প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত জাহেদা হাসপাতাল এবং ডা. মো. জাহেদুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগগুলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন।
হাসপাতাল সূত্রে ইতোমধ্যে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবাড়িষা এলাকার মোছাম্মদ আনোয়ারা (৬০) গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখে পা ভাঙার চিকিৎসার জন্য জাহিদা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সমস্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয় এবং শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক বলতে গেলে ৭ জুন তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগী ও স্বজনদের ছাড়পত্রের সময় নিয়মিত ড্রেসিং ও ফলো-আপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তবে পরবর্তীতে রোগী অন্যত্র ড্রেসিং করান। এরপর সংশ্লিষ্ট ক্ষতস্থানে সংক্রমণ দেখা দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতাল এবং অস্ত্রোপচারকে দায়ী করে প্রচারণা চালানো হয়।
ডা. মো. জাহেদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "চিকিৎসা-পরবর্তী সংক্রমণের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ মতামত ও যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন। এসব ছাড়া অস্ত্রোপচারকে দায়ী করা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।"
রোগীর পক্ষ থেকে অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহৃত কোনো যন্ত্রাংশ ভেঙে হাড়ের মধ্যে অবস্থান করার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, "এ দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। পায়ের ভাঙা অংশ স্থিতিশীল রাখতে রড বা ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার চিকিৎসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ।"
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, তারা যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন