১১:০৪ এম
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ভয়াবহ সংঘাতের পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা করছেন যে, কূটনীতির মাধ্যমে এই যুদ্ধ থামানো সম্ভব হবে। তবে হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের চলমান এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে, এ সম্পর্কে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।
আইইএ প্রধান ফাতিহ বিরল বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বর্তমানে একটি বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যদি পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না ঘটে, তাহলে আমাদের সকলের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হয়।
এদিকে, টানা ষষ্ঠ রাতের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলি বন্দর আব্বাস, আহভাজ ও ইরানশহরে সংঘটিত হয়েছে। মার্কিন নৌ-অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করতে থাকা একটি জাহাজের দিকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এছাড়া, বন্দর-ই খামির সেতুতে মার্কিন হামলায় ৭ জন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে ইরান।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
হামলার জবাবে, কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতার থেকেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এক মাস আগে পাকিস্তানে সই হওয়া যুদ্ধবিরতির চুক্তিটি বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ইরান চুক্তির শর্ত ভেঙে বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়েছে, যার ফলে এই হামলা ঘটছে। তবে চুক্তি না মানার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে।
ইরানের সামরিক মুখপাত্র আবুলফজল শেকারচি মন্তব্য করেছেন যে, হরমুজ প্রণালি শুধুমাত্র ইরান এবং ওমানের। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও নাক গলানোর অধিকার নেই। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে এই অঞ্চল থেকে সরে যাওয়ার জন্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নৌ-অবরোধ ভাঙার চেষ্টা চলাকালে পাঁচটি জাহাজের মধ্যে তিনটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং একটি জাহাজকে অকেজো করা হয়েছে। এছাড়া, একটি তেলের ট্যাংকারেও মার্কিন সেনারা উঠে তল্লাশি চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন