মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
১০:২৫ পি.এম
শেরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজাদের হামলায় চাচা মো. জিন্নাত আলী (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি কাজিরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মৃত টন মাহমুদের ছেলে জিন্নাত আলীর ওপর হামলা চালান তার আপন ভাতিজা জসিম, মাজহার ও নজরুলসহ আরও চার-পাঁচজন। তারা জিন্নাত আলীকে কিল-ঘুষি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ টার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক জিন্নত আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা ও আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে নিহতের পক্ষের লোকজন।
এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন ১৩ নং এওয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি,শশীভূষণ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা কামালের সমর্থনে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল ৬ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে এওয়াজপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার থেকে শোডাউনটি শুরু হয়। পরে মোটরসাইকেলের বিশাল বহর চরফ্যাশন উপজেলা সহর সহ ১৩ নং এওয়াজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা প্রদক্ষিণ করেন প্রার্থী মোঃ মোস্তফা কামালের সমর্থকরা।
শোডাউনটি এওয়াজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পুনরায় নতুন বাজারের জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শোডাউন শেষে নতুন বাজার জিরো পয়েন্টে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মোস্তফা কামাল।
বক্তব্যে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা, মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং এলাকার সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমি এওয়াজপুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।জনগণের ভালোবাসা,দলের সমর্থন এবং সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত এওয়াজপুর ইউনিয়ন গড়েতে চাই।
এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া,সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করছি।
এদিকে, মোস্তফা কামালের এই মোটরসাইকেল শোডাউনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশালের বাকেরগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত গণসমাবেশে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নেমেছে।
রবিবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় বাকেরগঞ্জ হেলিপ্যাড স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এ গণসমাবেশ একপর্যায়ে বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। গণসমাবেশ শেষে আবুল হোসেন খান এমপির নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি আহবায়ক আবুল হোসেন খান। এ সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে হেলিপ্যাড মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর রাজনৈতিক পরিবেশ।
এদিকে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা মিছিল ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ফলে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের সাময়িক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ গণসমাবেশকে ঘিরে বাকেরগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতেন, সেই আবেগ ও বলার ধরন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যে খুঁজে পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
তিনি রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, "গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে আমাদের সাবেক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের টোনে কথা বলার ধরন, মানুষের প্রতি একটা দরদ এবং অধিকারের স্বর উপলব্ধি করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মানুষের মাঝে সেই আবেগটা তৈরি করতে পেরেছেন। তিনি আসলে উত্তরাধিকার সঞ্চয় করেছেন এবং তার মধ্যে সেই নেতৃত্বের বোধ রয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে নুরুল হক নুর বলেন, "গতকালকে আর্মি স্টেডিয়ামে একটি জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে আমাদের সাবেক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের টোনে কথা বলার ধরন, একটা দরদ দিয়ে, মানুষের প্রতি একটা অধিকারের স্বরে কথা বলার বিষয়টি আমি উপলব্ধি করেছি। আপনারা যারা সিনিয়র লোক আছেন, গতকালের ভাষণ দুটি শুনবেন। জিয়াউর রহমান যেই স্টাইলে কথা বলতেন, গতকাল আমার কাছে মনে হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানুষের মাঝে সেই আবেগটা তৈরি করতে পেরেছেন।"
তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও রাজনীতির একটি সুন্দর উপস্থাপনা ছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে আগমন, প্রস্থান এবং মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনের বিষয়গুলো তিনি সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। আমার মনে হয়েছে, স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিষয়গুলো গভীরভাবে অনুভব করতে পেরেছেন। তাঁর কথায় জিয়াউর রহমানের ভাষণের সেই অ্যাকসেন্ট ও টোন আমরা দেখতে পেয়েছি।"
জিয়াউর রহমানের শাসনামল ও দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দেশে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল। একপর্যায়ে সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্য ও সাধারণ জনগণ সম্মিলিতভাবে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।"
নুরুল হক নুর বলেন, "১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত এই ছয় বছরে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গ্রামের মাটির রাস্তার দুই পাশে ফলদ গাছ লাগানো, বাড়িতে বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালনসহ গ্রামীণ অর্থনীতি ও মানুষের পুষ্টি উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলেছিলেন। তখন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা করুণ ছিল। সবার পক্ষে মাছ, মাংস ও দুধ কেনা সম্ভব ছিল না। বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন এবং রাস্তার পাশে ফলদ গাছ লাগানোর মতো উদ্যোগ মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারত।"
তিনি আরও বলেন, "জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীলতা আসে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গেও তার সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থান ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়। জিয়াউর রহমান আরও কয়েক বছর সময় পেলে দেশের উন্নয়নে আরও ভূমিকা রাখতে পারতেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।"
বক্তব্যের শেষাংশে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে নুরুল হক নুর বলেন, "আপনারা ১৭ বছর অনেকেই নির্যাতিত ছিলেন, বঞ্চিত ছিলেন। আপনাদের প্রত্যাশা, এখন আমাদের সরকার ক্ষমতায় আছে, কাজেই যারা ক্ষতিগ্রস্ত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছেন, দল বা সরকার তাদের মূল্যায়ন করবে। কিন্তু বর্তমান সরকারের পলিসি ও নীতিনির্ধারণের বিষয়টি সবাইকে বুঝতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা দিবাস্বপ্নে আছেন এবং এখানে তার প্রত্যাবর্তন সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘এত রক্ত শোষণ করে, রক্ত চেটে যিনি নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে দেশ পরিচালনা করলেন, তিনি এখন বলে দিলেন যে ডিসেম্বরে চলে আসবেন! এদেশের মানুষের চোখের সামনে মুগ্ধ, আবু সাঈদ, ফাইয়াজদের মতো তরুণদের বুক চিতিয়ে বুলেট বরণ করার যে মহাকাব্যিক বাস্তব বিপ্লব আমরা দেখলাম, সে বিপ্লব কি বৃথা যাবে? শেখ হাসিনা প্যারাসুট দিয়ে নামবেন আর সবাই ঢোল বাজাতে বাজাতে তাকে অভ্যর্থনা জানাবো, এটা কোনোদিনই হতে পারে না।’
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রোববার (৮ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ছাত্রদল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
শেখ হাসিনার উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বাংলার মাটি বীর জন্ম দিয়েছে। এই মাটিতে যারা ভীত শৃগালের মতো পালিয়ে যায়, যারা নিজের দেশের সন্তানের রক্ত পান করতে দ্বিধা করে না, তারা আবার উড়ে এসে জুড়ে বসবে আর জনগণ মেনে নেবে, এটা কোনোদিনই হওয়া সম্ভব না। পালতক হাসিনা হিন্দুস্তান থেকে আওয়াজ দিচ্ছেন এই যাবো, এই করবো। তিনি দিবাস্বপ্নের মধ্যে রয়েছেন। হত্যাকারী এবং রক্তপানকারীর প্রত্যাবর্তন এখানে সম্ভব নয়।’
৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘৭ নভেম্বর শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রাই শুরু করেনি, বরং বিদেশি প্রভাবমুক্ত পররাষ্ট্রনীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির সূচনা করেছিল। বাংলাদেশ কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে, কার সঙ্গে চুক্তি করবে, তা সরকার ও জনগণের নিজস্ব ব্যাপার, কারও আঙ্গুলি হেলনে চলবে না, এটি ৭ নভেম্বরের পরই নিশ্চিত হয়।’
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তিনি একটি দক্ষ ও চৌকস সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি চাননি সেনাবাহিনীর রাজনীতিকরণ হোক। আজকের এই আধুনিক সেনাবাহিনী জিয়াউর রহমানেরই অবদান।’
দলের বর্তমান নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘শত আক্রমণ ও হুমকির মুখেও তারেক রহমান হাল ধরে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সমুদ্রের মধ্যে দলকে সঠিক পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ৭ নভেম্বর আমাদের এমন একটি কম্পাস, যা বিপদের সময়ও সঠিক পথ দেখায়।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ