ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিনষ্ট করার জন্য আওয়ামী লীগ


দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিনষ্ট করার জন্য আওয়ামী লীগ

তিন নভেম্বর ২০২৬,

আওয়ামী লীগের
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নিষিদ্ধকর্মীরা অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই পুরনো অপশক্তির নৈরাজ্য ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান,
মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব, আবু আল ইউসুফ খান টিপু,নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শাখাওয়াত রানা রাজপথে তৎপর রয়েছে। দেশের সম্পদ ও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নৈতিক ও পবিত্র দায়িত্ব বলে মনে করছেন মাঠে সরব নেতাকর্মীরা। এছাড়াও, বিভিন্ন মহলের বিএনপির নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের অপকর্ম ঠেকাও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে মেঘনা নদীতে ডাকাতের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে নৌযাত্রী ও ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


ভৈরবে মেঘনা নদীতে ডাকাতের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে নৌযাত্রী ও ব্যবসায়ীরা

কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও নরসিংদীর রায়পুরা মেঘনা নদীর নৌপথে বেড়েছে ডাকাতের দৌরাত্ম্য। ১৫ দিনের ৩-৪ বার মেঘনার এই নদী পথে হয়েছে ডাকাতি আতঙ্কে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি অঞ্চলের মানুষের। তবে ডাকাতির বিষয়ে কিছুই জানেন না নৌপুলিশ। 


কিশোরগঞ্জ জেলার অন্যতম ভৈরব বাজার একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি বাণিজ্যকেন্দ্র। নদীপথে মালামাল বহনে খরচ কম এবং চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের সুবিধা থাকায় নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কয়েকটি অঞ্চলের প্রতিদিনই কয়েক হাজার মানুষ নদীপথে কেনাকাটা ও ব্যবসায়িক কাজে ভৈরব বাজারে যাতায়াত করেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে গৌরীপুর গ্রামের মাঝি মনা মিয়া নৌকায় ৭-৮ জনের এক দল ডাকাত দল অস্ত্রসহ নৌকা আটকিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ ৩ লাখ টাকা, নারী যাত্রীদের স্বর্ণাংলকার ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ ১৮টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় যাত্রীদের মারধোর করে আহত করে পালিয়ে যায় ডাকাতদল। এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে ভৈরব শহরের পঞ্চবটি এলাকার একটি পরিবারের সদস্যরা মিলে নদীপথে নৌকাযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লালপুর এলাকার একটি মাজার জিয়ারত শেষে ভৈরবে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে পড়েন। এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১২টি মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। 

কিছুদিন যাবত মেঘনা নদীতে ডাকাতের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাওয়ায় যাত্রী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেই সাথে বিকাল বা সন্ধ্যার পর নদীতে নৌকার পরিমাণও কমে যাচ্ছে। এতে যাত্রীদের পারাপারেও দেখা দিয়েছে চরম দূর্ভোগ।


ঘাটের ভুক্তভোগী মাঝি মনা মিয়া বলেন, আমি ভৈরব বাজার ঘাটে ৫০ বছর যাবত নদীপথে নৌকায় যাত্রী পারাপার করছি। ইদানিং সন্ধ্যা হলেই মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু গত কয়েকদিনে ব্যবধানে ৩/ ৪ বার আমরা ভৈরব বাজারের কাছাকাছি স্থানে ডাকাতির কবলে পড়তে হয়েছে । ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে আমাদের জিম্মি করে যাত্রী এবং আমাদের কাছ থেকে সব কিছু নিয়ে যাচ্ছে প্রায়ই ছেলে মেয়ে নিয়ে বিপদে পরতে হচ্ছে। কেউ পানিতে লাফিয়ে জীবন বাচানোর চেষ্টা করছে আবার কেও অনেক মারধরের ও শিকার হচ্ছেন।


ভৈরব বাজার ঘাটের মাঝি কাসেম মিয়া বলেন,  ভৈরব বাজারে কেনাকাটার পাশাপাশি আশেপাশের অঞ্চলের অনেক মানুষ ব্যবসার কাজেও এসে থাকেন। যার ফলে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সন্ধ্যার পর বাজার থেকে বাড়ি ফিরতে হয়। নদীতে দিনে মাঝে মধ্যে পুলিশের দেখা পেলেও সন্ধ্যার পর পুলিশের সহযোগিতা পাওয়া যায় না। যার ফলে নদীতে ডাকাতের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ইদানীং মেঘনায় ডাকাতের দৌরাত্ম্য অনেক বেড়েছে আমরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে নদী পাড় হচ্ছি। ১৫ দিনের মধ্যে ৩-৪বার এই পথে ডাকাতের আক্রমণ হয়েছে এতে অনেকে অনেক কিছু হাড়িয়েছে। আবার মহিলাদেরকেও অনেক বিপাকে পরতে হয়। ডাকাত আতঙ্কে নৌ পথে চলাচল অনেকটাই কঠিন হয়ে পরেছে। 


রায়পুরা উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের বাসিন্দা রাহিম মিয়া বলেন, আমি ভৈরব বাজারে ব্যবসা করি। সারাদিন ব্যবসার কাজ শেষে নৌকা দিয়ে নিজের বাড়িতে যেতে হয়। কাজ শেষে বাজার থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বাড়ি ফেরার পথে বার বার ডাকাতের আক্রমণের শিকার হচ্ছি। 

কিন্তু ইদানিং নৌপথে ডাকাতির ঘটনা বাড়ছে এতে আমরা খুবই আতংকিত থাকি। কখন ডাকাতের দল আমাদের উপর হামলা চালাই। গত ১৫ দিনে ৩টির বেশি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের দাবি দিনে এবং রাতে নির্দিষ্ট সময় অবধি পুলিশ নদীতে টহলে থাকলে হয়তোবা আমরা নদীপথে ডাকাতের আক্রমণ থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাবো।


বিষয়ে ভৈরব নৌ পুলিশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেএম মনিরুজ্জামান বলছে ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম নদীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে।এর আগে নদীতে ডাকাতির বিষয়ে উনি জানেন না। ডাকাতির ঘটনা কোথায় কবে ঘটেছে এই বিষয়ে উনি কিছুই জানেন না উনাকে কেও অবগত করেননি। তিনি আরো বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে নদীতে চলাচল নিষেধ। তাই কেউ যদি জরুরি কাজে রাতে নদীপথে চলাচল করতে চাই তাহলে তারা যদি আমাদের অবগত করে তাহলে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় হলে পিট হেগসেথ অভিশংসনের মুখে পড়তে পারেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় হলে পিট হেগসেথ অভিশংসনের মুখে পড়তে পারেন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায়, তাহলে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ নতুন করে অভিশংসন প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে পারেন। ইরান যুদ্ধ পরিচালনা, যুদ্ধের ব্যয় এবং কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জোরালো করার পরিকল্পনা রয়েছে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে হেগসেথের বিরুদ্ধে অভিশংসন উদ্যোগকে নতুন গতি দেওয়ার চেষ্টা করবেন ডেমোক্র্যাটরা। নির্বাচনের পরপরই এ বিষয়ে ভোটাভুটির উদ্যোগ নিতে পারেন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসি। তার প্রত্যাশা, রিপাবলিকানরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়, তাহলে দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে আরও কিছু রিপাবলিকান সদস্য অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিতে পারেন।

ম্যাসি মন্তব্য করেছেন, নির্বাচনে যেসব রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা পরাজিত হবেন বা আর দায়িত্বে ফিরবেন না, তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা দলের সমর্থন হারানোর ভয় ছাড়াই নিজেদের বিবেক অনুযায়ী ভোট দিতে সক্ষম হবেন। তার ভাষায়, নির্বাচনের দিন অবসর নিতে যাওয়া আইনপ্রণেতাদের সংখ্যা বাড়বে এবং এর ফলে অভিশংসনের পক্ষে দ্বিদলীয় সমর্থন তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসন প্রস্তাব পাস করার জন্য সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যথেষ্ট।

ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনা রয়েছে হেগসেথের কর্মকাণ্ডের ওপর ব্যাপক নজরদারি ও তদন্ত চালানোর। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী-সংক্রান্ত কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা ইরান যুদ্ধের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে চান।

তদন্তের আওতায় আসতে পারে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্ত, যুদ্ধ পরিচালনার কৌশল, সামরিক অভিযানের মোট ব্যয় এবং এ বিষয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে প্রশাসনের পরামর্শ না করার অভিযোগ। আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ, যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় সম্পর্কে এখনো তাঁদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব দেওয়া হয়নি।

সিএনএনকে দেওয়া এক বক্তব্যে এক ডেমোক্র্যাট সহযোগী জানিয়েছেন, হেগসেথকে ঘিরে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের আইনপ্রণেতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বিদ্যমান। এ কারণে তদন্তের ক্ষেত্রে তিনি অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবেন।

এর আগে হেগসেথের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি এড়াতে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও রিপাবলিকান নেতা মাইক জনসন সেপ্টেম্বর মাসে আইনপ্রণেতাদের নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটিতে পাঠান। সে সময় তিনি অভিশংসন উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রচারণা বা লোকদেখানো পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে হেগসেথের কাজের প্রশংসা করেন।

তবে রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ অবস্থান সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, অভিশংসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পেন্টাগন ও হেগসেথের কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ বাড়ায় কয়েকজন রিপাবলিকানও প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিতে পারেন।

অবসর নিতে যাওয়া রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ডন বেকন হেগসেথের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তাকে একজন নেতার চেয়ে বেশি প্রচারমুখী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যদিও তিনি অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি, তবে পেন্টাগনের কর্মকাণ্ডে কংগ্রেসের কার্যকর নজরদারি থাকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।

হেগসেথের বিরুদ্ধে অভিশংসন উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, হেগসেথ ভালো কাজ করছেন এবং তিনি একজন দক্ষ যোদ্ধা। ডেমোক্র্যাটদের অভিশংসনের উদ্যোগকে ‘ভয়াবহ’ বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, পেন্টাগনের পক্ষ থেকেও হেগসেথের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি কিংসলি উইলসন এক বিবৃতিতে বলেন, হেগসেথ প্রতিরক্ষা বিভাগে পরিবর্তন এনেছেন এবং তার নেতৃত্বে বিভাগটি আগের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তার লক্ষ্য ও পরিকল্পনার প্রতি পুরো বিভাগ ঐক্যবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি।

শুধু হেগসেথ নন, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড তদন্তের পরিকল্পনা রয়েছে ডেমোক্র্যাটদের। তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ এবং স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিশংসনের বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তুলনামূলক সতর্ক অবস্থান দেখা যাচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফরিস বলেছেন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্তের ফলাফল দেখার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। কোনো বিষয়ই আগাম বাদ দেওয়া হচ্ছে না, আবার কোনো সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত করা হয়নি।

তবে হেগসেথের বিষয়ে জেফরিসের বক্তব্য তুলনামূলক কঠোর। তার অভিযোগ, ইরান যুদ্ধের সিদ্ধান্ত ও তা পরিচালনার ক্ষেত্রে হেগসেথের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।

পদ ছাড়লেও তদন্ত থেকে রেহাই নয়

হেগসেথ পদত্যাগ করলেও কিংবা তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র বাহিনী কমিটির সদস্য ক্রিস ডেলুজিও বলেছেন, যুদ্ধ পরিচালনা, মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা এবং তাদের পরিবারের সুরক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

আরেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা জেসন ক্রো বলেছেন, হেগসেথকে পেন্টাগনের দায়িত্বে যত দিন সম্ভব কম রাখা যায়, সে জন্য তিনি সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাবেন।

এদিকে, হেগসেথের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন উপদেষ্টা তাকে ভবিষ্যতে নির্বাচনি রাজনীতিতে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও তার সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।

ইরান যুদ্ধ ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে মতবিরোধ ক্রমেই বাড়ছে। যুদ্ধের ব্যয়, লক্ষ্য ও সময়সীমা নিয়ে পেন্টাগনের কাছ থেকে পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের একাংশও।

এ ছাড়া সামরিক অভিযানের বিভিন্ন পরিকল্পনা, সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা এবং রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক জ্বালানি চুক্তি নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কংগ্রেসের সামনে প্রতিরক্ষা নীতিবিষয়ক বার্ষিক বিল এবং ইরান যুদ্ধের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকবে। ফলে হেগসেথকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধ এসব আইন পাসের প্রক্রিয়াকেও জটিল করে তুলতে পারে।

সব মিলিয়ে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল শুধু প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণই নির্ধারণ করবে না, বরং পিট হেগসেথের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জবাবদিহির বিষয়টিও নতুন করে সামনে নিয়ে আসতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে এইচপিভি টিকাদানের গুরুত্ব ও সফল বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


বরিশালে এইচপিভি টিকাদানের গুরুত্ব ও সফল বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা

বরিশাল সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে মহানগরীতে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে রুটিন ‘এইচপিভি’ টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্ব ও সফল বাস্তবায়ন নিয়ে একটি অ্যাডভোকেসি সভা মঙ্গলবার নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির আসনে ছিলেন নগর প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।

সভায় বক্তাগণ এইচপিভি সংক্রমণ প্রতিরোধে রুটিন টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বক্তারা একই সাথে এ টিকাদান কার্যক্রমে জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রচার-প্রচারণা এবং কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. মোঃ রেফাতুল হায়দার, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. রেবেকা বেগম, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা কামাল, ইউনিসেফের ব্যবস্থাপক ডা. রিয়াদ মাহমুদ এবং সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বীও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দিনের সফরে আগামীকাল রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ আসছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


তিন দিনের সফরে আগামীকাল রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ আসছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ তিন দিনের সরকারি সফরে আগামীকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সফর করবেন। মন্ত্রী ওইদিন বিকাল পৌঁনে পাঁচটায় বিমানযোগে রাজশাহী এসে
পৌঁছবেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে বিভাগের ৮ জেলার সার, বীজ, সেচ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথা সার্বিক কৃষি উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অংশীজনের সাথে মতবিনিময় করবেন।
পরদিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল নয়টা থেকে আধুনিক পদ্ধতিতে আদা, গ্রীষ্মকালীন কাঁচা মরিচ ও টমেটো চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সম্ভাব্য উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন এবং স্থানীয় উৎপাদনকারীদের সাথে মতবিনিময় করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় রাজশাহী সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী বিভাগের আওতাধীন জেলাসমূহের আম, লিচু, আদা, কাঁচামরিচ ও টমেটো চাষীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বেলা সোয়া এগারোটায় মন্ত্রী বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রাজশাহী ত্যাগ করবেন।#
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%