এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৯:৫৩ পি.এম
ফরিদপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের প্রতিনিধিদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে এবং ‘নায়াব ইউসুফ নৈশ বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধনও করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে শহরের বিসর্জন ঘাট এলাকায় সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও সমাজকল্যাণ সমিতি এবং হাজরাতলার উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর চৌধুরী রুবেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উল্লেখযোগ্য উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম কাইয়ুম জঙ্গি, মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজীর আহমেদ তাবরীজ, শ্যামল কর্মকার, আবুল কাশেম, বাউল লাইলি, কালাচাঁদ রবিদাস ও মিজানুর রহমান শেখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
বক্তারা আলোচনা সভায় উল্লেখ করেন, ফরিদপুর পৌরসভার ব্যস্ততম বিসর্জন ঘাট ও এর আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের ঘাটতি রয়ে গেছে। যেখানে রাস্তাঘাটের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল, জলাবদ্ধতা প্রবল এবং মাদকের বিস্তার স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এর সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়ে বক্তারা নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকমুক্ত ফরিদপুর গড়ে তুলতে সকলকে যথাযথভাবে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে, যার মধ্যে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ অন্তর্ভুক্ত। তিনি সমাজের সর্বস্তরের জনগণকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন ও সোচ্চার থাকার জন্য আহ্বান জানান।
আলোচনা সভার পর চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন। পাশাপাশি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নায়াব ইউসুফ নৈশ বিদ্যালয়’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় রবিদাস পল্লী, বিসর্জন ঘাট ও লালন নগর এলাকার বিভিন্ন মসজিদ কমিটির প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুদান বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক এলাকার সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া কিংবা আবাসন পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম বড় সমস্যার নাম যথাযথ মেস বা বাসা খুঁজে পাওয়া। এই ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) পরিসংখ্যান বিভাগের ১৪তম আবর্তনের (২১-২২ সেশনের) শিক্ষার্থী আবু পলাশ। তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ঘর বাড়ি’ নামে একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করেছেন।
অ্যাপটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজে বিভিন্ন মেস, বাসা এবং হোটেলের খালি সিটের তথ্য পেতে সক্ষম হবেন। সেই সঙ্গে মেস মালিক বা মেস মনিটররাও নিজেদের মেসের ফাঁকা সিটের তথ্য অ্যাপে যুক্ত করার সুযোগ পাবেন। ফলে আবাসন খুঁজতে শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার প্রয়োজন কিংবা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরা বেড়ানোর চাহিদা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
অ্যাপটির নির্মাতা আবু পলাশ জানান, "মূলত নতুন শিক্ষার্থীদের আবাসন খোঁজার ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই ‘ঘর বাড়ি’ অ্যাপটি আমি তৈরি করেছি। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে মেস বা বাসা খুঁজতে অনেক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হয়। সেই সমস্যার সহজ সমাধান দিতেই এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। অ্যাপটি তৈরিতে আমি আমার বিভাগের বড় ভাই রনি ভাইয়ের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। এর আগে তিনি ‘মেস ব্যবস্থাপনা’ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করেছিলেন। বর্তমানে ‘ঘর বাড়ি’ অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে উন্মুক্ত রয়েছে। এটি প্রকাশ করতে আমার প্রায় ৩৫ মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই সেবা দিচ্ছি। এখানে যে কেউ নিজের মেস বা বাসার খালি সিটের তথ্য সহজেই আপডেট করতে পারবেন, ফলে আবাসন খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীরা নির্ভরযোগ্য তথ্য দ্রুত পেয়ে যাবেন।"
তিনি আরও জানান, “যত বেশি মেস ও বাসার তথ্য যুক্ত হবে, তত বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। আমি এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সমন্বিত আবাসন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান সোহেল বলেন, "নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য মেস খুঁজে পাওয়া সত্যিই খুব কঠিন হয়ে যায়। যদি সব মেসের তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যায়, তাহলে সময় এবং ভোগান্তি দুটোই কমে যাবে। ‘ঘর বাড়ি’ অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের জন্য সত্যিই একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ বলে আমি মনে করি।"
অন্য এক শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম বলেন, "আমরা সাধারণত ফেসবুক পোস্ট বা আমাদের পরিচিতদের মাধ্যমেই মেস খুঁজে থাকি। কিন্তু সেখানে অনেক সময় সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। এই অ্যাপটি নিয়মিত আপডেট হলে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি উপকৃত হবে।"
অ্যাপটি ইতোমধ্যে গুগল প্লে স্টোরে ‘GhorBari’ নামে প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্লে স্টোরে ‘GhorBari’ লিখে সার্চ করতে পারেন অথবা নির্ধারিত ডাউনলোড লিংকের মাধ্যমে অ্যাপটি ইনস্টল করতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নতুন ও পুরনো উভয় শিক্ষার্থীর আবাসন-সংক্রান্ত ভোগান্তি অনেকটাই হ্রাস পাবে এবং মেস ও বাসা খোঁজার প্রক্রিয়া হবে আরও সহজ, দ্রুত এবং সুশৃঙ্খল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে বিশ্বমানের দক্ষ মেরিন পেশাজীবী তৈরির উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমি পরিদর্শনকালে তিনি একাডেমির কর্মকর্তা, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের বিশাল সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ, সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতেই এ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
একাডেমির বিদ্যমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা হবে, যাতে দেশের ব্লু ইকোনমির বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন ফাইজ উদ্দিন আহমেদ, কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিদুয়ানুল ইসলামসহ অন্যান্য মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজার পরিস্থিতি নজরদারি এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলে জানান বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি আরও জানান, প্রথম পর্যায়ে অতি সংবেদনশীল ৩০টি পণ্যকে এই প্রযুক্তির আওতায় এনে পর্যবেক্ষণের কার্যক্রম শুরু করা হবে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সরকারি অনুদান, পুরস্কার ও সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা ঘোষণা করেন।
মন্ত্রী জানান, বাজারের সাম্প্রতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের একাধিক সংস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘শুধু বাজার দর নয় বরং পণ্যের উৎপাদন কেমন হচ্ছে, আবহাওয়ার কারণে ফলনে কী প্রভাব পড়তে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কী পরিস্থিতি চলছে তার সামগ্রিক পূর্বাভাস পেতে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত এআই মডেল তৈরি করা হবে।’
সিলেটকে সবজি রপ্তানির অন্যতম প্রধান হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে যে পরিমাণ সবজি রপ্তানিকারক রয়েছেন, তাদের প্রায় অর্ধেকই সিলেটের। তবে প্যাকেজিং এবং প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশন সমস্যার কারণে রপ্তানির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এই সংকট সমাধানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, সবজি সংরক্ষণের সুবিধার জন্য সরকার সারাদেশে প্রায় ২০০০ কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার একটি বড় অংশ সিলেটে স্থাপন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে, যাতে কারখানাগুলো পুরোদমে সচল অবস্থায় থাকতে পারে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোশনূর রুবাইয়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান।
পারিবারিক পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু মনসুর আসজাদ এবং কৃষি কর্মকর্তা মো. সৈকত জামিলের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে অনুদান বিতরণ, ‘পার্টনার কংগ্রেস প্রোগ্রাম’, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ পুরস্কার বিতরণ, প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ছাগলের খাদ্য বিতরণ এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের ১ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্যের উদ্যোগে এবং বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেলিম হোসেন দিপুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় মছলন্দপুর এলাকার কবরস্থানের দুটি সড়ক, একটি ঈদগাহের সড়ক এবং গোয়ালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একটি সড়কসহ মোট চারটি সড়কের দুই পাশে গাছের চারা রোপণ করা হয়। স্থানীয় মছলন্দপুর যুবসমাজ এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাঈদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বারদী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল, বারদী ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম মেম্বার, সহ-সভাপতি ফজলুল হক, শামসুদ্দিন মুকুল, রফিকুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য উম্মে হানি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ খোকন, যুবদল নেতা কাশেম, নাজমুল, জামান, কামাল ও ডালিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তারা বলেন, জনসম্পৃক্ত এ ধরনের পরিবেশবান্ধব ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ