি অ্যাক্রেডিটেশন বা কোনো স্বীকৃত গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক কার্ডধারী হতে হবে—এমন কোনো বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নেই। দিল্লি পুলিশ যেহেতু সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন পরিচালিত হয়, তাই তাদের এই ধরনের বার্তা মোদী প্রশাসনের একটি অন্যায্য ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রদর্শন। এটি মূল সংবিধান-স্বীকৃত একটি স্বাধীন পেশাকে পুলিশের নির্দেশ জারি করে নিয়ন্ত্রণের শামিল। গণবিক্ষোভ, গ্রেপ্তার বা রাষ্ট্রের বল প্রয়োগের ঘটনাগুলোতে যখন সবচেয়ে বেশি নজরদারি প্রয়োজন, ঠিক তখনই সংবাদপত্রের এই স্বাধীনতাকে খর্ব করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো—শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ বা বেআইনি আটকের ঘটনা নথিভুক্ত করার পথ রুদ্ধ করা।

এটি মূলত ভুক্তভোগীকে দোষারোপ ও তথ্য গোপনের অপচেষ্টা। মূল বিষয়টি ছিল দিল্লি পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের শ্লীলতাহানি ও আক্রমণের অভিযোগ। পুলিশ যদিও দাবি করেছে যে অভিযোগটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে, তবুও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, প্রমাণের সংরক্ষণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত না করে, তারা উল্টো সাংবাদিকদের নীতিশাস্ত্রের পাঠ দেওয়া শুরু করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর ছবি ব্যবহার করে পুলিশকে 'শান্ত ও নিপীড়িত' এবং সাংবাদিকদের 'আক্রমণাত্মক' হিসেবে তুলে ধরে নিজেদের অপরাধ আড়াল করার একটি পক্ষপাতদুষ্ট গল্প তৈরি করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের উগ্র হিসেবে চিহ্নিত করা এবং নীতি শেখানোর মাধ্যমে জনদৃষ্টি মূল ঘটনা থেকে সরানোর একটি চেষ্টা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে যে সাংবাদিকদের অবস্থান বা কাজের কারণেই যেন পুলিশ এমন আচরণ করতে বাধ্য হয়েছে। অথচ সাংবাদিকদের কাজের ধরণ বা দূরত্বের দোহাই দিয়ে কখনোই যৌন হয়রানি, আক্রমণ বা বেআইনি বাধা প্রদানকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করা যায় না।

সংবাদ সংগ্রহের সাংবিধানিক গুরুত্ব খর্বের অপচেষ্টা। সংবাদ প্রকাশ করার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তা সংগ্রহের স্বাধীনতা। পুলিশ যদি বলপ্রয়োগের সময় ক্যামেরা ও সাংবাদিকদের দূরে সরিয়ে দেয়, তবে সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে পড়ে। প্রেস ফ্রিডমের মূল বিষয় হলো তথ্য ও এর উৎসের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সাংবাদিকদের বিক্ষোভকারীদের থেকে আলাদা পোশাকে চিহ্নিত হওয়ার শর্ত দিয়ে সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রাষ্ট্র যদি ঠিক করে দেয় তাকে কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, তবে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ভিত্তিই নষ্ট হয়ে যায়।

পরিচয়পত্র বনাম অনুমতিপত্র: একটি বিপজ্জনক গুলিয়ে ফেলা। বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কার্যকারিতার জন্য পরিচয়পত্র বহন সাহায্য করতে পারে। কিন্তু কেবল একটি নির্দিষ্ট 'বৈধ' সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রকেই সাংবাদিকতার একমাত্র মাপকাঠি বানিয়ে ফেললে ফ্রিল্যান্সার, ফ্রিল্যান্স ডকুমেন্টারি নির্মাতা, শিক্ষানবিস বা নাগরিক সাংবাদিকরা বাদ পড়ে যাবেন। সংবিধান প্রদত্ত প্রেস ফ্রিডম সাধারণ নাগরিকের অধিকার, শুধু কোনো সরকার-স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের নয়।

অস্পষ্ট ও বিপজ্জনক সীমানা

"বাধা দেবেন না", "নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন" কিংবা "স্পষ্টভাবে নিজেকে আলাদা করুন"—এই কথাগুলোর কোনো নির্দিষ্ট আইনি বা সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নেই। আন্দোলন বা বিক্ষোভের সময় পুলিশ নিজেদের সুবিধামতো এই অস্পষ্ট শব্দের অজুহাত দেখিয়ে সাংবাদিকদের দূরে সরিয়ে দিতে পারে। কোনো নির্দিষ্ট আইনগত অনুমোদন ছাড়া সাংবাদিকরা কোথায় দাঁড়াবেন তা পুলিশ এককভাবে নির্ধারণ করলে রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা ও জনসমক্ষে জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

পুলিশের জন্য নেই কোনো নিজস্ব আচরণবিধি (এসওপি)। পুলিশের এই 'এক্স' আপডেটে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি যে—তারা সাংবাদিকদের ডিভাইস বা ফোন কেড়ে নেবে না, ফুটেজ ডিলিট করবে না কিংবা সাংবাদিকদের তথ্য সরবরাহের উৎস প্রকাশে বাধ্য করবে না। পুলিশ কীভাবে সাংবাদিকদের সুরক্ষা দেবে—তার কোনো স্পষ্ট রূপরেখা এখানে নেই। নেই কোনো প্রেস লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগ বা দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির কোনো ব্যবস্থা।

মোদী ও অমিত শাহ কি এ বিষয়ে নীরব? দিল্লি পুলিশ সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয় এবং পুলিশ কমিশনার সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাবদিহি করেন। ফলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই বিভাগের প্রধান হিসেবে সরাসরি দায়িত্বশীল এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও নীতিগত দিক থেকে হস্তক্ষেপ করা উচিত। অমিত শাহের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল হয়রানির অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। তা না করে পুলিশ যদি সাংবাদিকতার ওপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যায়, তবে ধরে নিতে হবে সাধারণ মানুষের রাজপথের আন্দোলন ঠেকানোর ব্যর্থতা ঢাকতেই এই ধরনের নজিরবিহীন দমনপীড়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ আবু সাঈদ এর কবর ও ঘরবাড়ি মেরামত ও উন্নয়নে সরকারের ১ কোটি টাকা ৫ দিনের মধ্যে ছাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


শহীদ আবু সাঈদ এর কবর ও ঘরবাড়ি মেরামত ও উন্নয়নে সরকারের ১ কোটি টাকা ৫ দিনের মধ্যে ছাড়

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ এর ঘরবাড়ি, কবরস্থান ও ফাউন্ডেশন উন্নয়নে সরকার কর্তৃক ঘোষিত ১ কোটি টাকা ৫ দিনের মধ্যে অবমুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ঘোষণার মাত্র পাঁচ দিন পর সোমবার (৫ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগ এই অর্থ ছাড় করেছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবের স্বাক্ষরিত অর্থ অবমুক্তির চিঠি রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে, অর্থ ছাড়পত্রটি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

অর্থ অবমুক্তির চিঠি অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ‘জেলা পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের ‘বিশেষ বরাদ্দ’ উপখাত থেকে রংপুর জেলা পরিষদের জন্য মোট ১০৯ লাখ টাকা বা ১ কোটি ৯ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে।

এর মধ্যে শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের ঘরবাড়ি ও কবরস্থান উন্নয়নে ১ কোটি টাকা, পীরগঞ্জ মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের সাইকেল সরবরাহে ৫ লাখ টাকা এবং পীরগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও পীরগঞ্জ কছিমন নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ২ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তার বাবা-মায়ের খোঁজখবর নেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ সময় তিনি সরকারের পক্ষ থেকে আবু সাঈদের বাড়িঘর ও কবরস্থান উন্নয়নে ১ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন। তিনি আরও জানান, প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।

সেই ঘোষণার পাঁচ দিনের মধ্যে অর্থ ছাড় হওয়ায় আবু সাঈদের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশন, তার ঘরবাড়ি এবং কবরস্থানসহ নির্ধারিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সঠিকভাবে কাজ হয়।

আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন মন্তব্য করেন, সরকার শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে এসেছে, এটি একটি আনন্দের খবর। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানুষ পীরগঞ্জে এসে আবু সাঈদের বীরত্বগাথা ইতিহাস জানতে পারবে। নতুন প্রজন্ম এখান থেকে অনুপ্রাণিত হতে পারবে।

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, সরকার দেরিতে হলেও বাড়িঘর ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, এজন্য আমরা খুশি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই টাকা সঠিকভাবে ব্যয় হবে। তিনি আরও বলেন, শুধু আবু সাঈদের স্মৃতি নয়, সরকার যেন সব শহীদ পরিবারের পাশে এভাবে দাঁড়ায়।

জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী কথা দিয়ে কথা রেখেছেন। তার ঘোষণার পাঁচ দিনের মাথায় অর্থ ছাড় হয়েছে। সরকার চায় জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিকে ঘিরে গবেষণা ও চর্চা হোক, যাতে মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুগে যুগে অনুপ্রাণিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বতীপুরে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


পার্বতীপুরে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এলপিজি সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি করার অভিযোগে এবং নির্ধারিত মূল্যে প্রতিশ্রুত পণ্য সরবরাহ না করার কারণে দুইটি গ্যাস ডিলার প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত পার্বতীপুর উপজেলার হলদিবাড়ী নতুন বাজার এলাকায় সিপিসি-১, এসআরবি-১৩, দিনাজপুর এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, দিনাজপুরের যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি এবং নির্ধারিত মূল্যে প্রতিশ্রুত পণ্য সরবরাহ না করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মেসার্স রজব অ্যান্ড ব্রাদার্স ও মেসার্স মন্ডল ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এসআরবি-১৩ জানায়, দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি ডিলারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ পাওয়ার পর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসআরবি-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, অবৈধ মজুতদারি, অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি এবং খাদ্যে ভেজালসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের হামলা হলে আরও উন্নত মারণাস্ত্র দিয়ে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


ফের হামলা হলে আরও উন্নত মারণাস্ত্র দিয়ে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরান নতুন করে যেকোনো যুদ্ধ শুরু হলে শত্রুপক্ষকে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন সংঘাত বা আগ্রাসন শুরু হলে তারা আরও উন্নত ও আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। একই সঙ্গে, ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা শিল্পে অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা ২.৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন।

রেজা তালাই-নিক বলেন, “শত্রুপক্ষের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক আগ্রাসনের মতো যেকোনো পদক্ষেপের মুখে তাদের আবারও চরম পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যেকোনো ভুল হিসাব-নিকাশের জবাব দেওয়া হবে আরও উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র ও বিধ্বংসী আক্রমণের মাধ্যমে।”

তিনি সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, এই অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্যের পতন এবং ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর আগ্রাসন রুখে দেওয়া ইরানের প্রধান লক্ষ্য ও অর্জন। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান মার্কিন ও ইসরায়েলি অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামরিক বাহিনীর চাহিদার ভিত্তিতে তাদের অস্ত্র উৎপাদন কৌশল ও পরিকল্পনা নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে। বর্তমানে ইরানের এক হাজারেরও বেশি ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

এছাড়া, রাশিয়া ও চীনের সাথে ইরানের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, এই দুই দেশের সাথে প্রতিরক্ষা খাতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%