১০:০১ এম
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের উপকণ্ঠে অবস্থিত আল-খার্জ বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি নামেও পরিচিত এই সামরিক স্থাপনাটিতে সোমবার (৮ জুন) সকালে সম্ভাব্য মিসাইল হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। এর কিছু সময় পর সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই অঞ্চলের আল-খারজ বিমানঘাঁটিতে বিকট বিস্ফোরণের খবর ছড়ানোর পরপরই এই সতর্কতা জারি করা হয়।
তবে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি বিবৃতিতে সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানায়, আল-খারজ অঞ্চলের ‘বিপদ এখন কেটে গেছে’। তবে প্রাথমিকভাবে কী ধরনের বিপদ বা হুমকি তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি সৌদি প্রশাসন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
আল-খারজ বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণের খবর ছড়ানোর পর আন্তর্জাতিক মহলে আঙুল ওঠে ইরানের দিকে। তবে ইরান দ্রুত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সৌদি আরবে সোমবার তারা কোনো হামলা চালায়নি বলেও জানায়। সরকারি বার্তাসংস্থা আইআরআইবিকে এক বক্তব্যে ইরানের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরবের আল-খার্জ ঘাঁটিতে ইরান কোনো হামলা চালায়নি।
এর আগে, রবিবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালায় ইসরায়েল। এর জবাবে রাতে ইরান ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের দিকে অন্তত ১০টি মিসাইল নিক্ষেপ করে। সোমবার সকালে ইসরায়েল পাল্টা মিসাইল হামলা চালায় ইরানের রাজধানী তেহরান, ইসফাহানসহ তিনটি শহরে।
এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে একটি মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। যদিও ইসরায়েল থেকে ইয়েমেনের দূরত্ব অনেক, তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে হুতি গোষ্ঠী সেখান থেকে এ হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলের হিব্রু ভাষার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ছোড়া মিসাইলটি প্রতিহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ আহত হননি। তবে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়েছেন। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তাকে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
সূত্র : আল জাজিরা ও টাইমস অব ইসরাইল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন