বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৩৩ পি.এম
রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করার প্রক্রিয়ায় ইউক্রেনের একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। রাশিয়ার ছোড়া লক্ষ্যবস্তু ধাওয়া করার সময় ফ্রন্টলাইনে মিশন চালানোর মধ্যে বিমানে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটেছে।
বুধবার ইউক্রেনের বিমানবাহিনী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
যুদ্ধবিমানটি রাশিয়ার করা আকাশপথের হামলা ও লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করে ধ্বংসের মিশনে নিয়োজিত ছিল। অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, সম্মুখ যুদ্ধে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। পাইলট জরুরি ব্যবস্থা নিয়ে বিমান থেকে বের হয়ে আসেন।
তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলে ইউক্রেনের বিশেষজ্ঞ টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছেছেন। বিমানটিতে কোন ধরনের কারিগরি সমস্যা ঘটেছিল তা জানতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
দুর্ঘটনায় কোনো সাধারণ মানুষ হতাহত হননি এবং কোনো স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি বলে জানা গেছে।
ইউক্রেন নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক সহ ন্যাটোর কয়েকটি পশ্চিমা মিত্র দেশের কাছ থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পেয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে এসব যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চল ongoing war মধ্যে একটি এফ-১৬ হারানো ইউক্রেনের জন্য নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জায়গা বিক্রি না করায় নোয়াখালী সদরের লক্ষীণারায়ণপুর গ্রামে ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে কবিরের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ গংরা।
গত সাত মাস ধরে নৌকা দিয়ে চলাচল করছে দুইটি পরিবার। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যদের মাঝে চলছে মানবতার জীবন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নোয়াখালীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন সুমান বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ কবির ও বেলাল এবং নয়ন বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। বিজ্ঞ আদালত দ্রুত চলাচলের পথ খুলে দেওয়ার জন্য সুধারাম থানাকে নির্দেশ দেন।
এদিকে, সুধারাম থানার এসআই লন্ডন বাবুর নেতৃত্বে একজন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিপক্ষকে চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেন এবং অপসারণের চেষ্টা করেন। তবে এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের বাধার মুখে পুলিশ সরে আসেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, তারা দীর্ঘ ৩০/৩৫ বছর ধরে এই পথ দিয়ে চলাচল করছেন। প্রতিপক্ষ কবির গংদের চাহিদা অনুযায়ী জমি বিক্রি না করায় তারা তাদের চলাচলের পথ টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশও মানছেন না। গত সাত মাস ধরে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। তারা মানবতার জীবন যাপন করছেন। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে এসআই লন্ডন বাবুর নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। প্রতিপক্ষরা আদালতের আইন অমান্য করলে আমাদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আঙিনায় পা রাখার পর থেকেই ১৫ বছর বয়সী ব্যাটিং বিস্ময় বৈভব সূর্যবংশী নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে আইপিএল অভিষেকের পর থেকেই তিনি নজর কেড়েছেন।
টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ সংগ্রাহক হয়ে ‘অরেঞ্জ ক্যাপ’ জেতার পাশাপাশি আইপিএলে সবচেয়ে মূল্যবান ক্রিকেটারের পুরস্কারও পেয়েছেন বৈভব। এরপর থেকেই জাতীয় দলে তাকে নেওয়ার জোর দাবি উঠতে শুরু করে। এই তুমুল আলোচনার মাঝে রাজস্থান রয়্যালসের করা তার একটি পুরনো সাক্ষাৎকার আবারও স্পটলাইটে এসেছে।
আইপিএল শেষে দলের সবচেয়ে কনিষ্ঠ এবং সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই সদস্যের এক যৌথ সাক্ষাৎকারের আয়োজন করেছিল রাজস্থান কর্তৃপক্ষ। যেখানে বৈভব সূর্যবংশীর সঙ্গে মুখোমুখি বসেছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনকেই একই প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল—এমন কোনো বোলার আছেন, যাকে সামলাতে ভয় পান বা মুখোমুখি হতে চান না?
প্রশ্ন শুনে শুধুমাত্র ১৪ বছর বয়সী (তৎকালীন) বৈভবের ঝটপট উত্তর ছিল, ‘এখনো তেমন কেউ নেই!’ পরক্ষণেই তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আইপিএলের কথা বলছেন? সত্যি বলতে, তেমন কোনো বোলারকে এখনো পাইনি।’ একই প্রশ্নের জবাবে জাদেজা হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘জোফরা আর্চার! ভাগ্য ভালো যে ও আমাদের দলেই খেলে।’
পুরো টুর্নামেন্টে নিজের সেরা ম্যাচ হিসেবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে গুয়াহাটির লড়াইটিকে বেছে নিয়েছেন বৈভব। তার ভাষ্য, ‘গতবার বেঙ্গালুরুর কাছে দুটো ম্যাচেই হেরেছিলাম আমরা। তাই এবার ওই ম্যাচটা যেকোনো মূল্যে জিততে চেয়েছিলাম সবাই। ওটাই আমার চোখে সেরা।’
আইপিএলে কোনো বোলারকে সমীহ না করলেও সাম্প্রতিক ইংল্যান্ড সফরে সতীর্থ জোফরা আর্চারের পেস অগ্নিপরীক্ষায় পড়তে হয়েছে বৈভবকে। ডার্ক চেরি হাতে আর্চারের তোপ সামলাতে তিনি রীতিমতো হিমশিম খেয়েছেন। তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজে বৈভবের ব্যাট থেকে যথাক্রমে ১৪, ১৩ ও ১৫ রান আসে। এর মধ্যে প্রথম দুই ম্যাচেই তাকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান সেই আর্চারই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত জাহেদা হাসপাতাল এবং ডা. মো. জাহেদুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগগুলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন।
হাসপাতাল সূত্রে ইতোমধ্যে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবাড়িষা এলাকার মোছাম্মদ আনোয়ারা (৬০) গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখে পা ভাঙার চিকিৎসার জন্য জাহিদা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সমস্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয় এবং শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক বলতে গেলে ৭ জুন তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগী ও স্বজনদের ছাড়পত্রের সময় নিয়মিত ড্রেসিং ও ফলো-আপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তবে পরবর্তীতে রোগী অন্যত্র ড্রেসিং করান। এরপর সংশ্লিষ্ট ক্ষতস্থানে সংক্রমণ দেখা দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতাল এবং অস্ত্রোপচারকে দায়ী করে প্রচারণা চালানো হয়।
ডা. মো. জাহেদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "চিকিৎসা-পরবর্তী সংক্রমণের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ মতামত ও যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন। এসব ছাড়া অস্ত্রোপচারকে দায়ী করা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।"
রোগীর পক্ষ থেকে অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহৃত কোনো যন্ত্রাংশ ভেঙে হাড়ের মধ্যে অবস্থান করার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, "এ দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। পায়ের ভাঙা অংশ স্থিতিশীল রাখতে রড বা ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার চিকিৎসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ।"
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, তারা যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার এবং নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি বেকারিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন, মাদারীপুর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মাদারীপুরের যৌথ উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শহরের চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত কুলপদ্দির সামিয়া বেকারি-তে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। এছাড়া নিম্নমানের খাদ্য সংযোজন দ্রব্য ব্যবহার, আগাম তারিখযুক্ত পাউরুটি প্রস্তুত, খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ না থাকা, কীটপতঙ্গ দমনের কার্যকর ব্যবস্থা না রাখা, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ছাড়া পণ্য উৎপাদন, কেক তৈরিতে ব্যবহৃত রঙিন কাগজ ও ফ্লেভারের প্রয়োজনীয় সনদ না থাকা, মেঝেতে খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ, রশিদ ও লেবেলবিহীন রাসায়নিক ব্যবহার এবং কাঁচামাল ক্রয়-বিক্রয়ের চালান প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব অপরাধের দায় স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ (১,০০,০০০) টাকা অর্থদণ্ড করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিল্লাত হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মাদারীপুরের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম এবং আনসার সদস্যদের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনিরাপদ ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।
শাওন বল
মাদারীপুর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ