০১:১৬ এম
ব্রিটিশ রাজপরিবারের আলোচিত ও পরিচিত নাম চার্লস ও ডায়ানা। তাদের জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এবার দেখা যাক সমালোচকরা তাদের জীবনের মিল ও অমিল সম্পর্কে কী মন্তব্য করেছেন–
১. চার্লস ঘোড়ায় চড়তে ভালোবাসেন। অন্যদিকে, ডায়ানা ঘোড়া থেকে সব সময় দূরে থাকেন। রাজপরিবারের একজন হিসেবে এর কারণ কী? কারণ, তিনি ছোটবেলায় একবার তাঁর প্রিয় পনি থেকে পড়ে যান। আট বছর বয়সের সেই স্মৃতি তাঁকে ঘোড়াবিমুখ করে রেখেছে।
২. চার্লস বড় বড় রেস্টুরেন্ট এবং ডিসকোতে যেতে অপছন্দ করেন। কিন্তু ডায়ানা এসব জায়গায় গিয়ে তরুণদের সঙ্গে মিশতে ও নাচতে ভালোবাসেন। চার্লস একান্তে নাচেন।
আরও পড়ুন: কম ঘুমিয়েও যেভাবে অনেকে সতেজ থাকেন
৩. চার্লস পোলো খেলতে খুব পছন্দ করেন। ডায়ানা বলেন, খেলা তো দূরের কথা, পোলো দেখতে গেলেও তাঁর ভীষণ বোরিং লাগে।
৪. চার্লস মাছ ধরতে ভালোবাসেন। ডায়ানা মাছ ধরতে একটুও পছন্দ করেন না।
৫. চার্লস প্রকৃতির সঙ্গে কথা বলতে ভালোবাসেন। হেদারের বনে বৃষ্টির মধ্যে হাঁটতে তাঁর পছন্দ। অন্যদিকে, ডায়ানা বলেন, এমন করলে তাঁর চুল ভিজে যায়, যা তাঁর একেবারে অপছন্দ। ফলে হেদারের বনে হাত ধরাধরি করে সঘন বর্ষণে তাদের হাঁটা হয়নি কখনও।
৬. চার্লস বাখ ও বেটোফেনের সঙ্গীত শুনতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটান। ডায়ানা এসব ভালোবাসেন না, তিনি হালকা গান পছন্দ করেন।
আরও পড়ুন: পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্তি কাটছে না? সমস্যায় ভুগছেন জানুন
৭. চার্লস ইতিহাস ও দর্শনের বই পড়তে ভালোবাসেন। ডায়ানা রোমান্টিক নভেল পড়তে ভালোবাসেন। বারবারা কার্টল্যান্ডের বই তিনি বারবার পড়েছেন।
৮. চার্লস ভালোবাসেন এমন সব মানুষের সঙ্গে ডিনার খেতে, যারা বড় বড় বুদ্ধিমানের বিষয়ে কথা বলতে আনন্দ পায়। কিন্তু ডায়ানার এ ধরনের কাজ পছন্দ নয়, স্বামীর বুদ্ধিমান বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো। ফলে ডায়ানা চার্লসের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে চান না।
৯. চার্লস অপেরা পছন্দ করেন। ডায়ানা মিউজিক্যাল।
১০. চার্লস সব বিষয়ে খুব সিরিয়াস। তিনি কেমব্রিজ থেকে বিএ অনার্স পাস করেছেন। ডায়ানার পড়াশোনা কখনোই পছন্দ ছিল না (রোমান্টিক নভেল বাদে)। স্কুলে সবাই তাঁকে বোকা বলত। সুইজারল্যান্ডের যে স্কুলে তিনি পড়তেন, সেখানে ম্যাট্রিক পাস করতে হয় স্কুলের শেষ বছরে। তিনি তা না করে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসেন পরীক্ষার আগে। রাজপরিবারের কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন ডায়ানার মস্তিষ্কের সাইজ মটরশুঁটির সমান। কেউ যদি আফগানিস্তানকে উল্লেখ করে, তিনি মনে করেন এটি এক ধরনের চিজ। ডায়ানার আত্মীয়া বারবারা কার্টল্যান্ডের মেয়ে বলেন, "যে জীবনে একটা ও লেভেল করল না, তার সঙ্গে কী করে কথা বলা যায়।" বেচারা ডায়ানা। পড়াশোনায় ভালো করাই কি সবকিছু।
আরও পড়ুন: লন্ডনে রবীন্দ্রসংগীতের মূর্ছনায় মুগ্ধতা ছড়ালেন তানজীনা তমা
এবার আসা যাক অন্য প্রসঙ্গে। বিভিন্ন রাজপরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর নানা কাহিনী রয়েছে। এদের মধ্যে প্রথমে নাম করতে হয় রাসপুটিনের।
১. রাসপুটিন রাশিয়ার শেষ জার নিকোলাস এবং তাঁর স্ত্রী এমপ্রেস আলেকজান্দ্রার বিশেষ প্রিয় পাত্র ছিলেন। তাঁর হিলিং করার ম্যাজিক্যাল ক্ষমতা ছিল। ফলে জার ও জারিনার একমাত্র ছেলের হিমোফিলিয়া ভালো করে তিনি রাজপরিবারের প্রিয় পাত্র হয়ে ওঠেন। তিনি আলেকজান্দ্রাকে নানা কাজে উৎসাহিত করেন। কিন্তু রাজপরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঠিক করেন এই শয়তান রাসপুটিনকে মেরে ফেলতে হবে। ১৯১৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর তারা রাসপুটিনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তাঁর কফির সঙ্গে আর্সেনিক মেশানো হয়েছিল যাতে করে ঘরের সবাই মারা যেতে পারে। কিন্তু রাসপুটিন পুরো কফি শেষ করে জিভ চাটতে থাকেন। এরপর এক ঘণ্টা ধরে নানা বাদ্যযন্ত্র শ্রবণ করেন। এরপর লোকজন তিনবার তাঁকে বন্দুকের গুলি ছোড়ে। একটি গুলি বুকে, একটি কাঁধে এবং একটি পিঠে লাগে। তাতেও কিছু হয় না। এরপর তারা ছুড়ি দিয়ে তাঁকে আঘাত করে। এর পরও যখন সে উঠে পালাতে চান, তখন অন্যান্য লোকজন তাঁকে ধরে দুই হাত বেঁধে নদীতে ছুড়ে মারে। বরফডোবা নদীতে ফেলবার মতো জায়গা বের করে দেখা যায় রাসপুটিন সেখান থেকেই ভয়ানক চিৎকার করছে। যেখানে পড়বার সঙ্গে সঙ্গে জমে যাবার কথা। এরপর লোকজন চুলের মুঠি ধরে তাঁকে পানিতে চুবিয়ে রাখে যতক্ষণ না তিনি মারা যান। এরপর তিনি মারা যান বলে সবার ধারণা।
২. চার্লস কিন্তু একই পোলো খেলতে ভালোবাসতেন না। ১২১০ সালে ভারতের সিংহাসনে বসেন কুতুব উদ্দিন আইবেক। তিনিও পোলো খেলতে খুব ভালোবাসতেন। একবার পোলো খেলবার সময় মাথা খুব নিচু করে খেলতে গিয়ে অন্য একজন দুর্ঘটনাবশত তাঁর মাথায় আঘাত করে। তিনি মারা যান। ভেবেছিলেন এই খেলার মাধ্যমে বেশ আধুনিক মানুষ হবেন। কিন্তু পোলোই তাঁকে শেষ করে।
৩. রিচার্ড দ্য থার্ডের ভাই জর্জ—ডিউক অব ক্লারেন্সের মৃত্যু হয়েছিল একটু ভিন্নভাবে। ভাইকে ধরে তাঁকে মেরে ফেলবার আদেশ দেন রিচার্ড দ্য থার্ড। ভাই মদপান করতেন না। তাই তাঁকে মদের ব্যারেলে চুবিয়ে মারা হয় ১৪৭৮ সালে। পরে তাঁর মেয়ে এই ঘটনা মনে রাখতে গলায় একটি সোনার ব্যারেল পরে থাকতেন। ১৫৪১ সালে তিনি মারা যান। জীবনেও এক দিনের জন্যও গলা থেকে সোনার ব্যারেল খোলেননি। বাবার প্রতি ভক্তিতে।
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? জরুরি কিছু তথ্য জানুন
৪. ১২৯০ সালে কিং এডওয়ার্ড যুদ্ধ করতে গিয়ে একটি ক্ষত হয় এবং তা থেকে সারা শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হয়। তাঁর প্রিয়তমা রানী কুইন এলেনোর কোনো ডাক্তারকে বিশ্বাস করতে পারেননি। মুখ দিয়ে সমস্ত রক্ত চুষে বের করেছিলেন এই রানী। এতে রাজা বেঁচে ওঠেন। রানী মারা যান। কিং এডওয়ার্ড এতে ভয়ানক আঘাত পান। এমন ঘটনা তাঁকে বিস্ময়াহত করে। যেদিক দিয়ে এলেনোরের কফিন গিয়েছিল, বারো জায়গায় কফিনকে একটু নামিয়ে রেখে বিশ্রাম নিয়েছিলেন কফিন বহনকারীরা। এই বারো জায়গায় ‘এলেনোর ক্রস’ নির্মাণ করা হয়। যা আজও আছে এর সঙ্গে আছে জীবনের চাইতে বড় ভালোবাসার প্রেম এলেনোর দ্য কুইন।
৫. ৫৪৭ সালে ওয়েলসের রাজা মালেগিনের মৃত্যু ঘটে এক অদ্ভুতভাবে। তিনি গেনেদের রাজা ছিলেন। যখন ব্ল্যাক প্লেগ সারা ওয়েলস ছেয়ে ফেলে, তিনি তা থেকে বাঁচতে রস নামের একটি চার্চের ভেতর গিয়ে আশ্রয় নেন। গার্ডরা দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা তাঁকে সেখানে পাহারা দিত। এরপর গার্ডরা চিন্তিত হয়ে পড়ল। কারণ রাজা মালেগিন খাবারের ট্রে ফেরত পাঠাতে শুরু করেন। লোকজন জোর করে ঢুকে দেখতে পায় রাজা মারা গেছেন। কারণ প্লেগ।
৬. ফ্রান্সের রাজা নবম লুইয়ের ঘটনা একটু ভিন্ন। ১২৪৪ সালে তিনি প্লেগে মারা যান। যখন ফিউনারাল সার্ভিস শুরু হয়েছে, তিনি হঠাৎ সোজা হয়ে বসেন। চিৎকার করে বলেন—এসবের মানে কী? তিনি কি মারা গেছেন? তিনি মোটেই এখন মারা যেতে চান না। এই বলে তিনি গটগট করে বাড়ির ভেতরে চলে যান। ১২৭০ পর্যন্ত তিনি বেঁচে ছিলেন। এরপর ১২৭০ সালে তিনি মারা যান প্লেগে। ২৭ বছর পরে সবাই ঘোষণা করে তিনি একজন সেন্ট।
৭. ‘মার্গারেট দ্য মেইড অব নরওয়ে’ ১২৯০ সালে স্কটল্যান্ডের রানী হবার জন্য মাত্র সাত বছর বয়সে জাহাজে স্কটল্যান্ডে আসছিলেন। কিন্তু রাস্তায় সি সিকনেস হয়ে সাত বছরের ভবিষ্যৎ রানী মারা যান।
আরও পড়ুন: রাজধানীর আইসিসিবি হেরিটেজে রবীন্দ্রসংগীতের সাথে রাজকীয় খাবারের আয়োজন
৮. ১৬০৩ সালে রানী প্রথম এলিজাবেথ টনসিলে সেপটিক হয়ে মারা যান। সারা রাত জেগে ছিলেন। ঘুমালে মারা যাবেন। কিন্তু সকালবেলা ধপাস করে পড়েই শেষ।
৯. নরওয়ের রাজা কিং হাকোন গোসল করতে গিয়ে হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যান তাঁর মার্বেল বাথে। এরপর মারা যান। মাথা লেগেছিল বাথটাবের সঙ্গে।
১০. স্যার মাধো রাও সিন্ধিয়া বাহাদুর শ্রীনাথ গোয়ালিওরের মিলিওনেয়ার মহারাজা ডায়াবেটিস থেকে একটি কার্বাঙ্কল হওয়াতে মারা যান। ১৯২৫ সালে এ ঘটনা ঘটে। প্যারিসে কিছু গ্লামারাস সময় কাটাতে এসেছিলেন। ভাগ্য বিরূপ।
১১. আলবার্ট নামে বেলজিয়ামের একজন রাজা ছিলেন। তিনি খ্যাতির মধ্য গগনে উঠেছিলেন। বলা হয়, দ্য বেস্ট কনস্টিটিউশনাল মনার্ক এভার রুলড ইন ইউরোপ। একবার তিনি পাহাড়ে উঠেছিলেন। সবচেয়ে উঁচু শিখরে উঠে যখন এই আরোহণকে নিজের শৌর্যবীর্যের সঙ্গে তুলনা করছিলেন, মারা যান। পা পিছলে পড়ে ছিলেন। গর্ব সব সময় ভালো ফল দেয় না। এবার আসা যাক অন্য একরকম মৃত্যু ঘটনায়। একে বলা হয় ‘রয়াল সেক্সি ডেথ’।
আরও পড়ুন: বসের পক্ষ থেকে অফিসের সব নারী কর্মীকে আইফোন উপহার
১২. কিং আটিলা ছিলেন হানের রাজা। ৪৫৩ সালে অত্যন্ত চমৎকার এক সেক্সসিম্বল নারীকে বিয়ে করেন। যার রূপের খ্যাতি ছিল জগজ্জোড়া। রানীর নাম ছিল ইলডেকো। অনেক রাত পর্যন্ত খাওয়াদাওয়া চলে। এরপর রাজা-রানী তাদের জন্য নির্মিত বিশেষ তাঁবুতে যান ঘুমোতে। পরদিন সবাই দেখে যখন সূর্য ডুবুডুবু, দু-একজন অবাক হয়ে ভাবে ব্যাপার কী? কী করছেন তারা। একজন দরজা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে বলে—কী খাবেন স্যার সুপ না রুটি? দেখেন রানী হাপুস নয়নে কাঁদছেন। রাজা মারা গেছেন। রাজা নাকি এমন একটা আসন বেছে নিয়েছিলেন, যা কামসূত্রে ছিল না। ফল? এই আসনের নাম এক পা কবরে।
এর পরের মৃত্যুগুলো একটু অন্যমত
১৩. রাজা চার্লস ছিলেন ফরাসি দেশের ক্যারোলিংজিয়ান ডাইনাস্টির রাজা। অত্যন্ত অত্যাচারী রাজা ছিলেন, যার প্রাণে দয়ামায়া ছিল না। ৮৭৭ সালে তাঁকে সিংহাসন থেকে প্রায় টেনে নামানো হয়। দশ বছর পরে ৬৫ বছর বয়সে একেবারে পথের ভিক্ষুক হয়ে মারা যান। এবার হয়তো বুঝতে পেরেছেন অভাব ও অনাহারের মানে।
১৪. কুইন মেরি অব মেডিচি রাজা তৃতীয় হেনরির রানী ছিলেন। ১৬১৭ সালে তিনি যে সন্তানের জন্ম দেন তিনিই পরে ত্রয়োদশ লুই নামে বিখ্যাত ছিলেন। মায়ের স্বভাব বা জীবনযাপন তাঁর পছন্দ ছিল না। একদিন সে মাকে জেলে পুরে। মা নিজের যৌবন ও বয়সের সব রহস্যে একজন ওয়ার্ডেনকে বশ করে। এরপর দেশ ছেড়ে পালায়। এর পরের এগারো বছর পথের ফকিরের মতো ঘুরে বেড়ায়। একদিন যখন সে মারা যায়, সবাই দেখে অনাহারে একটা কঙ্কাল খড়ের গাদার ভেতর পড়ে আছে। সেই কঙ্কালই ত্রয়োদশ লুইয়ের মা।
১৫. উগান্ডার রাজা কাবাকা জন্মগ্রহণ করেন ১৯২৪ সালে। ডক্টর মিলটন ওবোটো তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এরপর উগান্ডার রাজা ব্রিটেনে এসে সরকারের মুষ্টিভিক্ষা পাওয়ার জন্য দরখাস্ত করেন। যাকে বলা হয় সোশ্যাল সিকিউরিটির টাকা। ১৯৭৯ সালে যখন তিনি মারা যান, তাঁর পকেটে এক পয়সাও ছিল না। ভাগ্য।
এবার প্রিন্স চার্লস দিয়ে আজকের রচনা শেষ করি।
চার্লস কেবল যে বর্তমান কামিলার সঙ্গে প্রেম করেছিলেন তা নয়। এর আগে অসংখ্য মেয়ে এসেছে তাঁর জীবনে। কিন্তু কামিলার ভেতর তিনি কী পেয়েছেন, সেটা তাঁর নিজের ব্যাপার। ১৯৬৭ সালে যখন তাঁর বয়স মাত্র ১৯ বছর, একজন বালকের মতো তিনি এসেছিলেন টিমবারটপে। ফিরে গিয়েছিলেন পুরুষ হয়ে। জীবনের প্রথম প্রেম তাঁকে বালক থেকে পুরুষ করেছিল। কেমব্রিজে জীবনের প্রথম প্রেমের স্বাদ উপভোগ করেন। মেয়েটির নাম ছিল লুসি সান্তা ক্রুস। চমৎকার বুদ্ধিমতী দীর্ঘদেহী মেয়েটি চিলির অ্যাম্বাসাডরের মেয়ে। সবাই বলে তিনি লুসিকে ভীষণ ভালোবেসেছিলেন। কিন্তু বিয়ের কথা কোনো পক্ষই আলোচনা করেনি।
১৯৭৭ সালে স্থানীয় কাগজ বড় বড় হেডলাইনে জানিয়েছিল চার্লস লুক্সেমবার্গের রাজকুমারী মারি আসট্রিডকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। রাজকুমারীর বয়স ছিল ২৩ বছর। চার্লস বলেছিলেন—বিয়ের খবর সত্যি নয়।
১৯৭০ সালে লর্ড মাউন্টব্যাটনের নাতনি আমান্ডা কাঞ্চবুলের সঙ্গে একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়েছিল তাঁর। হলিডেতে গিয়েছিলেন একসঙ্গে। কিন্তু বিয়ে হয়নি।
১৯৭২ সালে গ্রেস কেলির মেয়ে মোনাকোর রাজকুমারী কারোলিনের সঙ্গে সখ্য করেন। সবকিছু হলেও বিয়ে হয়নি।
১৯৭০ সালে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের মেয়ে ট্রিসিয়ার সঙ্গে তাঁর একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। নিক্সন তাঁকে জামাই হিসেবে পেতে খুব আগ্রহী ছিলেন। তিনি মেলামেশার পর বলেন—মেয়েটা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। একেবারে কৃত্রিম।
অসংখ্য নারীর কয়েকজন। কামিলার সঙ্গ ও সান্নিধ্য তাঁকে কতখানি প্রভাবিত করেছে তা এখন জানে বিশ্ববাসী। তাহলে কামিলার আইকিউ কি ডায়ানার চেয়ে ভালো? না হলেও চার্লস আর কামিলার কেমিস্ট্রিগত ভয়ানক মিল ছিল। না হলে এমন হয়?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন