বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৫৭ এম
কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার নৌঘাঁটি নভোরোসিস্কে একটি বড় ধরনের হামলা পরিচালনা করেছে ইউক্রেন। এতে অন্তত ৪টি রুশ যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার ফলে শিশুসহ ৩ জন নিহত এবং ২৪ জন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের দাবি, কিয়েভ থেকে ৩শ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং এই অভিযানে রাশিয়ার কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার তীব্রতার কারণে নভোরোসিস্ক বন্দর নগরীতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আঞ্চলিক গভর্নরের তথ্যমতে, হামলায় কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।
এদিকে ইউক্রেনীয় হামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে কৃষ্ণসাগরে পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। তাদের দাবি, ওডেসা বন্দরে সামরিক সরঞ্জামবাহী একটি ইউক্রেনীয় কার্গো জাহাজে সফল আক্রমণ করেছে রুশ বাহিনী। একইসঙ্গে, জ্বালানি ডিপো এবং বেশ কিছু বন্দর অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি করেছে মস্কো। এছাড়া, হামলাটি ঘটেছে ওডেসার একটি শপিং মলে।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে কঠোর বার্তা পাঠিয়েছে। মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক তেলবাহী জাহাজে কোনো ধরনের হামলা চালানো যাবে না। বিশ্ববাজারে তেলের দামের স্থিতিশীলতা রক্ষায় নভোরোসিস্কের তেল রফতানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু না করার জন্যও ইউক্রেনকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
পশ্চিমা দেশগুলো রুশ বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করলে তা দস্যুতা হিসেবে গণ্য হবে এবং এই জন্য কঠোর জবাব দেয়া হবে বলে সতর্কতা জারি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সময় যত গড়াচ্ছে সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল খুনের রহস্য উদঘাটনে নতুন ইস্যু আলোচনায় উঠে আসছে। আসল রহস্য কি গৃহকর্মীর প্রেম না কি জয়গা জমি নিয়ে বিরোধ তার রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে।
সিলেট মহানগরীর রায়নগর রাজবাড়ি এলাকায় মিতালি ১১১নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় নির্মম ভাবে খুন হন স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীসহ তিন জন। এই হত্যাকান্ডের ঘটনার পর থেকে গোটা সিলেট জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় এই হত্যারকান্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় একই দিন বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাবুল মিয়া নামের একজনকে গ্রেফতার করে। নিহতরা হলেন- মৃত আবরু মিয়ার ছেলে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার মালিক মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)।
জানা গেছে, হত্যাকান্ডের এই ঘটনার পর পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশ গুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করে।
ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পুলিশ জানায়, নিহতদের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের দেয়াল ও বাথরুমের বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ দেখা গেছে। সাত্তারের কক্ষের তিনটি ওয়ারড্রোব তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র খোয়া গেছে। মেঝেতে একটি দলিলের কপিও পাওয়া গেছে। রিকাবীবাজারের একটি সম্পত্তি নিয়ে চলমান বিরোধ ও মামলার একটি ঝামেলা চলছিল বলে জানা গেছে। ওই মামলার একটি শুনানি আগামী ১৯ আগস্ট হওয়ার কথা ছিল।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহত আব্দুস সাত্তারের আইনজীবী আজিজুর রহমান মানিক। তিনি জানান, রিকাবীবাজারের পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতির জায়গা ও সেখানে ইম্পাস টাওয়ার নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। গির্জা সমিতির কাছ থেকে লিজ নিয়ে সেখানে বাসা ও স্থাপনা নির্মাণ করে ছিলেন মো. আব্দুস সাত্তার। ২০২৩ সালে তিনি ওই সম্পত্তি নিয়ে স্বত্ব মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ২১১/২৩। পরে আদালতের আদেশের বিররুদ্ধে সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে সিভিল রিভিশন মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুস সাত্তারকে বিবাদী করা হয়। মামলাটির নম্বর ৭০/২৩ এবং আগামী ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ নির্ধারিত ছিল।
আইনজীবী আজিজুর রহমান মানিক আরও বলেন, প্রতিটি শুনানিতে আব্দুস সাত্তার আদালতে হাজিরা দিতেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগেও তিনি শুনানিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে নিহতের পরিচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে হত্যাকান্ডের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর ধারণা, পরিকল্পিত ভাবে আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, হত্যাকান্ডের সম্ভাব্য বিভিন্ন কারণ সামনে রেখে তদন্ত চলছে। রিকাবীবাজারের জায়গা নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুঠোফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। তিনি বলেন, ‘ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিন জনকে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে প্রেম সংগঠিত বিষয়ে এই তিনটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। তবে পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জানা যায়, আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ছিলেন। এক সময় তিনি কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপদেষ্টা ছিলেন। এক ছেলে ও এক মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ও দুই মেয়ে যুক্তরাজ্যে থাকেন। তাঁদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ফলে বুধবার পর্যন্ত নিহত দম্পতির সন্তানদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সুবাং বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ) এবং রয়াল মালয়েশিয়ান এয়ার ফোর্সের (আরএমএএফ) যৌথ দ্বিপক্ষীয় সামরিক মহড়া ‘উদার শক্তি ২০২৬’ শুরু হয়েছে।এই অনুশীলনের আয়োজন করা হয়েছে উভয় দেশের বিমান সেনার মধ্যে কৌশলগত যোগাযোগ, পেশাদার জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ পরিচালনা সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য।
ভারতীয় বিমানবাহিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বার্তায় জানিয়ে দিয়েছে, মহড়ায় দুই দেশের বিমান সদস্যরা যৌথ ফিল্ড ট্রেনিং এবং বিশেষজ্ঞ মতবিনিময়ে নিযুক্ত রয়েছেন। যৌথ এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পারস্পরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, সেরা কাজের অভিজ্ঞতা আদান-প্রদান এবং সামরিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলাই প্রধান উদ্দেশ্য। এর ফলে দুই দেশের বিমানবাহিনীর চালনা কৌশল, কর্মপদ্ধতি ও সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আরো গভীরভাবে জানার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এদিকে রয়াল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সের আয়োজনে ২০ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে আকাশ যুদ্ধের অন্যতম বড় মহড়া ‘এক্সারসাইজ পিচ ব্ল্যাক’।
ডারউইন, টিন্ডাল ও অ্যান্ডারলি ঘাঁটিতে আয়োজিত এই মহড়ায় বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান এবং ২৫০০-র বেশি কর্মী অংশ নিচ্ছেন। ১৯৮৩ সাল থেকে আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী বহুজাতিক অনুশীলনে এবারই প্রথম যোগ দিচ্ছে জাপানের ‘এফ-৩৫ লাইটনিং টু’ এবং ইন্দোনেশিয়ার ‘টি-৫০আই গোল্ডেন ঈগল’ যুদ্ধবিমান।
ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বহু দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ মহড়া নিয়ে আয়োজক বিমান কমান্ডার এয়ার কমোডর ম্যাথিউ ম্যাককরম্যাক বলেছেন, আন্তর্জাতিক স্তরে বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়াতে এই ধরনের উচ্চমানের আকাশ মহড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে এই বিতর্কের আবহেই ফাঁস হয়েছে আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য।
প্রায় দুই দশক আগে, ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের পাকিস্তান সফরের সময় একইভাবে ছদ্মবেশী বিমান ব্যবহৃত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রবীণ সাংবাদিক সুসান পেজ।
সুসান পেজের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, ২০০০ সালের মার্চ মাসে বিল ক্লিনটন যখন ভারত থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে সাংবাদিকদের এক বিশেষ ‘অব-দ্য-রেকর্ড’ ব্রিফিংয়ে ডাকা হয়েছিল। সেখানে নিরাপত্তাকর্মীরা একটি বিকল্প পরিকল্পনা বা ছদ্মবেশী কৌশল বাস্তবায়নের কথা জানান। পরে দেখা যায়, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ চিহ্নিত একটি বিমান অবতরণ করে।
সেখান থেকে হুবহু প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের মতো দেখতে এক সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তা নেমে আসেন। তার কিছুক্ষণ পরেই কোনো চিহ্নিত নাম বা প্রতীক ছাড়া একটি সাধারণ বিমানে চড়ে নামেন মূল প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
বর্তমানে ইউএসএ টুডে’-র ওয়াশিংটন ব্যুরো প্রধান হিসেবে কর্মরত সুসান পেজ জানান, দুটো ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান বদল করা হলেও দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পার্থক্য ছিল। ক্লিনটনের সফরের সময় সাংবাদিকদের আগেভাগেই সতর্ক করে কিছুটা ধারণা দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু ট্রাম্পের ঘটনার ক্ষেত্রে বিমানে থাকা সংবাদকর্মী ও হোয়াইট হাউস কর্মীদের পুরোপুরি অন্ধকারে রাখা হয়। ট্রাম্পকে বিমানবন্দর থেকে খাবার সরবরাহের ক্যাটারিং ট্রাকে করে অন্য একটি সাধারণ সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। অথচ মূল বিমানটি সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে উড্ডয়ন করে এবং পুরো যাত্রাপথে তাদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সাংবাদিক ও কর্মীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে প্রেসিডেন্টকে একা সরিয়ে নিয়ে মূল বিমানকে ফাঁদ বা মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই চতুর কৌশল নিয়ে সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এই বিষয়ে সরাসরি কোনো প্রতারণার কথা স্বীকার না করলেও হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অনেক শত্রু ও হুমকি সামলাতে হয়, আর সে জন্য আমাদের হাতে থাকা সর্বোচ্চ কৌশলই প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।’ অন্যদিকে ট্রাম্প নিজেও একে সিক্রেট সার্ভিস-এর নির্দেশিত সাধারণ নিরাপত্তা প্রটোকল বলেই উল্লেখ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রেক্ষিতে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
প্রবাসী আয় বাংলাদেশে পাঠানো এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার জানাটা দৈনন্দিন জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কিছু তথ্য দেখে নেওয়া যাক। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো:
দেশ ও বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশি টাকা - ৳ (BDT):
মালয়েশিয়ার ১ রিংগিত : ৩০ টাকা ২০ পয়সা
সৌদি আরবের ১ রিয়াল : ৩৩ টাকা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১ ডলার : ১২২ টাকা ৮৪ পয়সা
ইউরোপের ১ ইউরো : ১৪৪ টাকা ৯৭ পয়সা
ইতালির ১ ইউরো : ১৪৪ টাকা ৯৭ পয়সা
ব্রিটেনের ১ পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ৭৭ পয়সা
সিঙ্গাপুরের ১ ডলার : ৯৬ টাকা ৯৩ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ার ১ ডলার : ৮৭ টাকা ৪১ পয়সা
নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার : ৭২ টাকা ৮২ পয়সা
কানাডার ১ ডলার : ৮৮ টাকা ৩৮ পয়সা
আমিরাতের ১ দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সা
ওমানের ১ রিয়াল : ৩২০ টাকা ২৫ পয়সা
বাহরাইনের ১ দিনার : ৩২৭ টাকা ৮৬ পয়সা
কাতারের ১ রিয়াল : ৩৩ টাকা ৯৬ পয়সা
কুয়েতের ১ দিনার : ৪০২ টাকা ২২ পয়সা
সুইস ১ ফ্রেঞ্চ : ১৪৮ টাকা ৭৬ পয়সা
দক্ষিণ আফ্রিকার ১ রান্ড : ৭ টাকা ৬৪ পয়সা
জাপানের ১ ইয়েন : ০.৭৭৮ টাকা
দক্ষিণ কোরিয়ার ১ ওন : ০.০৮৭০১৫৫৫ টাকা
ভারতের ১ রুপি : ১ টাকা ২৫ পয়সা।
উল্লেখ্য, যে কোনো সময় মুদ্রা বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ