ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল নারীর


সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল নারীর

রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় সাবেক স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঝুমুর আক্তার (৩৮) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মধ্যবাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের ১৪ নম্বর রোডের একটি বাড়ির গেটের সামনে ঘটে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান।

এমন পরিস্থিতিতে সাবেক স্বামী রেজাউলকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করেছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত ঝুমুরের বাড়ি বরিশাল জেলায় অবস্থিত। তার বাবার নাম জাফর হাওলাদার। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর, তিনি হোটেল কর্মচারী রেজাউলকে বিয়ে করেন। বাড্ডা এলাকায় দুই থেকে তিন বছর সংসার করার পর বনিবনা না হওয়ায় এক বছর আগে রেজাউলকে তালাক দেন ঝুমুর। এরপর তিনি গ্রামে ফিরে যান এবং কিছুদিন পর এক প্রবাসীকে বিয়ে করেন।

ঝুমুরের দূর সম্পর্কের আত্মীয় মনিকা আক্তার জানান, গত দু-তিন দিন আগে বরিশাল থেকে ঝুমুর ঢাকার মিরপুরে তার তৃতীয় স্বামীর বাড়িতে আসেন। তার বর্তমান স্বামী বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। মিরপুরের বাসা থেকে মঙ্গলবার সকালে মধ্যবাড্ডায় মনিকাদের বাসায় বেড়াতে আসেন ঝুমুর।

বিকেলে মনিকা ও তার মা অজিফা বেগম ঝুমুরকে নিয়ে এলাকা ঘুরতে যাওয়ার সময় সাবেক স্বামী রেজাউল তাদের দেখতে পেয়ে পিছু নেন। কিন্তু বিষয়টি তারা টের পাননি।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায় মনিকাদের বাসা থেকে ঢোকার সময়, রেজাউল পেছন থেকে এসে ঝুমুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এর ফলে তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন। ঝুমুরের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে রেজাউল পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে স্থানীয়রা তাকে আটকে পুলিশে দেয়।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে মদ-বিয়ার ও ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

গুরুতর অবস্থায় ঝুমুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং জানিয়ে দেন যে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই যুগে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত: ইউনিভার্সিটির ক্লাসে ল্যাপটপ-স্মার্টফোন নিষিদ্ধ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ এম


এআই যুগে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত: ইউনিভার্সিটির ক্লাসে ল্যাপটপ-স্মার্টফোন নিষিদ্ধ!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা ও পেশাজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলেও, এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে স্বাধীন চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং মৌলিক সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা ধরে রাখার প্রশ্নে, বিশ্বের নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন নীতিমালা গ্রহণ করছে। এই প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানের আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাসরুমে ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ সকল ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নতুন নয়। তবে এবার ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো-এর ল স্কুল। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না, যার মধ্যে ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনও অন্তর্ভুক্ত।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের তথ্য অনুযায়ী, এআই যুগে শিক্ষার্থীদের স্বাধীন চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণী সক্ষমতা এবং মৌলিক আইনি দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রযুক্তির প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে একজন দক্ষ আইনজীবীর জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক গুণাবলী গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই নীতির সূচনা করা হয়েছে।

ল স্কুলের মূখ্য বক্তব্য ছিল, 'শিক্ষার্থীরা যেন এআইয়ের ওপর নির্ভরতা না রেখে, স্বকীয়তা, কৌশলগত চিন্তা এবং গভীরভাবে স্বাধীনভাবে ভাবতে শেখে, তা নিশ্চিত করতেই আমাদের এই পদক্ষেপ।'

শুধু ক্লাসরুমেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়টি পরীক্ষা ব্যবস্থাতেও বড় পরিবর্তন আনছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষা ক্লাসরুমের ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে এবং পরীক্ষার সময় ইন্টারনেট, কোনো ইলেকট্রনিক ফাইল অথবা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নীতিমালা ভবিষ্যতে পুনর্মূল্যায়ন, পুনর্বিবেচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হতে পারে। তাদের ভাষায়, 'প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল। ফলে বর্তমান নিয়মগুলো প্রযুক্তি ও আইনি পেশার বিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যতে পরিবর্তন করা হতে পারে।'

অথচ বিশ্ববিদ্যালয় এটিও স্বীকার করেছে যে, আইন পেশার ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তাই ক্লাসে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার সীমিত করলেও, পাঠ্যক্রমের নির্দিষ্ট অংশে শিক্ষার্থীদের এআই প্রযুক্তি শেখানো হবে। এতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে পেশাগত জীবনে এই প্রযুক্তি দায়িত্বশীল, কার্যকর এবং নৈতিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

আইন পেশা বর্তমানে এআইয়ের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর একটি। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, এআই ও অটোমেশনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা পেশাগুলোর মধ্যে আইন অন্যতম। 'এআই এক্সপোজার ইনডেক্স'-এর সেই গবেষণায় আইন পেশাকে শতভাগ 'উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আইন পেশার অনেক জ্ঞানভিত্তিক এবং বিশ্লেষণধর্মী কাজ বর্তমানে এআইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব।

ইতোমধ্যেই আদালতের মামলায় প্রস্তুতিতে এআই আইনজীবী ব্যবহৃত হচ্ছে। গত মাসে যুক্তরাজ্যের একটি এআইভিত্তিক ল ফার্ম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি সফল মামলার প্রস্তুতিতে এআই আইনজীবী ব্যবহার করে নতুন নজির স্থাপন করেছে। 'গারফিল্ড এআই' নামক প্রতিষ্ঠানটি সাক্ষী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি সংগ্রহ এবং ট্রায়ালের প্রস্তুতির কাজে তাদের এআই আইনজীবীকে ব্যবহার করে। পরে একজন মানব ব্যারিস্টার আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা ফিলিপ ইয়ং লিংকডইনে লিখেছেন, 'মানুষের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একজন এআই আইনজীবীর জয়ে এটি বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম ট্রায়াল। এটি সবার জন্য আইনি সহায়তা আরও সহজলভ্য করার পথে নতুন যুগের সূচনা করেছে।'

ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা এবং আইনি পেশার বাস্তবতা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য। একদিকে এআই কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে স্বাধীন চিন্তা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং মৌলিক দক্ষতা ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে সামনে আসছে। ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো ল স্কুলের এই পদক্ষেপ সেই ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখা যেতে পারে। প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি মানবিক বিচারবোধ ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বিকাশই যে ভবিষ্যতের এক বড় চ্যালেঞ্জ, এই উদ্যোগ সেটিরই প্রতীক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ৩ গুপ্তচরের বাহরাইনে কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০২ এম


ইরানের ৩ গুপ্তচরের বাহরাইনে কারাদণ্ড

বাহরাইনের একটি আদালত ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযুক্ত তিন ব্যক্তি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং তাদের সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে বাহরাইনের বিরুদ্ধে ‘শত্রুতামূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ সহায়তা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

বাহরাইনের সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তিন আসামির বিরুদ্ধে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড এবং তাদের সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় করে বাহরাইনের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছিল। আদালত তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

ইরান-সংযুক্ত তৎপরতার বিরুদ্ধে অভিযান গত কয়েক মাসে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরান-সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে।

বাহরাইনও সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের প্রতি সমর্থন বা সহানুভূতি প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির কর্মকর্তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বাহরাইনে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সুন্নি মুসলিম রাজতন্ত্র রয়েছে। তবে দেশটির জনসংখ্যার একটি বড় অংশ শিয়া মুসলিম, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ করে আসছে।

বাহরাইনের মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, সাম্প্রতিক অভিযানে কয়েক শ’ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিয়া সম্প্রদায়ের।

তবে বাহরাইন সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, নাগরিকদের ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো অভিযান চালানো হচ্ছে না। সরকারের দাবি, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘চাইলে হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারে ইরান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ এম


‘চাইলে হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারে ইরান’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এক নজিরবিহীন ও সরাসরি হুমকি দিয়েছেন ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একজন সাবেক শীর্ষ কমান্ডার। তিনি দাবি করেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষতি করার সক্ষমতা। প্রকাশিত সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের ভেতরে প্রবেশ করে ট্রাম্পকে হত্যা করা সম্ভব।

সম্প্রতি ইরানি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ফারারু’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার হোসেইন কানানি মোকাদ্দাম বলেন, "যদি ট্রাম্পকে হত্যা করাই লক্ষ্য হয়, তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান খুব সহজেই তা হোয়াইট হাউসের ভেতরে গিয়ে করতে পারে। যখনই প্রয়োজন হবে, আমরা তা করতে সক্ষম।"

এই কড়া হুমকির পাশাপাশি কানানি মোকাদ্দাম তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান আলোচনা নিয়েও নিজের মন্তব্য জানিয়েছেন। স্পষ্ট করে তিনি বলেন, "ইরানের দৃষ্টিকোণ থেকে এই আলোচনার উদ্দেশ্য কোনো শান্তি চুক্তি প্রতিষ্ঠা করা নয়।" মার্কিন প্রশাসনের সাথে চলমান আলোচনা মূলত উত্তেজনা হ্রাস করা এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনা বিভিন্ন অভিযোগের বিপরীতে ইরানের দাবি ও অবস্থানকে জোরালোভাবে তুলে ধরা।

তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা ট্রাম্প এবং তার অপরাধী সহযোগীদের সাথে কোনো শান্তির জন্য আলোচনা করছি না। এই আলোচনা কেবল আমাদের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং যুক্তরাষ্ট্রের তোলা ভিত্তিহীন অভিযোগগুলোর ব্যাখ্যা দিতে চাই। প্রতিশোধ ও পাল্টা জবাবের বিষয়টি আমাদের টেবিলে অত্যন্ত জোরালোভাবেই বহাল রয়েছে।"

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন আগ্রাসন চললে কখনই খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২১ এম


মার্কিন আগ্রাসন চললে কখনই খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন, বিদ্বেষমূলক আচরণ ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান যে, হরমুজ প্রণালি কখনই উন্মুক্ত করা হবে না।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেশটির সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সমুদ্রসীমার নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষার বিষয়ে দেশের সশস্ত্র বাহিনী কোনো অবস্থাতেই পিছপা হবে না। তিনি জানান, "হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার একমাত্র পথ হলো ইরানি জনগণের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।"

এছাড়া, নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে জেনারেল আকরামিনিয়া আরও বলেন, "শহীদদের রক্তের, বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবের শহীদ নেতার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে এই প্রতিশোধ নেওয়া হবে।"

সূত্র: দ্য ডন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%