ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া চুক্তি নয়, ট্রাম্পের ইউটার্নের নেপথ্যে ইরান ইস্যুতে কী?


‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া চুক্তি নয়, ট্রাম্পের ইউটার্নের নেপথ্যে ইরান ইস্যুতে কী?

শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে সমঝোতার পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন। শুরুতে তিনি বলেছিলেন, "ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া কোনো চুক্তি নয়"। কিন্তু কয়েক মাসের সংঘাতের পর তিনি রীতিমত চাপে পড়ে আলোচনার টেবিলে বসেছেন। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে কেন? কোন কোন আশঙ্কা তাঁকে এই চুক্তিতে যেতে বাধ্য করেছে?

যে দাপট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সেই দাপট কমিয়ে ট্রাম্প চুক্তিতে আসতে বাধ্য হয়েছেন। যুদ্ধ শেষের পথে এসে এখন দেখা যাচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধের মূল পথ হতে চলেছে আত্মসমর্পণের পরিবর্তে সমঝোতা।

ডনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে বড় চাপে ছিলেন অর্থনৈতিক ঝুঁকির কারণে। হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরান তেল সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি করে। ফলে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি ছিল বড় সতর্ক সংকেত। কারণ, তেলের দাম বাড়লে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বিশ্ব অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ বাজারে।

আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর পদযাত্রা: ভারতের গণবিক্ষোভে যুবদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত

দ্বিতীয় চাপটি আসে সামরিক খরচ এবং দীর্ঘ যুদ্ধের ঝুঁকি থেকে। স্থানীয় সংঘাত যত বাড়ছিল, ততই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হতো তাহলে তা আফগানিস্তান বা ইরাক যুদ্ধের মতো ব্যয়বহুল সংঘাতে পরিণত হতে পারতো, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

তৃতীয় চাপ আসে আন্তর্জাতিক মিত্রদের অবস্থান থেকে। ইউরোপীয় মিত্ররা দ্রুত উত্তেজনা কমানোর জন্য আহ্বান জানাচ্ছিলেন, যাতে জ্বালানি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে কোনো ধাক্কা না লাগে। এই কূটনৈতিক চাপও যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনা করতে উৎসাহিত করেছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আশঙ্কা ছিল ইরানের পাল্টা কৌশল। যুদ্ধ চলতে থাকলে তেহরান হরমুজ প্রণালী ছাড়াও পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরান আক্রমণ করতে পারে। এর ফলে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: দুর্গোৎসবের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে শুভেন্দুর চরম অব্যবস্থাপনা নগ্ন হয়ে পড়ল

সব মিলিয়ে, ট্রাম্প বুঝতে পেরেছেন যে, যুদ্ধ যদি দীর্ঘ হয় তাহলে ক্ষতির অঙ্ক লাভের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। তাই অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার, সামরিক ব্যয় এবং রাজনৈতিক চাপের মুখে যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প চুক্তির সই করেছেন বলেই বিশ্লেষকদের মত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে ২ টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, হতাহত অন্তত ৯০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


যুক্তরাজ্যে ২ টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, হতাহত অন্তত ৯০

ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের উপকণ্ঠে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মধ্যে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই মারাত্মক দুর্ঘটনায় একটি ট্রেনের চালক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন। ট্রেনে থাকা আরোহীদের মধ্যে অন্তত ৮৯ জন গুরুতর ও আংশিক আহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে এই দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৯০ জনে। লন্ডন থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বেডফোর্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

শনিবার (২০ জুন) আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এপির প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি এই খবর প্রকাশ করেছে।

রেল ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার(১৯ জুন) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। কর্বি থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা এবং নটিংহাম থেকে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে আসা দুটি ট্রেনই মূলত দক্ষিণ দিকে লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনের অভিমুখে যাত্রা করছিল। বেডফোর্ড শহরের বাইরে দুই ট্রেনের মধ্যে এই তীব্র সংঘর্ষের পর স্থানীয় প্রশাসন ওই এলাকায় একটি বড় ধরনের জরুরি অবস্থা বা ‘মেজর ইনসিডেন্ট’ ঘোষণা করেছে।

উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, ঘটনার পর পরই উদ্ধার তৎপরতা চালাতে বিমান অ্যাম্বুলেন্সসহ ইস্ট অব ইংল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের একটি বিশেষ দল, বেডফোর্ডশায়ার পুলিশ এবং স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

ইস্ট অব ইংল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পরবর্তীতে আহতদের সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন যাত্রীদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এছাড়া ২২ জন গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন এবং বাকি ৫৬ জন সামান্য আঘাত পেয়েছেন। ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব রেল, মেরিটাইম অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স বা আরএমটি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এডি ডেম্পসি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন যে এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিটি মূলত ট্রেনের একজন চালক ছিলেন।

দুর্ঘটনার কবলে পড়া পেছনের ট্রেনের আরোহী পিটার ন্যাপ নামক এক যাত্রী নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই হঠাৎ এই সংঘর্ষটি ঘটে। তিনি আরও জানান, ‘এক মুহূর্তের জন্য আমি সামনের চেয়ারে ছিটকে পড়লাম। এর পরপরই চারদিকে শুধু ধোঁয়া দেখতে পেলাম। ট্রেনের ভেতরে মানুষজন আতঙ্কে কাঁদছিল ও চিৎকার করছিল।’ ট্রেনের দরজা ফাঁক করে কোনোমতে বাইরে বেরিয়ে আসা এই যাত্রী আরও বলেন, ‘আমি উঠে দাঁড়িয়ে দেখলাম অনেক মানুষ ভয়ে কথাই বলতে পারছে না এবং অনেকের পা ভেঙে গেছে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাস্থলের সমান্তরাল একটি সড়কের পাশে অসংখ্য জরুরি উদ্ধারকারী গাড়ির মাঝে ব্যান্ডেজ পরিহিত ও রক্তাক্ত অনেক যাত্রী বসে বা দাঁড়িয়ে আছেন। রেলকর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন আরএমটি ইউনিয়ন জানিয়েছে, তারা পুরো পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রেনের কর্মী ও যাত্রীদের এমন মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

এদিকে ট্রেন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইস্ট মিডল্যান্ডস রেলওয়ে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশন থেকে আসা এবং যাওয়ার সব ট্রেনের যাত্রা শুক্রবারের জন্য সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছিল। শনিবারের ট্রেনের সময়সূচিও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিশ্চিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাসাউফ ও মানবসেবার বার্তা নিয়ে মিশরে ছারছীনা দরবার শরীফের পীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


তাসাউফ ও মানবসেবার বার্তা নিয়ে মিশরে ছারছীনা দরবার শরীফের পীর

ছারছীনা দরবার শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (হাফি.) মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, মানবসেবা এবং তাসাউফের আদর্শে জীবন গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মিশরের রাজধানী কায়রোর নাসর সিটিতে অবস্থিত বুরজ আত-তাতবিকিয়্যিনের গ্র্যান্ড কনফারেন্স হলে তিনি একটি আধ্যাত্মিক সংবর্ধনা, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এবং দোয়া মাহফিলে এই আহ্বান জানান।

‘ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি’ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন হিসেবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ছারছীনা দরবার শরীফের পীর সাহেবের মিশর সফরের উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন দেশের ছাত্র প্রতিনিধিরা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পীর সাহেব হুজুর তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের আখিরাতমুখী জীবন গঠন, বিশুদ্ধ আকিদা, উত্তম চরিত্র, তাকওয়া অর্জন এবং সুন্নতে নববীর আদর্শ অনুসরণ করে মানবতার কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ছারছীনা শরীফের মরহুম পীর, মুজাদ্দিদে জামান আলহাজ্ব শাহ সূফি মোহাম্মাদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.)-এর জীবন, দ্বীনি খেদমত ও আধ্যাত্মিক অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেইসাথে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মিশরের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব ক্বারী ফাদিলাতুশ শাইখ মোহাম্মাদ সাইদ। পরে বিভিন্ন অতিথি ছারছীনা দরবার শরীফের দ্বীনি শিক্ষা, তাসাউফ চর্চা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিবিধ দিক তুলে ধরেন।

বক্তারা উল্লেখ করেন যে, ছারছীনা দরবার শরীফ দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি শিক্ষা, আধ্যাত্মিক চর্চা ও মানবসেবায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাসাউফ ও ইসলামের খেদমতে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুসরণীয়।

অনুষ্ঠানে 'হেমায়েতে ইসলাম বাংলাদেশ' নামক সংস্থার উদ্যোগে মিশরে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পীর সাহেব হুজুরকে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট এবং ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। মিশরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।

সমাপনী বক্তব্যে পীর সাহেব হুজুর মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব এবং সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। এরপর দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগেলসম্যান চান আইভরি কোস্টের বিপক্ষে একই একাদশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


নাগেলসম্যান চান আইভরি কোস্টের বিপক্ষে একই একাদশ

জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান বলেছেন, বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কুরাসাওকে গত সপ্তাহে বড় ব্যবধানে হারানো দলের মধ্যে পরিবর্তন আনার কোনো কারণ তিনি দেখতে পাচ্ছেন না। এই কারণে টরেন্টো স্টেডিয়ামে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে একই একাদশ মাঠে নামানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

 তবে পশ্চিম আফ্রিকার দল আইভরি কোস্ট কুরাসাওয়ের তুলনায় অনেক কঠিন প্রতিপক্ষ হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এদিক থেকে নাগেলসম্যান তার দলের প্রস্তুতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।

 তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “কোনো স্পষ্ট কারণ নেই যে আমাদের কিছু পরিবর্তন করতে হবে। আমরা রাতটা ভেবে দেখব, আগামীকাল সবাই পুরোপুরি সুস্থ ও ফিট অবস্থায় থাকলে আমরা তারপর সিদ্ধান্ত নেব।”

 কুরাসাও ম্যাচে লেরয় সানের পারফরম্যান্স নিয়ে যে সমালোচনা হয়েছে, তার ক্ষেত্রেও জোরালো জবাব দেন নাগেলসম্যান। তিনি বলেন, “ওই ম্যাচের পর তার সমালোচনা মোটেও ন্যায্য ছিল না। অনেকে বলে সে যথেষ্ট আগ্রহ দেখায় না, কিন্তু ম্যাচজুড়ে সে অনেক সক্রিয় ছিল।”

 ২০২৩ সালে জার্মান জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া নাগেলসম্যানের লক্ষ্য হলো ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো জার্মানিকে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব পার করানো। উল্লেখ্য, ২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানী সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিল।

 তিনি বলেন, আইভরি কোস্টের শারীরিক সক্ষমতা, শক্তিশালী রক্ষণভাগ এবং গতি সামলানোর জন্য তার দলকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

 নাগেলসম্যান বলেন, “গতি তাদের সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে একটি এবং আমার মতে এটাই তারা সবচেয়ে ভালো করে।”

 বিশেষভাবে তিনি ফরাসি বংশোদ্ভূত আইভরিয়ান উইঙ্গার নিকোলাস পেপের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “শেষ ম্যাচে সে মাঠের সর্বত্র ছিল। আমরা কিছু বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছি যাতে তাদের শক্তি যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা যায়। তবে সবসময় সফল হব না, কারণ তারা সত্যিই খুব ভালো দল।”

 এই ম্যাচটি জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ-এর জন্য বিশেষ তাৎপর্য কল্পনা করবে, কারণ তার বাবা আইভরি কোস্টে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

 টাহ সাংবাদিকদের বলেন, “এটা সত্যি যে ম্যাচটি আমার জন্য বিশেষ কিছু হতে যাচ্ছে।”

 অন্যদিকে আইভরি কোস্টের কোচ এমার্স ফায়ে জানিয়েছেন, তার দল জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে এবং গ্রুপ ‘ই’-এর শীর্ষস্থান দখল করতে চায়।

 ফায়ে বলেন, “এটা শুধু সম্মান রক্ষার ব্যাপার নয়। আমরা কখনোই সেই মানসিকতা নিয়ে খেলি না। আমরা তাদের হারাতে এসেছি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন: জাতিসংঘে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন: জাতিসংঘে বাংলাদেশ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসন। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে বক্তব্য প্রদানকালে এই মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ আরও উল্লেখ করেছে যে, প্রায় এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয় এবং রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়। শনিবার (২০ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করে জানান, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে দীর্ঘদিন আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের আহ্বান জানান, যাতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%