বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫৯ এম
চট্টগ্রামে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের খেলা দেখার সময় জনসমাগমের মধ্যেই একটি ঘটনা ঘটে, যেখানে দুর্বৃত্তরা এক তরুণকে ছুরিকাঘাত করে।
বুধবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পাঁচলাইশ থানার দুই নম্বর গেট এলাকায় এ অবিস্মরণীয় ঘটনাটি সংগঠিত হয়।
আহত মো. আসাদুল হক (২১) উপজেলার বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকার শিকদার বাড়ির ইয়াছিন আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি নগরীর হামজারবাগ এলাকার সরওয়ারের বাড়িতে বসবাস করছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের খেলা চলাকালীন জনসমাগমের মধ্যে অজ্ঞাত পরিচয়ের কয়েকজন দুর্বৃত্ত আসাদুল হককে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এর পর সীমিত সময়ের মধ্যে তার বন্ধু যিনি ছিলেন তার সঙ্গে, সেই বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে রাত ২টা ২৯ মিনিটে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
তিনি এটি জানাতে আরও বলেছেন, আহত আসাদুল হক বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় আছে। কিন্তু দুর্বৃত্তদের ছুরির আঘাতের কারণ সম্পর্কে তিনি এবং তার বন্ধুরা এখনো কিছুই জানেন না।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ও তারকা ফুটবলার হ্যারি কেনকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া তার একটি পোস্ট ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে।
সম্প্রতি, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ইংল্যান্ড বিদায় নিয়েছে। ম্যাচ শেষে পরীমনি তাড়াতাড়ি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, "Harry Kane পারলে না তুমি আমার বিয়েটা ঠেকাতে!"

এই পোস্টের পেছনে আগের একটি ঘোষণার সূত্র রয়েছে। কারণ, এর আগে পরীমনি ফেসবুকে জানিয়েছিলেন যে, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে তিনি আবার বিয়ে করবেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায়, ইংল্যান্ডের পরাজয়ের পর হ্যারি কেনকে উদ্দেশ্য করে রসিকতার ছলে তিনি এই পোস্টটি দেন।
পোস্টটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, পোস্টটিতে ১ লক্ষের বেশি রিয়্যাকশন এবং প্রায় দেড় হাজারের বেশি মন্তব্য এসেছে। অনেকেই পোস্টটিকে নিছক হাস্যরস হিসেবে দেখেছেন, আবার অনেকে পরীমনির ব্যক্তিগত জীবন ও সম্ভাব্য নতুন বিয়ে নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু করেছেন।
কমেন্ট সেকশনে নেটিজেনদের মধ্যে কেউ মজার মন্তব্য করেছেন, কেউ আবার হ্যারি কেনের সাথে পরীমনির এমন পোস্টের কারণ জানতে চেয়েছেন। এদিকে, অনেকের ধারণা, পরীমনি হয়তো আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে এই বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কোনো ঘোষণা করা হয়নি।
পরীমনির এই ব্যতিক্রমী পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের একটি খেজুর প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় কাজ করার সময় এক বাংলাদেশি যুবক মেশিনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টার দিকে সৌদি আরবের আল-কাসিম অঞ্চলের বুকারিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম মো. নাদিম হোসেন (২৭), তিনি কুমিল্লার বুড়িচং পৌরসভার যদুপুর গ্রামের সামাদ মিয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় ১০ মাস আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন নাদিম। সেখানে আল-কাসিমের বুকারিয়া এলাকার একটি খেজুর প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় তিনি কর্মরত ছিলেন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হিসেবে বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন।
স্বজনরা জানান, ঘটনার সময় একটি খেজুর প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিন পরিষ্কার করার জন্য নাদিম মেশিনের ভেতরে প্রবেশ করেন। তখন বাইরে থাকা কয়েকজন সহকর্মী মেশিনটি চালু করলে তিনি মেশিনের ভেতরে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঘটনার পর সৌদি আরবের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। নিহতের পরিবার অনুযায়ী, এই ঘটনায় কারখানার তিন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
এদিকে, নাদিমের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর যদুপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের বাবা সামাদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, 'আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে আমার সন্দেহ। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই। আমি একইসাথে সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি দ্রুত আমার ছেলের মরদেহ দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য।'
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেন বলেন, 'ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। প্রবাসে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে আনার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করা হলে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ‘ভদ্র আচরণ করা উচিত’ বলেই সতর্ক করার পর বুধবার সন্ধ্যা বেলা ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ‘জাহাজগুলোকে হুমকি দিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে ব্যবহার’ করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে জারি হওয়া অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টার পরে পৃথক একটি জাহাজে গুলি চালানোর কথাও জানিয়েছে তারা। মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরান হামলা চালিয়েছে- এমন দাবি করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
এদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, তেহরান যদি এই চুক্তি থেকে উপকৃত না হয় তাহলে এটি মেনে চলার ‘কোনো কারণ নেই’। মঙ্গলবার দিনের শেষে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইরান যদি আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ফিরে না আসে তাহলে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হবে।
বুধবার দিনের শেষের সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, এমন হামলার আগে ইরানকে কি কোনো ডেডলাইন দেওয়া হবে কি না। তিনি বলেন, ‘আমি ডেডলাইন দিতে পছন্দ করি না। কিন্তু তারা খুব ভালো করেই জানে, তারা পুরো বিষয়টাই জানে.... তাদের ভদ্র আচরণ করা উচিত।’
‘তারা সমাধান করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আমরা যা করছি, তারা তা পছন্দ করছে না। তাদের সঙ্গে মীমাংসায় যাব, নাকি বিষয়টি পুরোপুরি শেষ করে দেব- আমরা দেখবো’- বলেন ট্রাম্প। গালিবাফ অবশ্য বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের ইরানি আধিপত্য বজায় রাখার ওপর দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা নির্ভর করছে।
তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে যুদ্ধের পাশাপাশি আলোচনা চালানোই ইরানের প্রতিরোধ কৌশলের একটি অংশ। হরমুজ প্রণালিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে হুমকি তিনি দিয়েছিলেন, তার পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বিশাল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি করার খবর জানিয়ে টিআরাম্পের বক্তব্যগুলো আরো বেড়ে যায়।
এর আগে, এপ্রিল মাসে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোয় বোমা হামলার যে হুমকি ট্রাম্প দিয়েছিলেন, সেটির জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ফলকার টার্ক নিন্দা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা চালানো একটি যুদ্ধাপরাধ।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ এই হামলাগুলো ছিল দ্বিতীয় দফার হামলা, যা বুধবার দিনের আলোতে চালানো হয়েছে বলে তাদের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, দিনের শুরুতে তারা "হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর সক্ষমতা আরো কমিয়ে দিয়েছে"।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গ্রেটার টুনব দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে লক্ষ্যবস্তু করতে ৯০ মিনিট একনাগাড়ে হামলা চালানো হয়েছিল। সেন্টকম আরো জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় অবরোধ আরোপ করার পর থেকে তারা দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দিয়েছে।
এই অবরোধের কারণে কোনো জাহাজই ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যাতায়াত করতে সক্ষম হচ্ছে না। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতার অংশ হিসেবে আগে এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছিল।
ওই সমঝোতার লক্ষ্য ছিল মাসব্যাপী চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো। তবে, এই প্রণালি নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধটি এখন একটি বড় দ্বিমতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের জবাবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানির রুট বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকে।
কিন্তু কোন কোন রুট এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি তারা। চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৈরিতা বৈশ্বিক অর্থনীতির কাছে এই প্রণালির কৌশলগত গুরুত্বকে আরো স্পষ্ট করে তুলেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের রুটে ট্যাংকার চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ায় তেলের দাম ব্যাপক হারে বেড়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার কারণে অন্তত ৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়ে গেছেন। উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, নৌকাটিতে মোট ৬০ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার রাতে, শহর তোব্রুক থেকে ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করা ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাটি কিছু সময় পর উত্তাল সাগরে ডুবে যায়। এই ঘটনায় বেশিরভাগ যাত্রী স্রোতের তোড়ে ভেসে যান এবং নিখোঁজ হয়ে যান।
উপকূলরক্ষী বাহিনীর কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, নৌকাডুবির ঘটনায় মাত্র ১০ জন যাত্রী প্রাণ বাঁচাতে সাঁতরে নিকটবর্তী বারদা দ্বীপে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। পরে তাদের উদ্ধারকারী দল নিরাপদে উদ্ধার করে।
সাম্প্রতিক সময়ে, লিবিয়ার উপকূল থেকে ইউরোপমুখী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌযাত্রায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত মাসে একই ধরনের একটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে উন্নত জীবনের খোঁজে, দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের মানুষেরা সাগরপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এ কারণে লিবিয়ার উপকূলে মানবপাচারকারী চক্র এবং অনিয়মিত অভিবাসনের অন্যতম প্রধান রুট হয়ে উঠেছে। তবে, ঝুঁকিপূর্ণ এসব যাত্রায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ মে পর্যন্ত লিবিয়ার উপকূলে ৮ শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন। এছাড়াও, সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছর ওই পথে ১,৩০০ জনেরও বেশি অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ