ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

৩৫ বছর বয়সে মারা গেলেন হলিউড অভিনেত্রী ডেভি চেইস


৩৫ বছর বয়সে মারা গেলেন হলিউড অভিনেত্রী ডেভি চেইস

হলিউডের জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র লিলোর কণ্ঠদাতা তথা বিখ্যাত হরর সিনেমা ‘দ্য রিং’-এর খুদে ভূত ‘সামারা মরগান’ চরিত্রের অভিনেত্রী ডেভি চেইস আমাদের মাঝে আর নেই। গত ১৬ জুন, ৩৫ বছর বয়সে তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসে মারা যান।

সাম্প্রতিক সময়ে লস অ্যাঞ্জেলেস করোনা অফিস তার মৃত্যুর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর পিছনে এক বেদনাদায়ক ও চাঞ্চল্যকর কারণ উন্মোচন হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ডেভি চেইসের মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল এইডস (অ্যাকোয়ার্ড ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি সিন্ড্রোম)। তার মৃত্যুর সাথে সংযুক্ত অন্য একটি কারণ হিসাবে দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত মাদকাসক্তিকে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হিন্দু সম্প্রদায় কোনো দলের দাসত্ব করে না: মীর শাহে আলম

অভিনেত্রীর বাবা জন ডেভিড শওয়ালিয়া ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-কে বলেছেন যে, ডেভি দীর্ঘ সময় ধরে গৃহহীন জীবনযাপন করছিলেন। তিনি জানান, মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই মারাত্মকভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। পারিবারিক দূরত্বের কারণে অনেক দিন তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ ছিল না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মৃত্যুর পরে ডেভির প্রেমিক রয় হার্নান্দেজ সংবাদমাধ্যম টিএমজেড-কে জানিয়েছেন যে, ডেভি মেনিনজাইটিস এবং সেপসিসে (রক্তে গুরুতর সংক্রমণ) আক্রান্ত হয়েছিলেন। মৃত্যুর কয়েকদিন আগে একটি অর্থসাহায্য চেয়ে করা পোস্টে রয় লিখেছিলেন, লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউনে ডেভিকে অনেক কষ্ট এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে এবং তিনি তাকে একটি সুন্দর ও নিরাপদ জীবন দেওয়ার প্রচেষ্টা করছিলেন।

২০০২ সালে ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ সিনেমায় কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর ডেভি চেইস এর সিক্যুয়েল এবং টিভি সিরিজেও লিলো চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি ‘বিগ লাভ’ সিরিজে কিশোরী কনে রোন্ডা ভলমার এবং ‘ডনি ডার্কো’ সিনেমায় সামান্থা ডার্কো চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন। তবে ২০১৬ সালের পর তিনি অভিনয়জগৎ থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি গাড়ি চুরি এবং অবৈধ মাদক রাখার মতো বেশ কিছু আইনি জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা গোমেজের পাশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে গেলেন ডা. মনোয়ারুল কাদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


হাসপাতালে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে গেলেন ডা. মনোয়ারুল কাদির

বার্ধক্যজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মঙ্গলবার সাবেক মন্ত্রী রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার অনুসন্ধান করেন ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)। জানা গেছে, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ডা. জিয়াউল হকের অধীনে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় বর্তমানে তাঁকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তাঁর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে এসে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর, ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করে শুভকামনার বার্তা পৌঁছে দেন। এ সময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) বলেন, ‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে। আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব খেলনাকে বিএসটিআই’র সনদ গ্রহণ করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


সব খেলনাকে বিএসটিআই’র সনদ গ্রহণ করতে হবে

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকার শিশুদের খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ করেছে।

এখন থেকে দেশে উৎপাদিত এবং আমদানি করা সব খেলনাকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর বাধ্যতামূলক সনদ নিতে হবে।

গত ২৩ জুন শিল্প মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশে খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

শিশু অধিকার ও পারিবারিক কল্যাণে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো।

খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ শিশুদের ক্ষতিকর রাসায়নিকের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা এবং নিরাপদ খেলনার সহজলভ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

নতুন গেজেট বাংলাদেশের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং খেলনার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে। ফলে, দেশে উৎপাদিত বা আমদানি করা খেলনা বাজারজাত করার আগে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি বিএসটিআই অনুমোদিত পরীক্ষাগারে পণ্যের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে যখন গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া খেলনা ও শিশুদের ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্যে সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, পারদ, আর্সেনিকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি বারবার তুলে ধরা হয়েছে। এসডোর Toxic Toys (২০১৩), Innocence Touched by Shadows (২০২৩), Silent Poison (২০২৪) এবং Toxic Playtime (২০২৫) শীর্ষক গবেষণাগুলোতে বাধ্যতামূলক খেলনা নিরাপত্তা মানদণ্ড প্রণয়ন ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এসডো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রমাণভিত্তিক নীতিগত সুপারিশ, বিএসটিআই ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। এছাড়াও নীতিগত সংলাপ, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ সভা এবং প্রচলিত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ খেলনার দাবিতে নিরলসভাবে একত্রে কাজ করছে। খেলনার জন্য 'আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা মানদণ্ড' নিশ্চিত করা, ক্ষতিকর রাসায়নিকের বাধ্যতামূলক পরীক্ষা, বাজার তদারকি, পণ্যের সঠিক লেবেলিং এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য এসডো ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিল, যাতে অনিরাপদ খেলনা কোনোভাবেই শিশুদের হাতে না পৌঁছায়।

এসডো মনে করে, এই গেজেট বাংলাদেশের শিশু অধিকার, জনস্বাস্থ্য এবং পারিবারিক কল্যাণ নিশ্চিত করার পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। নিরাপদ খেলনা শুধু একটি ভোক্তা পণ্য নয়; এটি শিশুদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শিক্ষা এবং নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করার জন্য একটি অত্যাবশ্যক পদক্ষেপ। প্রতিটি শিশুর নিরাপদ পরিবেশে এমন খেলনা ব্যবহারের অধিকার রয়েছে, যা তাদের স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না।

এসডো এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনকে বাংলাদেশ সরকার, বিএসটিআই, বান টক্সিকস, নীতিনির্ধারকসহ উৎপাদক, আমদানিকারক, ভোক্তা অধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি এসডো জোর দিচ্ছে নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের উপর। এ লক্ষ্যে নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানি পর্যায়ে কার্যকর মান নিয়ন্ত্রণ, আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছে এসডো, যাতে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রিত প্রতিটি খেলনা নির্ধারিত নিরাপত্তা মান পূরণ করে। বাংলাদেশের খেলনা শিল্প যখন দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন এই মানদণ্ড বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে ভোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধি, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে 'মেইড ইন বাংলাদেশ' পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম আরও শক্তিশালী করবে।

এসডো নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নে বিএসটিআই, সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। নিরাপদ, সুস্থ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে এসডো তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোংলায় মামলা করায় শিক্ষিকাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


মোংলায় মামলা করায় শিক্ষিকাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

মোংলায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষিকা লাঞ্ছনার ঘটনায় করা মামলার বাদী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মামলা তুলে নিতে তাদের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগও করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে না পাঠাতে অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং মব তৈরির অভিযোগও করছে স্থানীয়রা। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৭ জুন মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের পশ্চিম বাজিকরখণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উক্ত হামলার ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে একটি বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় ফারুকুল ইসলাম মৃধা ও জাকির হাওলাদারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি বিদ্যালয়ে হামলা চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এসময় তারা অফিস কক্ষে ভাঙচুর চালায় এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করে। আসবাবপত্রও ভেঙে ফেলে। বাধা দিতে গেলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাজমী খানম (৪৮)-কে লাঞ্ছিত করা হয়। এই আতঙ্কের কারণে শিক্ষার্থীরা বই-খাতা ফেলে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যায়।

এ ঘটনার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাজমী খানম মোংলা থানায় মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় ফারুক মৃধাসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

নাজমী খানম অভিযোগ করেছেন, মামলা করার পর থেকেই আসামি ও তাদের সহযোগীরা তাকে এবং তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া, মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ তো রয়েছে। যদি মামলা না তোলা হয়, তবে ভয়াবহ পরিণতির হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন অভিভাবকের মোবাইল ফোনে কল করে সন্তানদের বিদ্যালয়ে না পাঠানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ রচিত হয়েছে, যেখানে অনেক অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামী মো. তরিকুল মৃধার মালিকানাধীন একটি চিংড়িঘেরে হামলা চালানো হয়েছে এবং সেখানে থেকে মাছ লুট করা হয়েছে।

তবে মামলার প্রধান আসামি ফারুক মৃধান তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নষ্ট করার জন্য তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বর্তমানে তিনি এলাকার বাইরে থাকেন এবং হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ভাঙচুরের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, মামলার আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বাদীপক্ষ নতুন করে দেয়ালসহ হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল বিতরণ

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে সরকারি পোশাক সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সদ্য যোগদানকৃত ৩ জন গ্রাম পুলিশের জন্য বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুর দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গ্রাম পুলিশদের হাতে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল তুলে দেন।

বিতরণকৃত পোশাক সামগ্রীর মধ্যে ছিল ইউনিফর্ম, জুতা, টুপি এবং রেইনকোট।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গ্রাম পুলিশরা তৃণমূল পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবা এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা ও উৎসাহিত করতেই এ ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি গ্রাম পুলিশদের নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%