প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের আদালতগুলোতে মামলার জট কমানো এবং বিচার কার্যক্রমকে দ্রুততর করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
তিনি আজ সংসদে যশোর-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. গোলাম রছুলের এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান।
আইনমন্ত্রী জানান, বিচার ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ইতোমধ্যে ৫৩৬টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়াও, নতুন করে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে আদালতের সহায়ক কর্মচারী নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান যে, সরকার সম্প্রতি ৬৫০টি সিভিল জজ ও সিনিয়র সিভিল জজ আদালত, ৪০৬টি যুগ্ম জেলা জজ আদালত এবং ২০৪টি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে।
নবপ্রতিষ্ঠিত এসব আদালতের জন্য নতুন বিচারকের পদ সৃষ্টির বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে মোট ৫,৬১,৪৪৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে আপিল বিভাগে ৩৮,৭১৩টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫,২২,৩৩১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত ২০২৫ সালে আপিল বিভাগে ৭,৫৫৩টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫৫,৭৫৬টি মামলাসহ মোট ৬৩,৩০৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে মোট ৪০,৭৮,৪৩২টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে ১৬,৯০,৪৪৩টি দেওয়ানি এবং ২৩,৮৭,৯৮৯টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তবে গত এক বছরে অধস্তন আদালতে মোট ২,৭৫,৮৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯,৭৩টি দেওয়ানি এবং ২,২৬,১১টি ফৌজদারি মামলা অন্তর্ভুক্ত।
আইনমন্ত্রী আরো বলেন, বিচারিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বিচারক ও জনবল বৃদ্ধি এবং নতুন আদালত প্রতিষ্ঠাসহ সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং বিচারপ্রার্থীরা আরো দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন