ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি


সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

 

ভোরে বিএসএফ আটজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে নদীপথে সাঁতরে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক এ আটজনের অবৈধ পুশইনের অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোর সোয়া ৫টার দিকে, বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধীন জয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১৫২/১-এস সংলগ্ন এলাকায় প্রতিপক্ষ ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চর মেঘনা ক্যাম্পের সদস্যরা এ আটজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে নদীপথে সাঁতরে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ডাম্পট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত, ১৮ আহত

বিজিবির টহলদল বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করে এবং ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। এর ফলে, বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে তারা নদীপথেই পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। ফলে, অবৈধ পুশইনের প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের প্রচেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গার্দিওলার আগে ‘ডন’কে চেয়েছিল ইতালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


গার্দিওলার আগে ‘ডন’কে চেয়েছিল ইতালি

গার্দিওলার আগে আনচেলত্তিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিতে চেয়েছিল ইতালি।

ফুটবলে কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইতালির ফুটবল। এতটাই কঠিন যে, তারা শেষ তিনটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, এবং এর ফলে জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

কঠিন এই সময় থেকে বেরিয়ে আসতে ইতালি বিশ্বের দুই সেরা কোচ, কার্লো আনচেলত্তি ও পেপ গার্দিওলার কাছে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইতালি ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি।

শুরুর দিকে ইতালি আনচেলত্তির সাথে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু তিনি নিজের দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব না নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ হিসেবে ব্রাজিলকে বেছে নেন।

এখন ইতালি গার্দিওলার পিছনে ছুটছে, কারণ তারা নিজেদের সাবেক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে পাচ্ছে না। ইতিমধ্যে সাবেক বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার সিটির কোচের সাথে এফআইজিসির সভাপতি জিওভান্নি মালাগোর আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত নয় যে গার্দিওলাকে ইতালির পরবর্তী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে কিনা। গত এপ্রিল মাসে জেনেরো গাত্তুসো সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই ইতালির কোচের পদ শূণ্য রয়েছে।

এদিকে, ম্যানসিটির হয়ে ১০ বছর ধরে ডাগআউট পরিচালনা করা গার্দিওলাও বর্তমানে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। দুইয়ের মধ্যে কি সমঝোতা হবে তা এখন দেখার বিষয়।

এক সংবাদ সম্মেলনে মালদিনি বলেছেন, ‘পেপের আগে আনচেলত্তির সাথে আমাদের আলোচনা হয়েছিল, এ বিষয়টি আমরা গোপন রাখতে চাই না। সত্যি বলতে, আমরা যাদের বিশ্বের সেরা মনে করি, তাদের দিয়েই শুরু করা আমাদের কাছে সঠিক মনে হয়েছিল।’

ব্রাজিলের হয়ে আনচেলত্তির জন্য প্রথমবার জাতীয় দলের দায়িত্ব যথেষ্ট ভালো হয়নি। তাঁকে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বিদায় নিতে হয়েছে। ‘ডন’ নামে পরিচিত আনচেলত্তি কঠিন পরিস্থিতিতে ঠান্ডা মাথায় সমস্যার সমাধান করার দক্ষতার জন্য পরিচিত।

গার্দিওলার ইতালির ডাগআউটের দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদ মাধ্যম লা গাজেট্তা দেলো স্পোর্ট। তবে জানা গেছে, বার্ষিক স্যালারি ইতালির চেয়ে দ্বিগুণ দাবি করেছেন গার্দিওলা, যার কারণে চুক্তি এখনো ঝুলে রয়েছে। মালদিনি এই বিষয়ে আরও কিছু বলার আগ্রহ প্রকাশ করেননি। মালদিনি, যিনি ইতালির জাতীয় দলের হয়ে ১২৬ ম্যাচ খেলেছেন, বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, এই মুহূর্তে কি চলছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য এখনি জানাতে চাই না।’

ম্যানচেস্টার সিটিকে গত এক দশকে অনেক শিরোপা এনে দিয়েছেন গার্দিওলা। বিশেষ করে ইংল্যান্ড ক্লাবটির জন্য এক স্বপ্ন চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় নিশ্চিত করেছেন। তার সময়ে সিটিজেনরা ৬টি প্রিমিয়ার লিগ, ৫টি লিগ কাপ ও ৩টি এফএ কাপ জিতেছে।

অবশেষে, যদি গার্দিওলাকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয় ইতালি, তাহলে বিকল্পদের নিয়ে ভাবার সিদ্ধান্ত নিবে। বিকল্পের মধ্যে আছেন আগের দায়িত্ব পালন করা দুই কোচ, আন্তোনিও কন্তে ও রবার্তো মানচিনি। এছাড়া আজ্জুরিদের কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্দ্রে পিরলোকেও তারা পছন্দ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালমনিরহাটে উদ্‌যাপিত জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


লালমনিরহাটে উদ্‌যাপিত জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি, আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং বিভিন্ন আধ্যাত্মিক আয়োজনের মধ্যে দিয়ে লালমনিরহাটে উদ্‌যাপিত হয়েছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব-২০২৬। শ্রীশ্রী রাধাগিরিধারী মন্দির ও ইসকন, বানিয়ারদিঘীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই দিনব্যাপী মহোৎসবে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার ভক্ত অংশগ্রহণ করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা শহরের ঐতিহাসিক কালেক্টরেট মাঠ থেকে উল্টো রথযাত্রার শোভাযাত্রা শুরু হয়। হরিনাম সংকীর্তন, উলুধ্বনি এবং বাদ্যযন্ত্রের সুরে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। সুসজ্জিত রথটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বানিয়ারদিঘী ইসকন মন্দিরে গিয়ে যাত্রা শেষ করে। বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে নানা বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

এর আগে সকালে জেলা পরিষদের পুরাতন মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন)-এর ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত মহোৎসবের ১৪তম বর্ষের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটিতে পবিত্র গীতা পাঠ, বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা এবং ভক্তিমূলক কীর্তন পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান। উদ্বোধক ও প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আশীর্বাচন প্রদান করেন শ্রীমৎ ভক্তিবিনয় স্বামী মহারাজ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক একে এম মমিনুল হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদ আহম্মেদ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রথযাত্রা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাণ ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং মানবিক মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে। জগন্নাথদেবের কৃপায় বিশ্ববাসীর শান্তি, কল্যাণ ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

মহোৎসবকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সব কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বানিয়ারদিঘী ইসকন মন্দির থেকে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা শুরু হয়। রথটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কালেক্টরেট মাঠে অবস্থান করে। সাতদিন পর বৃহস্পতিবার উল্টো রথযাত্রার মাধ্যমে রথটি পুনরায় বানিয়ারদিঘী ইসকন মন্দিরে ফিরে গিয়ে এ বছরের রথযাত্রা মহোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুধু ২০২৬ নয়, ২০১৪ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালেও আর্জেন্টিনার অন টার্গেট শট নেই!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


শুধু ২০২৬ নয়, ২০১৪ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালেও আর্জেন্টিনার অন টার্গেট শট নেই!

বিশ্বকাপের মতো মহৎ মঞ্চের ভাগ্য অনেক সময় একক একটি সুযোগ কাজে লাগানোর উপর নির্ভর করে। আর এ নির্মম সত্যটি বারবার আর্জেন্টিনা টের পেয়েছে। পরিসংখ্যানের পাতা উল্টালে দেখা যায়, ১৯৬৬ সালের পর থেকে আলবিসেলেস্তেরা বিশ্বমঞ্চের তিনটি ফাইনালে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পর্যন্ত পরীক্ষা করার মতো একটি শটও তারা লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। প্রতিবারের ফলাফল এসেছে হুবহু ১-০ গোলের পরাজয়। প্রতিপক্ষ এবং সালগুলো যেন একই ট্র্যাজেডির ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়। ১৯৯০ সালে জার্মানি, ২০১৪ সালে সেই জার্মানি এবং সবশেষে ২০২৬ সালে স্পেনের কাছে হার। ক্রীড়া তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা সোফাস্কোরের ডেটাসেট অনুযায়ী, এই তিনটি মেগা ফাইনালেই বিশ্বমঞ্চে আর্জেন্টিনার শটস অন টার্গেটের খাতায় জমা হয়েছিল এক অলস শূন্য। সংখ্যার হিসাবটা যেমন সরল, তেমনি নির্মম। যখন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে সামান্যতম পরীক্ষায় ফেলা যায় না, তখন ভুলের মাশুল দেওয়ার সুযোগও শূন্যে নেমে আসে। ১৯৯০ সালে রোমে জার্মানির বিপক্ষে ১-০ হার, ২০১৪ সালে রিও ডি জেনিরোতে একই প্রতিপক্ষের কাছে ১-০ ব্যবধানে স্বপ্নভঙ্গ এবং ২০২৬-এ স্পেনের কাছে ১-০ গোলের সেই একই তিক্ত অভিজ্ঞতা। প্রতিটি ম্যাচেই চিত্রনাট্য ছিল একই রকম। বিভিন্ন প্রজন্ম, আলাদা ট্যাকটিক্স আর ভিন্ন খেলোয়াড়দের যুগেও পরিসংখ্যানের এই ট্র্যাজেডি যেন এক সুতোয় গাঁথা। সাধারণত বিশ্বকাপ ফাইনাল হাই-স্কোরিং ম্যাচ হয় না, সেখানে একটি নিখুঁত ও লক্ষ্যভিত্তিক শটই পুরো ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু এই তিনটি ফাইনালে প্রতিপক্ষকে সেই ভীতির মুখে ফেলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন আলবিসেলেস্তে ফরোয়ার্ডরা। একটি বিশ্বকাপ মৌসুমে দলের সার্বিক সাফল্য বিচার করা হয় শেষ ম্যাচটি দিয়েই। ১৯৯০, ২০১৪ ও ২০২৬ সালের পরিসংখ্যান অন্তত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য এই তেতো সত্যিটাই মনে করিয়ে দেয়। রক্ষণভাগ যতটাই লড়াই করুক না কেন, আক্রমণের ধার ছাড়া সোনালী ট্রফিতে চুমু আঁকা অসম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুপার দাম কমল, ভরিতে কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


রুপার দাম কমল, ভরিতে কত?

দেশের বাজারে রুপার দাম স্বর্ণের সাথে কমানো হয়েছে। এখন থেকে ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) দাম কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতির সাথে মিল রেখে ভ্যাটসহ এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস আরও জানিয়ে দিয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম বজায় থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুসারে মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি, ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম কার্যকর থাকবে।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগে গত ২২ জুলাই রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই দামও ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর ছিল।

এখন পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে ৫৮ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ২৯ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে অন্য ২৯ দফা। ২০২৫ সালে মোট ১৩ দফা রুপার দাম সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে মাত্র ৩ বার।

অন্যদিকে, বাজুস জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এখন অব্দি চলতি বছর দেশের বাজারে ৯৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৪৫ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৪৮ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল; সেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%