ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সড়ক সংস্কার বিলম্বে চরম দুর্ভোগ মনোহরগঞ্জবাসীর


সড়ক সংস্কার বিলম্বে চরম দুর্ভোগ মনোহরগঞ্জবাসীর

মনোহরগঞ্জ উপজেলার নাথেরপেটুয়া ইউনিয়নের বিনয়ঘর উত্তরপাড়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হয়েছিল। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ ফেলে চলে যাওয়ার কারণে তিন বছরেও তা শেষ হয়নি। ফলে ভাঙাচোরা সড়কে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয়রা দ্রুত কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিনয়ঘর জয়নাল মেম্বার বাড়ির পুল থেকে মানিকমুড়া সড়ক পর্যন্ত সরকারি সড়কটি সংস্কারের জন্য তিন বছর আগে ‘শরীয়তপুর ট্রেডার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজ শুরু করে। তবে কাজের শুরুতেই সড়কের কিছু অংশে দুই পাশে বক্স কাটিং করে প্রতিষ্ঠানটি হঠাৎ কাজ বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে দীর্ঘ তিন বছর ধরে প্রকল্পটির কোন অগ্রগতি হয়নি।

ঠিকাদারের ফেলে রাখা বক্স কাটিংয়ের কারণে সড়কজুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর সড়কটির অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ে। বর্তমানে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে খাবারের অভাবে লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বানর, সংখ্যা কমছে

সড়ক বেহালের কারণে প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এছাড়া মসজিদ ও মক্তবে যাতায়াতকারী শিশু এবং সাধারণ মানুষ, জরুরি রোগী এবং গর্ভবতী নারীদের চলাচলেও মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন বলেন, ২০২৪ সালের বন্যার পর থেকে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে সড়কটি কাদা-পানিতে ডুবে যায়। তিনি দ্রুত সড়কটি পুনরায় দরপত্রের আওতায় (রি-টেন্ডার) এনে নির্মাণকাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান ঘটে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘শরীয়তপুর ট্রেডার্স’-এর কোনো প্রতিনিধির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমেলা হক ডিগ্রি কলেজে আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা পেলেন অধ্যাপক আনিকা ফারজানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


কমেলা হক ডিগ্রি কলেজে আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা পেলেন অধ্যাপক আনিকা ফারজানা

কমেলা হক ডিগ্রি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনিকা ফারজানা, দীর্ঘ কর্মজীবনের সফল সমাপ্তিতে আন্তরিক বিদায় সংবর্ধনার সম্মান পেয়েছেন কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা), যিনি রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আয়নাল হক।

অনুষ্ঠানে বক্তাগণ জানান, সহকারী অধ্যাপক আনিকা ফারজানা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন। তাঁর কর্মদক্ষতা, মানবিকতা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদান কলেজের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা) বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষক শুধুমাত্র পাঠদান করেন না, বরং তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আনিকা ফারজানা তাঁর কর্মজীবনে সেই দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

বিশেষ অতিথি অ্যাডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী বলেন, একজন শিক্ষকের প্রকৃত সাফল্য তাঁর শিক্ষার্থীদের অর্জনের মধ্যেই প্রতিফলিত হয়। আনিকা ফারজানার কর্মনিষ্ঠা ও শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা কলেজ পরিবারের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

পরে কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষিকা আনিকা ফারজানার হাতে সম্মাননা স্মারক, ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আবেগঘন পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের কর্মজীবনের সমাপ্তিতে প্রিয় শিক্ষিকাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিদায় জানায় কমেলা হক ডিগ্রি কলেজ পরিবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবি ও চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রাম চালুর চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


ঢাবি ও চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রাম চালুর চুক্তি

বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগাম চালুর উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) চীন সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মা ওয়েনহুই, উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শনিবার (২৭ জুন) পাঁচ দিনের সরকারি সফর করে দেশে ফেরেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের বাংলা বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষায় শোনা, বলা, পড়া ও লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা করবে। একইসাথে, স্নাতক পর্যায়ের বাংলা ভাষা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে দুই বিশ্ববিদ্যালয় পারস্পরিক সহযোগিতা করবে।

এছাড়া ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় তাদের তৃতীয় শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের এক সেমিস্টারের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে পাঠাবে।

এসব শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পরিচালনা করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের সমাপনী সনদও প্রদান করা হবে।

চীন সফরের সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘চাইনিজ ব্রিজ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে দুই দেশের জনগণের মধ্যে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষা ও গবেষণায় বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু রাইয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছে আতাউর রহমান ফাউন্ডেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু রাইয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছে আতাউর রহমান ফাউন্ডেশন

সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিকতায় এবার আতাউর রহমান ফাউন্ডেশন একটি শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ৮ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু রাইয়ান বাবুর জন্য একটি হুইলচেয়ার উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে তার মা আশা সন্তানকে লালন-পালন করে আসছিলেন।

জানা গেছে, রাইয়ানের চলাফেরায় সমস্যার কারণে একটি হুইলচেয়ারের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তার পরিবারের পক্ষে সেটি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছিল না। স্থানীয়ভাবে ডাব বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত খালা নামের এক নারীর মাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসে।

পরে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে আতাউর রহমান ফাউন্ডেশন শিশুটির জন্য একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইমাজ উদ্দিন মন্ডল নিজে উপস্থিত থেকে রাইয়ান বাবুর হাতে হুইলচেয়ারটি তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তৌহিদুর রহমান সুইট, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শওকতসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সহায়তা পেয়ে রাইয়ান বাবুর পরিবার গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তারা জানান, এই হুইলচেয়ারটি শিশুটির চলাফেরা ও দৈনন্দিন জীবনে অনেক স্বস্তি এনে দেবে।

মানবিক এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করেছে, সমাজে এখনো এমন অনেক হৃদয়বান মানুষ রয়েছেন, যারা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপ্তি: চ্যাম্পিয়ন জিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


কুড়িগ্রামে জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপ্তি: চ্যাম্পিয়ন জিম

কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাকক্ষে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই প্রতিযোগিতার পর্দা নামে।

অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভাইস চ্যান্সেলর) প্রফেসর ড. রাশেদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. রাশেদুল ইসলাম বলেন, "দাবা শুধু একটি খেলা নয়, এটি মেধা ও মননের বিকাশ ঘটায়। তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের হাত থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক খেলার আয়োজন আরও বেশি করা প্রয়োজন। কুড়িগ্রামের এই মেধা একদিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জেলার নাম উজ্জ্বল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, "জেলা পরিষদ সবসময় যুবসমাজের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের পাশে আছে। ক্রীড়াঙ্গনকে চাঙ্গা করতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।"

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, "সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। দাবা খেলোয়াড়দের ধৈর্য ও কৌশল শেখায়, যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগে।"

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নাজমুল হুদা লাকু, সিনিয়র সাংবাদিক ইউনুছ আলী, সোনালী অতীত ক্লাব কুড়িগ্রামের সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী ঝিনুক এবং জাতীয় দাবা বিচারক মোজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা কুড়িগ্রামে নিয়মিত দাবার আসর আয়োজনের ওপর জোর দেন।

উত্তেজনাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন মুহতাসিম ফুয়াদ জিম। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হয়েছেন আরিফুর রহমান বিপ্লব এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন ফাহাদ আল ফারাবী।

অনুষ্ঠান শেষে চ্যাম্পিয়ন, রানার আপসহ শীর্ষ ১৫ জন বিজয়ীর হাতে মেডেল ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও সুধীসমাজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%