জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৪:০৮ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুননাহারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের তদন্তকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীদের একাংশের দাবি, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে স্বপদে বহাল রেখেই তদন্ত পরিচালনা করায় নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
বালিয়াকান্দি উপজেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুননাহারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের পক্ষে অভিযোগকারীদের দাবি, তদন্তের আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এটি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বই বিতরণ শাখার উপপরিচালক তাপস কুমার অধিকারী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আগামী ১ জুলাই সকাল ১০টায় বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে তদন্তের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারি ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠে প্রকাশিত "বালিয়াকান্দিতে ঘুষ না পাওয়ায় স্লিপ ফান্ডের ৩০ লাখ টাকা ছাড় না করার অভিযোগ" শীর্ষক সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালিত হবে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, চিঠির অনুলিপির ৭ নম্বর ক্রমিকে "প্রতিনিধি/প্রতিবেদক, দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠ, রাজবাড়ী"-এর নাম থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে এখনো কোনো সরকারি নোটিশ বা চিঠি পৌঁছায়নি। তার দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়া থেকে তাকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হয়েছে।
এদিকে, তাজমুননাহারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব প্রতিবেদনের পর তদন্ত কমিটি গঠন হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে ভয় ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্র পরিচালনার বিলসহ বিভিন্ন পাওনা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। এছাড়া পেনশন সংক্রান্ত ফাইল নিষ্পত্তিতেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় নিয়েও অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক বলেন, স্লিপ ফান্ডের অর্থ ছাড়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষের অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা এখনও বহাল থাকায় তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।
প্রতিবেদক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "আমি তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছি। সরকারি চিঠিতে অনুলিপি দেওয়ার কথা থাকলেও আমার কাছে কোনো নোটিশ পৌঁছায়নি। এতে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
আরও কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্বে রেখেই তদন্ত করায় তারা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে সাহস পাচ্ছেন না। তাদের দাবি, তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তবিবুর রহমান বলেন, প্রতিনিধি কেন চিঠি পাইনি এটা আমার জানা নাই চিনি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন তিনি বাইপত্রে এটা পাঠানোর কথা রয়েছে। ভোট কেন্দ্র সংস্থার এর দ্বিতীয় ধাপের বরাদ্দের বিষয়ে বিল আটকে রাখার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাজমুন নাহার জানেন বিষয়টি আমার জানা নাই যেহেতু এটা আর্থিক লেনদেনের বিষয়, এর সম্পূর্ণ দায়ী তার, এই বিষয়ে তার কাছ থেকে মতামত নেওয়াই ভাল হবে।
ভোট কেন্দ্র সংস্কারের দ্বিতীয় ধাপের বরাদ্দ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুননাহার যোগাযোগ করা হবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বই বিতরণ শাখার উপপরিচালক তাপস কুমার অধিকারী মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলো, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী শহর পাভেহতে, নিজের বাড়িতে বন্দুকধারীদের গুলিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
হামলাকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
তবে, অতীতের হামলাগুলোর জন্য ইরানের সরকার প্রায়ই সীমান্ত এলাকার কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে। তেহরান এই গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তোলে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল একটি ‘সন্ত্রাসী ও কাপুরুষোচিত হামলা’।
এই ঘটনায় আরো দুইজন আইআরজিসি সদস্য আহত হয়েছেন।
হামলার বিস্তারিত ঘটনা এবং দোষীদের শনাক্ত করতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, সোমবার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সারাভান শহরে একটি পরিবারের গাড়িতে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এতে পরিবারের বাবা ঘটনাস্থলেই নিহত হন, এবং মা গুরুতর আহত হন।
পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
এই হামলার জন্য কারা দায়ী, সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো অফিসিয়াল তথ্য দেয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, হামলাটি ‘জায়নবাদী-আমেরিকান ভাড়াটে গোষ্ঠী’ পরিচালিত। ইরানের কর্মকর্তারা সাধারণত বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বোঝাতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করেন।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনী, সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটছে।
এটি হচ্ছে ইরানের অন্যতম দরিদ্র প্রদেশ। এখানে অনেক বেলুচ জনগণের বাস, যাদের বেশিরভাগ সুন্নি মুসলিম, তবে ইরানের অধিকাংশ মানুষ শিয়া মুসলিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারে পৃথক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পেশাদার দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য হেরোইন উদ্ধার হয়।
এ ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে, যখন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগের রাতে সোমবার (২৯ জুন), সাভারের সিএন্ডবি মোড় এবং নবীনগর সেনা শপিং সেন্টারের পশ্চিম পাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানার শিহরাইল গ্রামের মো. দুলালের ছেলে আনোয়ার হোসেন, যিনি ওরফে রাসেল মন্ডল (৪২) পরিচিত। অন্যজন হলেন মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার হাঠাইল মধুপুর গ্রামের মৃত হরমত মেকারের ছেলে উজ্জল (৫০)।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভিনের নির্দেশনায় এবং ঢাকা জেলার ডিবির (উত্তর) পরিদর্শক সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানের সময় সাভারের সিএন্ডবি মোড় এবং নবীনগর সেনা শপিং সেন্টারের পশ্চিম পাশের এলাকায় তারা গ্রেপ্তার হন। মাদকদ্রব্য হেরোইনও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, 'গ্রেপ্তাররা পেশাদার মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'
তিনি আরও জানিয়েছেন, মাদক নির্মূলে ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার ট্রাক টার্মিনালের মাঠ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন
অদ্য ৩০ জুন ২০২৬ খ্রি. নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকার যানবাহনের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গতকালকের মিটিং এর পর আজ সকাল ১১ টায় ট্রাক টার্মিনাল, এজেন্ট (দালাল) অফিস, প্রস্তাবিত ট্রাক টার্মিনালের মাঠ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পরিবহন মালিক, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ , চালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঢাকা বাস স্ট্যান্ড সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট নিরসন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডে যানবাহনের সুশৃঙ্খল চলাচল নিশ্চিত করা, যেখানে-সেখানে যানবাহন দাঁড় করানো থেকে বিরত থাকা, নির্ধারিত স্থানে যাত্রী ওঠানামা করানো এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নওগাঁ জেলার গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও জনবান্ধব সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পরিবহন মালিক-শ্রমিক, চালক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সুপার, মালিক এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের নিয়ে নওগাঁ জেলার প্রস্তাবিত ট্রাক টার্মিনাল এর এলাকা ঘুরে দেখেন। টার্মিনাল এলাকায় প্রবেশ এবং বের হওয়ার রাস্তার সমস্যা চিহ্নিত করেন। এ সময় তিনি ট্রাক টার্মিনালে প্রবেশ এবং বের হওয়ার রাস্তা মেরামত এবং সংস্কার করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী নওগাঁ পৌরসভা মহোদয়কে অনুরোধ করেন। তিনি ট্রাক এবং সিএনজি শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং মালিক পক্ষ দেরকে টার্মিনালটি ব্যবহার শুরু করার জন্য অনুরোধ করেন। এরফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা বাসস্টান্ড এলাকায় যানজট কমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ট্রাক মালিক এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও সিএনজি সিএনজি নেতৃবৃন্দ ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তার উপর গাড়ি পার্কিং হতে বিরত থাকা এবং নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে নওগাঁ জেলা পুলিশের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ইরান সফরে যেতে পারেন, যেখানে তিনি মরহুম আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে পারেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের প্রথম ঘণ্টায়, তেহরানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে চালানো হামলায় শহীদ হয়েছিলেন। এই হামলায় তার পুত্রবধূ, কন্যা এবং অন্তত একজন নাতিও শহীদ হন।
এখনো আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হয়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানে তিন দিনব্যাপী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর, পবিত্র শহর কোমে আরও একদিনের সময় প্রয়োজন হবে এবং এরপর আগামী ৯ জুলাই তাকে তার নিজ শহর, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদে দাফন করা হবে।
তার ছেলে মোজতবা আলি খামেনি আহত অবস্থায় বেঁচে যান এবং তিনি বর্তমানে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যদিও এখনো তিনি জনসমক্ষে আসেননি।
এদিকে, ইরান সফর শেষে, প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কও ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধে ইসলামাবাদ প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর, পাকিস্তান ও ইরানের সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে। শেহবাজের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন যুদ্ধরত দেশগুলোকে আলোচনার টেবিলে এনে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ