বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় ইউএনও আসমা উল হুসনা রহমতপুর বাজার, রহমতপুর খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে রহমতপুর বাজার এবং এর আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাজারের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার অবস্থার পাশাপাশি খাল ও আশপাশের পরিবেশের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন।
এক্ষেত্রে ইউএনও আসমা উল হুসনা সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি রহমতপুর বাজার কমিটি, ব্যবসায়ী এবং আশপাশে বসবাসরত স্থানীয়দের ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করে পরে যথাযথভাবে অপসারণ বা পুড়ে ফেলার বিষয়টি নির্দেশনা দেন। এ সময়ে তিনি সবাইকে সচেতন করে বলেন, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাজার ও আশপাশের পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যবসায়ী, বাজার কমিটি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
কেউ নির্দেশনা অমান্য করে যত্রতত্র ময়লা ফেললে কিংবা পরিবেশ নষ্ট করলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এ সময় রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল করিম হাওলাদার, রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন সিকদার, ইউপি সদস্য মো. শাহিন হোসেন, রহমতপুর বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল জেলা জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদক অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে, তিনি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেও বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় তার নামে এবং বেনামে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিএন্ডবি রোডে ‘বন্ধন’ নামের একটি ভবনে সরকারি শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। একই এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ১০ তলা ভবনে তার নামে বা বেনামে আরও চারটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সব মিলিয়ে ছয়টি ফ্ল্যাট ও জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ছয় কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় একজনের কথা থেকে জানা গেছে, সিএন্ডবি রোডের লাইফ কেয়ার মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পাশে নির্মাণাধীন ওই ভবনের তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, ভবনটিতে প্রায় ২০ জন শেয়ার থাকার কথা রয়েছে, তবে মূল দায়িত্বে অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম রয়েছেন। এদিকে, জমিটির ‘ক’ তফসিলভুক্ত হওয়ায় অভিযোগের ভিত্তিতে মালিকানা ও কাগজপত্রের সত্যতা জানতে এলাকাবাসী দাবি করেছেন।
স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, সিটি করপোরেশনের বিধিমালা অনুযায়ী ছয় ফুট প্রশস্ত গলির পাশে কীভাবে ১০ তলা ভবনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর ফলে তদন্তের দাবি উঠেছে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের দপ্তর জানিয়েছে, মেয়র আহসান হাবিব কামালের সময় এ নিয়ে ৬/৭ ফুট সড়কের পাশে সর্বোচ্চ তিন তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। সংশ্লিষ্ট দপ্তর অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের নির্মাণাধীন ভবন সম্পর্কে অবগত নন। তবুও বেআইনি নির্মাণ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেয়া হয়েছে।
অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম সরকারী কলেজের শিক্ষক এবং রাজনৈতিক দলের বায়তুল মাল সম্পাদক হওয়ায় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, সরকারি চাকরিতে থেকে রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা আইন অনুযায়ী কি সঙ্গত, তা দেখা উচিত।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৭৯-এর বিধি ২৫ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক দল বা এর অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হতে পারে না। ফলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা থাকলে সরকারি আইন অনুযায়ী তা অসদাচরণ বলে গণ্য হবে।
অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও বরিশাল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাহমুদুন্নবীর নির্বাচন পরিচালনায় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। অভিযোগগুলোর ব্যাপারে সরকারি দপ্তর ও ভূমি কর্তৃপক্ষের নথিপত্র যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেন স্থানীয়রা।
অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম অভিযোগগুলো সম্পর্কে বলেছেন, 'গত ডিসেম্বর মাসে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিসিসি থেকে ৩ ইউনিটের ৯ তলা ভবনের প্ল্যান পাশ করিয়েছি।' জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদক পদে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমি জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত, তবে কোনো পদে নেই।' ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাহামুদুন্নবীর নির্বাচনী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন সম্পর্কে তিনি বলেন, 'নির্বাচনী সকল কর্মকান্ডে ছিলাম, তবে সরকারি চাকরি করার কারণে দলীয় পদে নেই।' তিনি আরো জানান, নির্মাণাধীন ভবনে তার ভাগ্নের নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চার কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ পেয়ারা আহমেদ (২৬) নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার সহযোগী মো. লোকমান (২৮) পালিয়ে যান। আটক পেয়ারা আহমেদ উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের চকলক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল ছাত্তারের ছেলে। পলাতক লোকমান একই গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার রাজেন্দ্রপুর সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আটক পেয়ারা ও পলাতক লোকমান দীর্ঘ সময় ধরে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মাদক এনে বিক্রির কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।
এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম শিবের বাজার বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মো. আব্দুল কালাম বাদী হয়ে রাতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে, আটক পেয়ারা আহমেদকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর তথ্য জানিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বিজিবির সদস্যরা নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, রাজেন্দ্রপুর সীমান্তের মেইন পিলার ২০৯৬ দিয়ে ভারত থেকে দুই ব্যক্তি গাঁজা নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছেন। এর পর বিজিবির একটি দল ওই পিলার থেকে প্রায় ৭০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়।
একপর্যায়ে নীল রঙের পলিথিনে মোড়ানো একটি পোটলা হাতে একজনকে এবং তার সঙ্গে আরেকজনকে আসতে দেখেন বিজিবির সদস্যরা। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন বিজিবি সদস্যরা তাঁদের ধাওয়া করে পেয়ারা আহমেদকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় লোকমান পালিয়ে যায়।
পরে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পেয়ারা আহমেদের হাতে থাকা নীল পলিথিনে মোড়ানো পোটলাটির তল্লাশি করা হয়। সেখান থেকে চার কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার হয়। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য হচ্ছে ১৪ হাজার টাকা।
বিজিবি সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পেয়ারা আহমেদ তার সহযোগী হিসেবে লোকমানের নাম ও ঠিকানা জানান। ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার এসআই রায়হান জানিয়েছেন, ১৭ আগস্ট সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকলক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ১২ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ চাঁনপুর এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে হৃদয়কে আটক করা হয়। এ সময় পেয়ার ও জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেছেন, ‘বিজিবি একজন আসামিকে গাঁজাসহ থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে। এজাহারে আরো একজনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই-এর ফেসবুক পেইজ থেকে এক সাংবাদিকের মৌলিক ভিডিওতে বেআইনী কপিরাইট ক্লেম দেওয়ায় চ্যানেল আই-এর পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পটুয়াখালীর বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক খবরের কাগজের বাউফল উপজেলার প্রতিনিধি মশিউর রহমান মিলনের পক্ষে নোটিশটি পাঠান উচ্চ আদালতের আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। বুধবার (১৯ আগস্ট) ডাকযোগে শাইখ সিরিজকে এ লিগ্যাল নোটিশটি পাঠানো হয়।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, বাউফলের সাংবাদিক মিলন গত ২৬ জুলাই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে ‘চাঁদাবাজির অভিযোগ, সাংবাদিককে হাতে নাতেধরলো ভুক্তভোগী হিন্দু পরিবার’ ক্যাপশনে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ওই ভিডিওটি তিনি তার নিজস্ব মোবাইল ফোনে ধারণ করেছিলেন। ভিডিওটি পোস্ট করার পর দেশব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
নোটিশে অভিযোগ করা হয়, গত চলতি মাসের ৮ আগস্ট চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষ ফেসবুকের ‘রাইটস ম্যানেজার’ সিস্টেম ব্যবহার করে ওই ভিডিওটির ওপর মালিকানা দাবি করে কপিরাইট ক্লেম দেয়। পরে ফেসবুক ক্লেম আমলে নিয়ে ভিডিওটি বন্ধ করে দেয়। কোনোরকম যাচাই-বাছাই ছাড়া একজন সাংবাদিকের মৌলিক ভিডিওর ওপর কপিরাইট ক্লেম দেওয়া বেআইনী কাজ।
সাংবাদিক মিলনের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে ভিত্তিহীন কপিরাইট ক্লেম তুলে নিয়ে ভিডিওটি পুনরায় সচল করা, এই মানহানিকর ঘটনার জন্য সাংবাদিক মিলনের কাছে লিখিতভাবে ক্ষমাপ্রার্থনা এবং পেশাগত সম্মান হানি ও আর্থিক ক্ষতি হিসেবে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ৭ দিনের মধ্যে এসব দাবি মেনে না নিলে প্রচলিত কপিরাইট আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন ও মানহানি আইনের অধীনে শাইখ সিরিজের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আদালতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাংবাদিক মিলন বলেন, কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়া আমার মৌলিক ভিডিওর ওপর এমন ভিত্তিহীন কপিরাইট ক্লেম দেওয়া চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। এতে আমার সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি ও ফেসবুক থেকে সম্ভাব্য আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এতে আমার পেশাগত সুনামও মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে নির্দিষ্ট পার্কিং স্থান নির্ধারণ এবং জরিমানার অর্থ সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবিতে অটোবাইক চালকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট, ২০২৬) বেলা ১২টার দিকে চাঁদপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এলোমেলোভাবে গাড়ি রেখে তারা বিক্ষোভ করেন। এর ফলে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করে।
পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পৌর প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এরপর পৌরসভা কার্যালয়ে চালক, মালিক প্রতিনিধি এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন মন্তব্য করেন, “শহরের যানজট নিরসনে অবৈধ অটোরিকশার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে চালকদের সুবিধার্থে আগামী দুই সপ্তাহ শহরে কোনো জরিমানা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।” এসময় তিনি জানান, এই সময়ের মধ্যে চাঁদপুর পৌরসভার লাইসেন্সধারী ২৬২৭টি গাড়ির চালকদের ট্রাফিক আইনের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এছাড়া তারা মালিক ও চালকদের নিজ দায়িত্বে অবৈধ গাড়ি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেন। নির্ধারিত সময়ের পরে লাইসেন্সবিহীন কোনো গাড়ি পাওয়া গেলে তা সরাসরি ডাম্পিংয়ের জন্য পাঠানো হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খাইরুল কবির জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে চালকদের ট্রাফিক আইনের আওতাধীন একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং কার্ড প্রদান করা হবে। পাশাপাশি জরিমানার বিষয়টি সহনীয় করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রশাসনের এ ধরনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে চালকরা তাদের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রি খীসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খাইরুল কবির, চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমদ এবং ডিবি ওসি মজিবুর রহমান। সভায় অটোরিকশা ও অটোবাইক মালিক এবং চালক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ