মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১০ পি.এম
রাশিয়ার ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে, যা দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসের মাধ্যমে জরুরি পরিষেবা সংস্থার সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেরেস্লাভল-জালেস্কি শহরের নিকটবর্তী কুব্রিনস্ক গ্রামের দুটি ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আহত একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল এভরায়েভ টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে এবং দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে। সেখানে প্রায় ২০০ জন জরুরি কর্মী কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে যে আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে। তবে শিল্প নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রুশ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়া, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের বগুড়া জেলা সভাপতি সাজেদুর রহমান সাহিনসহ ৪ জন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সাজেদুর রহমান সাহিন, যিনি খরনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ৫২ বছর বয়সী। এছাড়াও, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সৈয়দ আবু জাফর সিদ্দিক রিপন (৬০), শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন নির্জন ওরফে ভাদু (২৯) এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী ফেরদৌস হোসেন (২৬) অন্তর্ভুক্ত।
গ্রেপ্তার হওয়া সাজেদুর রহমান সাহিনের বিরুদ্ধে ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে। সাব্বির হোসেন নির্জনের বিরুদ্ধে ১০টির বেশি মামলা রয়েছে। ফেরদৌস হোসেনের বিরুদ্ধে দু’টির বেশি মামলা রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
বগুড়া জেলা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার বাসস’কে জানান, গ্রেপ্তারকৃত ৪ জন দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সোমবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাইওয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পরেও তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে আশ্বস্ত করেছে তাইপে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু।
কু জানান, চীনের চাপ সত্ত্বেও তাইওয়ানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, অস্ত্র কেনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় ও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবুও যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পূর্বে অর্ডার করা কিছু সামরিক সরঞ্জামের সরবরাহে বিলম্ব ঘটছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে অর্ডার করা লকহিড মার্টিনের ৬৬টি উন্নত এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান। উৎপাদন ও সরবরাহের বিভিন্ন কারণে এসব যুদ্ধবিমানের সরবরাহ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে গেছে। তাইওয়ানের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রথম দুটি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান বর্তমানে হাওয়াইয়ে অবস্থান করছে। পূর্বে সেগুলো তাইওয়ানের উদ্দেশে যাত্রা করলেও পরে হাওয়াইয়ে ফিরে এসেছে। ফলে সরবরাহের সময়সূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী কু জানিয়েছেন, সরবরাহে বিলম্বের কারণে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং দ্রুত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে জান্তা সরকারের বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছে আরও ৩৬ জন। সেনাবাহিনী সোমবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে একটি জনবহুল বাজার এলাকায় এই ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়। খবরটি আলজাজিরা প্রকাশ করেছে।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আরাকান আর্মি (এএ) জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে কিয়াকতাও শহরের একটি স্থানীয় পাইকারি বাজারের কাছে জান্তার একটি যুদ্ধবিমান থেকে দুটি বোমা ফেলা হয়। মুহূর্তের মধ্যে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়, যারা বাজারে আসা ক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা ও পথচারী ছিলেন। সংগঠনটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
রাখাইনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াই হুন অং এপির কাছে এই ভয়াবহতার চিত্র নিশ্চিত করে বলেন, ‘হামলার শিকার বাজারটি এই অঞ্চলের প্রধান পাইকারি কেন্দ্র ছিল, যেখানে রাজ্যজুড়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকত। রাখাইনে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন জ্বলছে, বহু যানবাহন দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং নিকটস্থ ব্রিজের কিছু অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।
যেমনটি পূর্বে দেখা গেছে, সামরিক জান্তা সরকার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অতীতে এ ধরনের হামলার জবাবে জান্তা দাবি করে আসছিল যে তারা কেবল বৈধ ‘সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত হানে এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে আখ্যা দেয়।
২০২১ সালে সু চির গণতান্ত্রিক সরকার পতনের পর থেকে মিয়ানমারজুড়ে গৃহযুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ বছর সেন শাসনের পর চলতি বছরের এপ্রিলে সামরিক সমর্থিত সংসদের মাধ্যমে নিজেকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে নিজের ক্ষমতা সুসংহত করেন সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং।
অন্যদিকে, রাখাইন রাজ্যের জাতিগত সংখ্যালঘু জনগণের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়া আরাকান আর্মি (এএ) ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে। তারা ইতোমধ্যে রাখাইনের ১৭টি শহরের মধ্যে ১৪টি এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সদর দফতর দখল করে নিয়েছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে সেনাবাহিনী সেখানে কঠোর অবরোধ আরোপ করায় খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, এই সংঘাতের ফলে রাখাইনেই গৃহহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ। আগস্টে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। এসিএলইডি-এর তথ্য অনুযায়ী, এই গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত ১ লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার অন্যতম ‘হোতা’ খন্দকার মোশতাক আহমেদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আসিফ নজরুলের চরিত্র তার কাছে খন্দকার মোশতাকের চরিত্রের মতো মনে হয়।’
সম্প্রতি তিনি একটি জাতীয় দৈনিকে সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। ফজলুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় চেনা যায় না এরা কারা। ড. আসিফ নজরুল বয়সে আমার ছোট। যেদিন আইএসসি পাস করছি, সেদিন উনার জন্ম হয়েছে—১৯৬৬ সালে।’
আসিফ নজরুল সম্পর্কে তার পূর্বের ধারণা তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি মনে করতাম, এই লোকটা জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন প্রফেসর। এখানে এসে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি হয়ে গেলেন। খুব রেসপেক্ট করতাম। কথাবার্তা যখন আমাদের মিটিংয়ে বলতেন, মনে হতো যেন একজন ফেরেশতা কথা বলতেছেন।’
এরপর আসিফ নজরুলের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘এই লোকটার বাড়ি কুমিল্লা। এত শিক্ষিত মানুষ। এই লোকটার চরিত্র কেন এমন—আমি মিলায়ে দেখি, এই লোকটার কুমিল্লার পাশের বাড়ির আরেকজন লোক আছে, দাউদকান্দির। তার নাম খন্দকার মোশতাক। আমার কাছে মনে হয়, খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তার কোনো আত্মীয়তা আছে।’
খন্দকার মোশতাকের প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমান বলেন, ‘খন্দকার মোশতাক বঙ্গবন্ধুর বাবা যখন মারা গেছেন, তার চেয়ে কান্না আর কেউ বেশি কান্দে নাই। কিন্তু হত্যাটা কিন্তু সেই করছে।’
আসিফ নজরুলের প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আসিফ নজরুলের ক্যারেক্টারটা আমার কাছে কিন্তু এই রকম মনে হয়। কাজেই আপনি যাদের খুব শিক্ষিত, ভালো মানুষ মনে করতেছেন, তাদের অন্তরে যে বাংলাদেশ রাখা যাবে না, এই দেশটাকে প্রগতির পথে, মুক্তির পথে রাখা যাবে না—এইটা তারা ১৮ মাসের শাসনে নিজেদের কর্মকাণ্ড দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে একসময় নিজের ইতিবাচক ধারণার কথাও তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। তিনি মন্তব্য করেন, ‘নোবেল লরিয়েট বাঙালির মুসলমানের সন্তান—কোনো দিন নোবেল পায় নাই, এর চেয়ে গৌরবের আর কিছু হতে পারে না।’
তবে পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড দেখে নিজের অবস্থান পরিবর্তনের কথা জানান তিনি। তার অভিযোগ, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হলেও ড. ইউনূস তার প্রতিবাদ করেননি।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘যেদিন থেকে আমি এসব দেখতে শুরু করলাম এবং ফাইনালি যখন দেখলাম জামায়াত এবং ছাত্রশিবির বলা শুরু করল—এই দেশে কোনো যুদ্ধ হয়নি, এই দেশে মুক্তিযুদ্ধ বলে কোনো যুদ্ধ হয়নি, এই দেশে হয়েছিল একটা গণ্ডগোল। আর সেই গণ্ডগোলটা লাগিয়ে দিয়েছিল আমাদের মহাশত্রু হিন্দুস্তান—এই কারণে এটা কোনো যুদ্ধ হয়নি।’
তিনি আরো বলেন, ‘তখন আমি বলছি, ওই যে কথাটা বলছিলাম—আলবদর, রাজাকারের বাচ্চারা, মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু হইছে। আর ইউনূস সাহেবকে বলছিলাম, আপনি যেহেতু এটার প্রতিবাদ করেননি, আপনি হইলেন এটার প্রধান উৎসাহদাতা বা আপনি হলেন এটার প্রধান কারিগর।’
ড. ইউনূসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোতে না যাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনি এক দিনও শহীদ মিনারে যান নাই। আপনি এক দিনও স্মৃতিস্তম্ভে যান নাই। আপনার পরিবারে একজন লোকও মুক্তিযুদ্ধে যায় নাই।’
এ সময় ড. ইউনূসের পারিবারিক ব্যবসা ও তার পরিচালিত গ্রামীণ ব্যবসা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সচিবালয়কেন্দ্রিক দুর্নীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান ফজলুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘সচিবালয়ে বসে শত শত কোটি টাকার ব্যবসা হইছে—ধরে না কেন আমাদের সরকার, আমি বুঝি না। একবার শুধু বলছে পার্লামেন্টে এটার বিচার হবে। আমি জানি না কথা এবং কাজটা এক হবে কিনা।’
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামল নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, ‘ইউনূস সাহেব নেতা ছিলেন। যার আমলে এত কিছু হইতে পারে, সে ইউনূস সাহেব যত কথাই আপনি বলেন—আমি মনে করি, ইয়েস, নোবেল লরিয়েট। উনার প্রতি আমার মুরব্বি হিসেবে শ্রদ্ধা রইল। কিন্তু শাসক হিসেবে উনি দুঃশাসক এবং বাংলাদেশের জন্য সর্বনাশ করে রেখে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ