ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দখল-ভরাটে বিপন্ন ‘উজান গঙ্গাপুর খাল’, কৃষকের দুর্ভোগ


দখল-ভরাটে বিপন্ন ‘উজান গঙ্গাপুর খাল’, কৃষকের দুর্ভোগ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে গঙ্গাপুর গ্রামে একটি খাল বর্তমানে দখল হয়ে বিলুপ্তির পথে রয়েছে। এই অবস্থার কারণে স্থানীয় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের অভাবে খালের আশপাশে বসবাসকারী লোকজনও ভোগান্তির শিকার হন। এলাকাবাসী খালটি দখলমুক্ত করে পুনরায় খনন করার দাবি জানিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গঙ্গাপুর হাওর থেকে ‘উজান গঙ্গাপুর খাল’ নামে পরিচিত খালটি কুশিয়ারা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। বর্তমানে খালটির কোনো চিহ্ন নেই। খালের কিছু অংশে গড়ে উঠেছে বাড়িঘর এবং কোথাও ভরাট করে তৈরি করা হয়েছে যাতায়াতের রাস্তা।

স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় আসার পর থেকেই খালটি দখল হতে শুরু করেছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকারি খাস জায়গায় খালের পাশে আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তোলা হয়। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫নং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে প্রকল্পের ঘরগুলো উদ্বোধন ও উপকারভোগীদের কাছে জমির দলিলসহ হস্তান্তর করার পর খালটি দখল হতে থাকে। এর ফলে গঙ্গাপুর হাওর থেকে খাল দিয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়, যার কারণে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

এছাড়া খালের আশপাশে থাকা বাড়ির লোকজন খাল ভরাট করে যাতায়াতের রাস্তা বানানোর ফলে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সেচ দিতে পারেন না। ফলে বাড়তি খরচ করে সীমিত আকারে কিছু জমিতে ফসল উৎপাদন করতে হচ্ছে।

গঙ্গাপুর গ্রামের আফতাব আলী, জুনাব আলী ও ইসমাঈল আলী বলেন, এক সময় এই খাল থেকেই সহজে জমিতে পানি সরবরাহ করা যেত। কিন্তু বর্তমানে খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট করে বসতঘর ও যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে খাল মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে।

কৃষক কুলেন্দ্র দাস ও অনন্ত দাস বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই খাল দিয়ে নৌকা চলাচল করত। কুরকুছি হাওর ও গঙ্গাপুর হাওর থেকে মৎস্যজীবীরা এই খাল দিয়ে কুশিয়ারা নদীতে যেতেন। এখন বর্ষা মৌসুমেও খালে পানি নেই।

ফেঞ্চুগঞ্জ ইউএনও সাবরিনা আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি আমি। খালের মালিকানা সরকারি (খাস) কিংবা ব্যক্তি মালিকানাধীন—যেটিই হোক না কেন, জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালায় ৫১ ইয়াবাসহ একজন কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫২ এম


দীঘিনালায় ৫১ ইয়াবাসহ একজন কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ৫১ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেলসহ মোঃ সেলিম মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর বোয়ালখালী ইউনিয়নের বোয়ালখালী গরু বাজারের পশ্চিম পাশে একটি ফার্নিচারের দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সেলিম মিয়া উপজেলার মধ্য বোয়ালখালী এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোঃ নুরুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেলিম মিয়াকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে দীঘিনালা থানা পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে চলছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫১ পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসা ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বরাদ্দের এক পয়সাও এদিক-সেদিক হবে না, দলমত নির্বিশেষে বণ্টন হবে হক; এমপি ডা. মাহমুদা মিতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রব্বানী (স্টাফ রিপোর্টার)

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১১ এম


‘বরাদ্দের এক পয়সাও এদিক-সেদিক হবে না, দলমত নির্বিশেষে বণ্টন হবে হক; এমপি ডা. মাহমুদা মিতু

চিকিৎসা পেশা ছেড়ে জুলাই বিপ্লবের শহীদি রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে রাজনীতিতে এলেও সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার পরিধি ও বরাদ্দে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তবে সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া সীমিত বরাদ্দের শতভাগ সততার সঙ্গে বণ্টন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই কেন্দ্রীয় নেত্রী।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা, সীমাবদ্ধতা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিয়ে এক সাহসী আত্মোপলব্ধি প্রকাশ করেছেন তিনি।

সংরক্ষিত আসনের সীমাবদ্ধতা ও সরাসরি নির্বাচনের স্বপ্ন; ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, “নির্বাচনের আগে রুমিন আপা  খুব ছোট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তার ছবি দিয়েছিলেন। সংরক্ষিত এমপিদের মর্যাদা সমান হলেও কাজের পরিধি যে কতটা সীমিত, সেই বিষয়টি তখন আমাকে চিন্তিত করেছিল। মনে হয়েছিল, ৫ বছরে যদি একটি ইটের রাস্তা করার মতোই কাজ থাকে, তাহলে মানুষের জন্য বড় পরিসরে কাজ করব কীভাবে?” এমপিদের মূল দায়িত্ব আইন প্রণয়ন হলেও এলাকার উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকে উল্লেখ করে তিনি জানান, মাঠের মানুষের কাছাকাছি থাকার তাগিদ থেকেই তিনি সরাসরি (ডিরেক্ট) নির্বাচনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তবে আল্লাহর পরিকল্পনাকে সর্বশ্রেষ্ঠ মেনে নিয়ে তিনি সংরক্ষিত আসনেই জনগণের সেবায় নিয়োজিত আছেন।

বঞ্চনার অভিযোগ ও সুষম বণ্টনের অঙ্গীকার; বিরোধী দলের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হওয়ায় সরকার তাকে এবং তার এলাকার মানুষকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করছে বলে অভিযোগ তোলেন ডা. মিতু। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে খুবই সামান্য কাবিখা ও কাবিটা আমার এলাকায় দেওয়া হয়েছে, যা আমি দুই উপজেলায় ভাগ করে দিয়েছি। পরিমাণটা খুবই সামান্য। কিন্তু এই সামান্য বরাদ্দের এক পয়সাও এদিক-সেদিক হবে না, ইন শা আল্লাহ। এলাকার সবচেয়ে খারাপ রাস্তাগুলো তিনি নিজে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং পর্যায়ক্রমে সেগুলোর টেকসই সংস্কার করার আশ্বাস দেন।

দলমতের ঊর্ধ্বে ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত; রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুণগত পরিবর্তনের ডাক দিয়ে ডা. মিতু ঘোষণা করেন, “আমার এলাকার কোনো বিএনপি কর্মী বা সমর্থকও যদি বরাদ্দের প্রকৃত হকদার হন, আমি তাকে বঞ্চিত করব না, ইন শা আল্লাহ। এটাই আমাদের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। পবিত্র কুরআনের সূরা আন-নিসার একটি আয়াত উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, রাজনীতি হলো মানুষের হক নিশ্চিত করা। বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, কারও প্রাপ্য আটকে রাখা বা দুর্বলের হক কেটে নেওয়াকে তিনি তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

উন্নয়নে রাজনৈতিক সংস্কৃতির বড় মনের অভাব; নিজের নির্বাচনি এলাকাটিকে দেশের অন্যতম অনুন্নত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করে এই চিকিৎসক-রাজনীতিবিদ আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, সব এমপি যদি দলমত নির্বিশেষে সমন্বয় করে কাজ করতে পারতেন, তবে এলাকার চেহারা বদলে দেওয়া যেত। তবে তার জন্য রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বাইরে গিয়ে যে ‘মন বড় করার’ প্রয়োজন, সেই পরিপক্ব রাজনৈতিক সংস্কৃতি এখনো দেশে তৈরি হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পরিশেষে ডা. মিতু স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি নিজে অন্যায় করব না, কিন্তু কেউ অন্যায় করলে সহজে ছেড়েও দেব না। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে এলাকার রাস্তাঘাট ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বসনিয়ার কাছে হেরে মাসের পর মাস ঘুমাতে পারিনি: গাত্তুসো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ এম


বসনিয়ার কাছে হেরে মাসের পর মাস ঘুমাতে পারিনি: গাত্তুসো

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফে বসনিয়ার বিরুদ্ধে খেলাটি শেষ হওয়ার পরের কঠিন সময় এখনও ভুলে যাননি জেনারো গাত্তুসো। ইতালির প্রাক্তন কোচ জানিয়েছেন, ওই ম্যাচের পর তিনি কয়েক মাস ধরে সঠিকভাবে ঘুমাতে পারেননি। ঘুমানোর জন্য নিজেকে ক্লান্ত করার উদ্দেশ্যে তিনি দীর্ঘ সময় হাঁটতেন বলেও উল্লেখ করেছেন।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বসনিয়া-ইতালি ম্যাচের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে গাত্তুসো বলেন, “ঘটনাগুলোই পার্থক্য গড়ে দেয়। এগুলো আমাদের পৃথিবী ও জীবনেরই অংশ। আমি সব সময়ই বলেছি, ছেলেদের এবং আমার সঙ্গে কাজ করা সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে হবে। কারণ তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। এরপরও এটা স্বাভাবিক যে, এটি আমার জীবনের বাকি সময়ের জন্য একটি ক্ষত হয়ে থাকবে।”

তবে ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে গাত্তুসোর কোনো অভিযোগ নেই। বিশেষ করে আলেসান্দ্রো বাস্তোনির প্রসঙ্গে ইতালির সাবেক এই কোচ বলেন, “আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। ভুল খেলারই অংশ। সে নিশ্চয়ই ইচ্ছা করে নিজে লাল কার্ড দেখেনি।”

গাত্তুসো দলের ভালো দিকগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষায়, “আমরা যে ভালো কাজগুলো করেছি, সেগুলোও থেকে যায়। কারণ, আর যেটা আমাকে বিরক্ত করে, মনে হয় যেন শুধু ফলাফলই গুরুত্বপূর্ণ। কখনো কখনো কী করা হয়েছে এবং কীভাবে করা হয়েছে, সেটাও দেখতে হয়।”

তবে ওই ম্যাচের পরের কয়েক মাস যে তার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল, সেটিও অকপটে জানিয়েছেন গাত্তুসো। তিনি বলেন, “প্রথম কয়েক মাস ঘুমাতে আমার অনেক কষ্ট হতো। নিজেকে ক্লান্ত করে ঘুমাতে পারার জন্য দীর্ঘ সময় হাঁটতাম, যাতে শেষ পর্যন্ত চোখ বন্ধ করতে পারি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ অক্টোবর: ইতিহাসের পাতায় উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ এম


৫ অক্টোবর: ইতিহাসের পাতায় উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি

প্রতিটি দিন সময়ের নদীতে হারিয়ে যায়, তবে কিছু দিন স্মৃতির পাতায় এবং ইতিহাসের পাতায় রয়ে যায়। এসব দিনগুলোতে ঘটে যায় কিছু যুগান্তকারী ঘটনা— মানবসভ্যতার অগ্রগতির মাইলফলক, প্রথম আবিষ্কার, বিপ্লব কিংবা বেদনাবিধুর মুহূর্ত। শতাব্দী ধরে বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন প্রান্তে এই দিনে ঘটেছে নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা আজও আমাদের ভাবায়, শিক্ষা দেয় এবং ইতিহাসকে বুঝতে সহায়তা করে।

আজ সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬। ইতিহাসের পাতায় এই দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

চলুন, ফিরে দেখি ৫ অক্টোবরের ক্যালেন্ডারে খোদাই হয়ে থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দিকে—

১৭৮৯ - ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে।

১৭৯৬ - ব্রিটেনের বিরুদ্ধে স্পেন যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৮৬৪ - ঘূণিঝড়ের ফলে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে ১৭ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৯১০ - তুরস্কের শাসন থেকে বুলগেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং প্রথম ফার্দিনান্দ জার নির্বাচিত হন।

১৯১১ - পর্তুগালের রাজা মনোয়েল ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পলায়ন করেন।

১৯১৪ - জার্মান ও ফরাসি বিমানের আক্রমণের মাধ্যমে প্রথম আকাশ যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯২১ - লেখকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন পেন ইন্টারন্যাশনাল লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৭ - কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭০ - পূর্ব ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন মিডিয়া তথা সমাজ সংযোগ ক্ষেত্রের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান চিত্রবাণী প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৯০ - একীভূত জার্মানির প্রথম সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

২০০২ - ডেটন শান্তিচুক্তির পর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র : উইকিপিডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%