ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ অনুষ্ঠিত হবে


রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ অনুষ্ঠিত হবে

ঢাকার পল্লবীতে একটি ঘটনা ঘটে যেখানে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় করা মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি শেষ হলে আদালত যে কোনো দিন রায়ের তারিখ নির্ধারণ করতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) মামলার আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

আলাদা সূত্র থেকে জানা যায়, বুধবার বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং ১০টা ৫৭ মিনিটে তার স্ত্রী মামলার অন্য আসামি স্বপ্না আক্তারকে আদালতের এজলাসে আনা হয়। বিচারক ১১টা ১০ মিনিটে এজলাসে উঠলে শুনানি শুরু হয়। শুনানির পূর্বে দুই আসামিকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছিল।

শুনানির শুরুতে বিচারক মামলার ১৬ জন সাক্ষীর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য, ভিডিও প্রমাণ এবং বিভিন্ন আলামত সম্পর্কে আসামিদের সামনে আলোচনা করেন। এতে উঠে আসে রামিসাকে খোঁজার ঘটনাটি, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্ত করা, রক্তের আলামত উদ্ধার করা এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি। একই সঙ্গে অভিযোগ অনুযায়ী স্বপ্না আক্তার কীভাবে সোহেল রানাকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন, সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

এসময় আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্যে সোহেল রানা বলেন, "আমি নির্দোষ স্যার। স্যার, আমাকে মাফ করে দিন।" একপর্যায়ে তিনি বলেন, "ডলারকে ধরেন। আমি অপরাধ করেছি, তাকেও ধরেন।" আসামি স্বপ্না আক্তারও নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমি কিছু করিনি।"

গত ১৯ মে পল্লবীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

মামলায় সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে গত ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখে ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ এম


মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখে ছেলে

গর্ভধারিণী মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে, যিনি মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের দল মেঝে খুঁড়ে মৃত মা মারুফা বেগমের লাশ উদ্ধার করেছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামে ছেলে জুয়েলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা মায়ের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার ফলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

যখন ঘটনাটি জানাজানি হয়, তখন ছেলে জুয়েল মিয়া (৪০) পালিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের পুত্রবধূ ও নাতিকে থানায় আনা হয়েছে, নিহত মারুফা বেগম (৬০) ছিলেন মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। স্থানীয়রা জানায়, গত সোমবার তারা মারুফা বেগমকে দেখেছিলেন। এরপর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে যে, সোমবারের কোনো এক সময়ে তাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়েছিল।

মারুফা বেগমের ছেলে লাভিন মিয়া জানান, তিনি ৩ ভাইয়ের মধ্যে একজন। এক ভাই মারা গেছে, অপর ভাই জুয়েল মিয়া বাড়িতে থাকে এবং তিনি ঢাকায়। শনিবার (৩০ মে) ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। একই দিন ভাইয়ের উপর রাগ করে ভাবি তার ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরের দিন রোববার, শ্বশুরবাড়িতে যেতে হয় তাকে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজ হচ্ছিল। এর মধ্যে অনেকের কাছে খোঁজ করেও না পেয়ে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। বেলা সাড়ে ৩টার সময় তার স্ত্রী বাড়িতে এসে বিছানার তোশক ঠিক করার সময় রক্ত দেখতে পান, যা দেখেতেই তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তার ভাই জুয়েলের থাকার ঘরের মেঝের মাটিতে ফাটল ও কাঁচা মাটি দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের খবর দিলে তারা আসেন এবং মেঝের ফাটল ও কাঁচা মাটি দেখে সন্দেহ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে মেঝের মাটি খুঁড়ে মা মারুফা বেগমের লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে সন্দেহ হলে তারা রাতে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করেন। লাশের মাথার সামনে বাম দিকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, দুই দিন আগে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ থানায় আনা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার লাশ জেলা মর্গে পাঠানো হবে।

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ছেলে জুয়েল পলাতক রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুয়েলের স্ত্রী হাসি বেগম (৩৫) ও জুয়েলের ছেলে গোলাম রাব্বীকে (১৮) থানায় আনা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, ছেলে জুয়েলেই তার মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছিল। নিহতের ছোট ছেলে থানায় একটি মামলা দায়ের করতে এসেছে। হত্যাকারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানার ভিতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য সাময়িক বহিষ্কৃত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ এম


থানার ভিতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য সাময়িক বহিষ্কৃত

থানার কলাপসিবল গেটের অপরপ্রান্ত থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাকিবুল ইসলাম কথা বলছেন। তার পাশেই উপস্থিত হয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান ও পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা।

রংপুর মহানগরীতে থানার ভেতরে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার সময় বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কোতোয়ালি থানার ভেতর এ ঘটনা সংঘটিত হয়।

পরে এই ঘটনার পর তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মারধরের শিকার ওই নেতার নাম রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর সদর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব।

রাকিবুল ইসলাম রাকিব দাবি করেছেন, থানার ভেতরে ওসি আজাদ রহমানের নেতৃত্বে বেশ কিছু পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের আগে নগরীর সিও বাজার এলাকার একটি প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়েছিল। ওই যুগলকে উদ্ধার করার পর বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। ওই যুগলের পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলের কিছু নেতা থানায় যান। লাভলু নামে এক নেতার ডাকে রাকিবুল ইসলাম রাকিব থানায় গিয়েছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, থানায় গিয়ে রাকিবুল ইসলাম রাকিব দেখতে পান, এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে ওসি ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন। এ ঘটনায় তিনি রক্তাক্ত ও আহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে থানার কলাপসিবল গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ সময় গেটের ভেতর থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাকিবুল ইসলাম। তখন তার শরীরে রক্তের দাগ ও আঘাতে একটি চোখ ফুলে যেতে দেখা যায়।

রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উদ্ধৃত প্রেমিক যুগলকে থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য মারধর করছিলেন। বিষয়টি দলের এক নেতাকে জানাতে যখন তিনি পকেট থেকে ফোন বের করেন, তখন ওসি, এসআই ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

এসময় কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, এখানে ওসি, এসআই আমাকে রাইফেল দিয়ে মারল। বারবার তাদের অনুরোধ করেছি, পরিচয় দিয়েছি যে আমি স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব, বিএনপির একজন কর্মী। আমাকে ১৩টা মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তারা আমাকে মারধর করেছে, যার ফলে আমার চোখ সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্দুক দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করছে। আমার ফোন দুটো ছিনতাই করেছে। পুলিশের চরিত্র অনেকটা ফ্যাসিবাদী। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মারধরের পর পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে রক্তমাখা তুলা দেখান এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন প্রদর্শন করেন।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু থানায় যান। পরে মারধরের শিকার ওই নেতাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরে রাত ১১টার দিকে থানার ধারে ওই যুগলকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় থানার ভেতরে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, রাকিবকে পুলিশ ধরে মারল, আমি মাথায় ঘুসি লেগেছিল। ওই যুগলকে ধরে মারছে, এটা নিষেধ করার কারণে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওসি নিজেই স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা রাকিবকে পিটিয়েছে। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন সামসুজ্জামান সামু। বিএনপির নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেষ্টা করেন।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রংপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া ইসলাম জিম। তিনি বলেন, পোশাক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু পুলিশের চরিত্র পরিবর্তন হয়নি। তাদের রক্তে এখনো আওয়ামী স্বৈরাচারীর গন্ধ পাওয়া যায়। আমরা জানি পুলিশ মানবিক, কিন্তু পুলিশের এই আচরণ আমরা আশা করিনি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবো। প্রয়োজনে থানার ঘেরাও করা হবে।

অন্যদিকে, মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া প্রেমিক যুগলের দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি হলে তারা থামান।

তবে আহত স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও কাপড়ে রক্তের দাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক সময় আম গাছের আঘাতেও রক্ত বের হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল مাবুদ বলেন, এরকম অভিযোগ পেলে অবশ্যই বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার পর রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে রিপোর্ট (ক্লোজড) করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা ও সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ রানা।

একইসঙ্গে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে সভাপতি, ডিসি (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান এবং এসি কোতোয়ালী সুকুমার রায়কে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ জন্য সবার কাছে ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কুপিয়ে জখম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০১ এম


পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কুপিয়ে জখম

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে দুর্বৃত্তরা এক পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কুপিয়ে জখম করেছে।

বুধবার (৩ জুন) রাতে উপজেলার ভারেল্লা উত্তরের রামচন্দ্রপুর এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশের কনস্টেবল মো. ফোরকান বুড়িচং থানার অধীনস্থ দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামচন্দ্রপুর পূর্বপাড়া এলাকায় ইকবাল হোসেনের বাড়িতে সংঘষের ঘটনায় অভিযোগের তথ্য পেয়ে তদন্তে যায় দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল।

এ সময় পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, ইকবাল তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

হামলার একপর্যায়ে ইকবাল কনস্টেবল ফোরকানকে ধারালো অস্ত্রমতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

পরে, সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা আহত ফোরকানকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠান।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

বুড়িচং থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ১ জন নিহত, ১৫ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ এম


কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ১ জন নিহত, ১৫ জন আহত

কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে দেবীদ্বার এলাকায় এক যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ার ফলে একজন নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য দেবীদ্বার ও কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে, সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আফরোজা পরিবহনের একটি নাইট কোচ দেবীদ্বার উপজেলার ভিড়াল্লা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর পরিচয় লিজা আক্তার (৩০) হিসেবে জানা গেছে। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলি উপজেলার দামপাড়া গ্রামের মীর করিমের স্ত্রী এবং চট্টগ্রামে গার্মেন্টসে চাকরি করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানার পুলিশ, মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এবং মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাত ৩টার দিকে অভিযানে নামেন। পরে তারা নিহত নারীর লাশ ও আহতদের উদ্ধার করেন। তবে চান্দিনা থানার ইলিয়েটগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ি থেকে রেকার আসতে বিলম্ব হওয়ায় আহতদের উদ্ধারে দেরি হয়েছে।

আহত যাত্রী রবিউল জানান, যখন বাসটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিক্রম করছিল, তখন থেকে চালক এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। আমরা চালককে সতর্কও করেছিলাম। কিন্তু দেবীদ্বার এলাকায় আসার পর হঠাৎ গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়। বেশিরভাগ যাত্রীই ঘুমে ছিলেন এবং বাসটিতে প্রায় ৪০-৪৫ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

দেবীদ্বার থানার এসআই সাগর সাহা জানান, রাত ৩টার সময় ঘটনাস্থলে এসে তিনি বলেছেন যে, চালক সম্ভবত ঘুমের ঘোরে ছিলেন, যার ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। মারাত্মক আহত ৭ জনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার কাজ করেছি। রেকার আসলে বাসটি উঠানোর পরই বলা যাবে বাসের নিচে আর কেউ রয়েছে কিনা।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%